বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির তালিকা ২০২৪ । গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি কত বাড়লো?

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির তালিকা ২০২৪ । গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি কত বাড়লো?

ভোক্তা পর্যায়ে লাইফ লাইনে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে মাত্র ৩৪ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে এবং উচ্চ পর্যায়ে মাত্র ৭০ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির তালিকা ২০২৪

সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে কত শতাংশ বাড়লো?  – গ্রাহক পর্যায়ে প্রান্তির ক্ষেত্রে ৫% অর্থাৎ একশত টাকা ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ যারা কম ব্যবহার করবে তাদের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক পর্যায়ে রয়েছে যেমন ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে ২৮ পয়সা প্রতি ইউনিটে বাড়ছে এবং ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ৩৫ পয়সা বাড়ছে।

বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া কি? বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিইআরসি-এর কাছে তাদের বিদ্যুতের দামের প্রস্তাবনা জমা দেয়। বিইআরসি একটি গণশুনানির আয়োজন করে, যেখানে বিভিন্ন পক্ষ তাদের মতামত দিতে পারে।বিইআরসি সকল প্রস্তাবনা ও মতামত বিবেচনা করে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করে। বিইআরসি-এর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। বিদ্যুতের দাম নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনে পরিবর্তন করা হয়। এখন সরকার এককভাবে বিদ্যুৎ নির্ধারণের ক্ষমতা হাতে নিয়েছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কিছু উপায় জেনে নিন- সোলার প্যানেল ব্যবহার করতে হবে। ইলেকট্রিক যানবাহন ব্যবহার করতে হবে। স্মার্ট গ্রিড ব্যবহার করতে হবে। বিদ্যুতের অপচয় রোধে প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিদ্যুৎ বিল কমাতে পারি, পরিবেশ রক্ষা করতে পারি এবং জাতীয় সম্পদের অপচয় রোধ করতে পারি।

১ ইউনিট কত টাকা ২০২৪ । বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ ইউনিট কত টাকা জেনে নিন

আপনি ৫০-৭৫ ইউনিটের মধ্যে বিদ্যুৎ ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখলে আপনার ব্যয় খুব একটা বাড়বে না। কিন্তু যদি ৪০০-৬০০ ইউনিট ব্যবহার করেন তবে ১ টাকা উপরে প্রতি ইউনিটে বেশি গুণতে হবে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির তালিকা ২০২৪ । গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি কত বাড়লো?

Caption: info Source jamuna tv

বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)-এর মাধ্যমে। বিইআরসি বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করে, যার মধ্যে রয়েছে

  1. উৎপাদন খরচ: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত জ্বালানি, যন্ত্রপাতি, কর্মচারীদের বেতন, ঋণের সুদ ইত্যাদির খরচ।
  2. সঞ্চালন ও বিতরণ খরচ: বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে খরচ হয়।
  3. বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহ: বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য।
  4. সরকারের নীতি: সরকারের বিদ্যুৎ নীতি ও লক্ষ্যমাত্রা।
  5. আন্তর্জাতিক বাজারের দাম: আন্তর্জাতিক বাজারে বিদ্যুতের দামের প্রভাব।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উপায় কি?

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অনেক উপায় আছে। ব্যবহারের পর বাতি, ফ্যান, এসি বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রয়োজনেই লিফট ব্যবহার না করা। এছাড়াও কম্পিউটার, টিভি, মোবাইল চার্জার ব্যবহারের পর আনপ্লাগ করে দেওয়া যায়। পুরোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বদলে নতুন এনার্জি সেভিং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যায়। প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। ফ্রিজ, এসির দরজা বারবার না খোলা এবং কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং মেশিন ফুল করে ব্যবহার করা হয়ে বিরত থাকতে হবে। গরমের সময় ঘর ঠান্ডা রাখার জন্য পর্দা ব্যবহার করতে হবে এবং বিদ্যুতের অপচয় রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

https://technicalalamin.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *