ভূমি কর আদায় সহজীকরণ ২০২৩ । ব্যক্তিক অনলাইন নিবন্ধন রিকুয়েস্ট অননুমোদিত রাখা যাবে না

ভূমি কর আদায় সহজীকরণ ২০২৩ । ব্যক্তিক অনলাইন নিবন্ধন রিকুয়েস্ট অননুমোদিত রাখা যাবে না

ভূমি কর আদায়ে সরকার ভূমি অফিসগুলোকে নতুন কিছু নির্দেশনা জারি করেছে-প্রবাসী বা নাবালকের ভূমি করও পরিশোধ করা যাবে – ভূমি কর আদায় সহজীকরণ ২০২৩

ভূমিকর কি? – কোনো জমি ভোগ দখলের সুবিধা গ্রহণের জন্য সরকারকে প্রতি শতাংশ জমির জন্য প্রতি বছর যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করতে হয় তাকেই ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা বলে । ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের ফলে যে দাখিলা পাওয়া যায় উক্ত দাখিলা মালিকানা প্রমাণের গুরুত্ব পূর্ণ দলিল হিসাবে গন্য হয়ে থাকে। মোবাইলে জমির মালিকানা যাচাই: দাগ নম্বর জানলেই হবে

একই হোল্ডিং এ জনপ্রতি অংশীদারের মওকুফ দাখিলা প্রযোজ্য হবে কি? হ্যাঁ। সংস্থার ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর বছরভিত্তিক আংশিক আদায় করা যাবে। আংশিক আদায়ের পর বকেয়া থাকলে ভূমি উন্নয়ন কর সিস্টেমে বকেয়া দাবি প্রদর্শিত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর কোনক্রমেই মাসভিত্তিক আদায় করা যাবে না। ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির ক্ষেত্রে হোল্ডিং প্রতি ১০ (দশ) টাকার মওকুফ দাখিলা প্রতি বছর একবারই আদায়যোগ্য হবে। এক্ষেত্রে হোল্ডিং-এ একাধিক অংশীদার থাকলে প্রত্যেকে আলাদা আলাদাভাবে ১০ (দশ) টাকার মওকুফ দাখিলা সংগ্রহ করতে পারবেন।

কৃষিজমির অবিভক্ত খতিয়ান বা হোল্ডিং ২৫ বিঘার ঊর্ধ্বে হওয়া সত্ত্বেও অংশীদারদের প্রত্যেকের অংশ আলাদা করে বিবেচনা করা যাবে না। কোন অংশীদার নিজের অংশ আলাদা করতে চাইলে স্বীয় নামে হোল্ডিং খুলে মওকুফ দাখিলা সংগ্রহ করবেন।  নাগরিক কর্তৃক অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর পরিশােধ পদ্ধতি

ভূমি উন্নয়ন কর কি অগ্রিম পরিশোধ করা যাবে? হ্যাঁ যাবে। কোন ভূমি মালিক ইচ্ছে করলে বকেয়া ও হাল সনের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার পর পরবর্তী তিন বছরের ভূমি উন্নয়ন কর অগ্রিম প্রদান করতে পারবেন। পরিশোধিত অগ্রিমের মেয়াদের মধ্যে ভূমি ব্যবহারের ধরণে পরিবর্তন বা সরকারি নির্দেশনার কারণে ভূমি উন্নয়ন করের দাবি বেড়ে গেলে বর্ধিত হারে ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া হিসেবে আদায়যোগ্য হবে। একই হোল্ডিং-এ হাল সন পর্যন্ত বা একাধিক বছরের অগ্রিম ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধিত থাকা অবস্থায় আংশিক হস্তান্তর বা উত্তরাধিকারসূত্রে নামজারি (মিউটেশন) হলে নতুন হোল্ডিংধারী হোল্ডিং গ্রহণের তারিখ থেকে নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করবেন।

ভূমিকর ইউজার রেজিস্ট্রেশন নির্দেশনা জারি / আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করেই ভূমি কর পরিশোধ করা যাবে

প্রতিবছর ভূমি কর পরিশোধ করতে হবে। ঘরে বসেই ভূমিকর পরিশোধ করা যাবে।

Caption: Full PDF download

ভূমিকর নিবন্ধন ২০২৩ । নাবালক বা প্রবাসীর ভূমি কর কিভাবে পরিশোধ করা যাবে?

  1. একজন ভূমি মালিক নাগরিক নিবন্ধন করে খতিয়ান যুক্ত করার সর্বোচ্চ ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নিজ দাপ্তরিক আই.ডি. থেকে উক্ত হোল্ডিং যাচাই ও সমন্বয়পূর্বক অনুমোদন করবেন।
  2. এর ব্যত্যয় হলে তা অদক্ষতা হিসেবে গণ্য করা হবে। নাবালক বা প্রবাসী ভূমি মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাদের নাগরিক নিবন্ধনে নাবালক বা প্রবাসীর জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্ট দিয়ে নাগরিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে হবে।
  3. নাবালক বা প্রবাসীর আইনানুগ অভিভাবক বা প্রতিনিধির মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের ব্যবস্থা করবেন।
  4. খতিয়ানের রেকর্ডায় মালিকের নাম জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে মিল না থাকা এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে রেকর্ডে স্বামীর নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম ইত্যাদি কারণে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের আবেদন বাতিল করা যাবে না।

একজনের ভূমি কর কি অন্যজন দিতে পারবে?

হ্যাঁ কিন্তু মালিকের নামে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা হবে। শুধু হোল্ডিংধারী ভূমি মালিকের নামে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করতে হবে। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধকারী বা ভাড়াটিয়ার নাম দাখিলায় যুক্ত করা যাবে না। ব্যক্তির ক্ষেত্রে আংশিক ভূমি উন্নয়ন কর আদায় কালে যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে কোন একজন মালিক নিজ অংশের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে চাইলে নামজারির (মিউটেশন) মাধ্যমে আলাদা হোল্ডিং তৈরি করতে হবে।

ভূমি উন্নয়ন কর ২০২৩ । অনলাইনে খতিয়ান যুক্ত করার ৭ দিনের মধ্যে নিবন্ধন অনুমোদন হবে

One comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *