ই ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্টফোনে সংরক্ষণ । লাইসেন্স কার্ডের হার্ডকপি সাথে না থাকলেও চলবে কি?

ই ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্টফোনে সংরক্ষণ বিধি ২০২৪ । লাইসেন্স কার্ডের হার্ডকপি সাথে না থাকলেও চলবে কি?

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে লাইসেন্স কার্ড নয়, মোবাইল ফোনে ই ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছবি থাকলেও চলবে – ই ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্টফোনে সংরক্ষণ

কিউআর কোর্ড স্মার্টফোনে থাকলেই হবে? হ্যাঁ হবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসাবে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করছে। মোটরযান চালকগণ ড্রাইভিং লাইসেন্সের ন্যায় স্মার্ট মোবাইল ফোনে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করে ব্যবহার করতে পারবে। যা QR কোডের মাধ্যমে যাচাই করা যাবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে অর্থাৎ ২৪/০৩/২০২৪ তারিখ হতেই কার্যকর হয়েছে।

লাইসেন্স কার্ড সাথে না থাকলেও চলবে? হ্যাঁ। বিআরটিএ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসাবে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করছে। মোটরযান চালকগণ ড্রাইভিং লাইসেন্সের ন্যায় স্মার্ট মোবাইল ফোনে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করে ব্যবহার করতে পারবে। যা QR কোডের মাধ্যমে যাচাই করা যাবে অর্থাৎ, লাইসেন্স সাথে না থাকলেও মোবাইলে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করে মোটরযান চালাতে পারবেন।

ই ড্রাইভিং লাইসেন্স কি? ই- ড্রাইভিং লাইসেন্স – ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স একটি ডকুমেন্ট যা একজন গাড়ি চালনার অনুমতি দেয় এবং যেখানে কিউআর কোর্ড চিহ্ন সংযুক্ত করা থাকে। এই লাইসেন্স হল একজন ড্রাইভার নির্ধারিত নিয়ম এবং বিধিমালা অনুসারে গাড়ি চালনার জন্য প্রয়োজনীয় হয়। ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স হিসাবে ডিজিটাল ফরমে নথিভুক্ত করা হয় এবং এটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মেয়াদ পূর্তি হয়।

ই ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে কেমন? / ই ড্রাইভিং লাইসেন্স হল ইলেক্ট্রনিক ড্রাইভিং লাইসেন্স যা অনলাইনে কিউআর কোড স্ক্যান করে যাচাই করা যায়।

চীন, জাপান, ভারত, নেপালে ই ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রচলন রয়েছে। বাংলাদেশেও এটি প্রচলন শুরু হল।

ই ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্টফোনে সংরক্ষণ বিধি ২০২৪ । লাইসেন্স কার্ডের হার্ডকপি সাথে না থাকলেও চলবে কি?

Caption: e driving licence acceptance order

ই ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার নিয়ম । ই লার্নার কার্ড চেক করার নিয়ম দেখে নিন

  1. প্রথমত আপনার মোবাইলে BARCODE Reader অথবা কিউআর কোড রিডার অ্যাপ ইনস্টল থাকতে হবে।
  2. QR Code Reader অ্যাপটি ওপেন করে লার্নার কার্ডের বারকোডটি স্ক্যান করতে হবে।
  3. একটি লিংক পাবেন সেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে লিংক ভিজিট করতে হবে।
  4. লিংক ভিজিট করলেই লার্নার কার্ডের তথ্য দেখাবে এবং বুঝা যাবে যে, এটি ভূয়া বা ফেইক নয়।
  5. এভাবে সহজেই লার্নার কার্ড ভেরিফিকেশন করা যায়।

বাংলাদেশের লাইসেন্স কি বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে? – হ্যাঁ। বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণযোগ্যতা পাবে। আপনি বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড অনলাইনে চেক করতে পারবেন। তাই বিদেশী কর্তৃপক্ষও এটি চেক করতে পারবেন পৃথিবীর যে কোন স্থান হতেই। তাছাড়া আন্তর্জাতিক লাইসেন্সও করা যায়।

ভিসা প্রসেসিং এ ই লাইসেন্স ব্যবহার করা যাবে? হ্যাঁ। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে না রেখেও, স্মার্টফোনে ই-লাইসেন্স দেখিয়ে গাড়ি চালাতে পারবেন চালকরা। শুধু তাই নয়, ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করে ভিসা প্রসেসিং, বিদেশে গমনে ব্যবহার, চাকরিতে নিয়োগ ইত্যাদি প্রয়োজনে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড ও ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স উভয়ই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হবে। এতে থাকা কিউআর কোড দ্বারা সরাসরি ডাটাবেইজ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কি তথ্যাদি যাচাই করা যাবে।

ই ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্টফোনে সংরক্ষণ । লাইসেন্স কার্ডের হার্ডকপি সাথে না থাকলেও চলবে কি?

E Driving licence Check 2023 । ড্রাইভিং লাইসেন্স বা লার্নার কার্ড চেক করার উপায় কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *