ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করার যোগ্য ব্যক্তি ২০২৪ । সাংবাদিক কি ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারে?

ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করার যোগ্য ব্যক্তি ২০২৪ । সাংবাদিক কি ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারে?

ভোটার এজেন্ট ও প্রিজাইডিং অফিসার ছাড়াও সাংবাদিকগণ ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন-ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করার যোগ্য ব্যক্তি ২০২৪

কারা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবে? – যেসব ব্যক্তি ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন অর্থাৎ ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করার যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা সম্বলিত একটি পোস্টার ইসির থেকে দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি ছাপানো হয়েছে। ওই পোস্টারের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

সাংবাধিক কি ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে? হ্যাঁ। শুধুমাত্র ছয় ধরনের ব্যক্তিই ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট ভোট কেন্দ্রের ভোটার, সংশ্লিষ্ট ভোট কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট, নির্বাচন কমিশনের বৈধ পরিচয় পত্র ধারী পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক, অসমর্থ বা অন্ধ ভোটারের সহায়তাকারী, নির্বাচন কমিশন অথবা রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন ব্যক্তি ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে।

ভোট গণনার পরই কি ফল জানা যায়? হ্যাঁ মূলত কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনার যে ফল সেখান থেকে এজেন্টদের মাধ্যমে জনসাধারণ ওই কেন্দ্রের ফল জেনে যায়। তবে গণনা শেষে ব্যালট পেপারসহ সব জিনিসপত্র কন্ট্রোল রুমে নেয়া হয় সংরক্ষণের জন্য। গণপ্রতিনিধিত্ব সংশোধন আইন অনুযায়ী এসব ডকুমেন্ট একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষণের নিয়ম আছে। রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে ফল পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন ঢাকা থেকে সংসদীয় আসন ভিত্তিক বেসরকারি ফল প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই সব জেলার জন্য একজন করে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করেছে।তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের জন্য দুজন রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করার কয়েকদিনের মধ্যে গেজেট আকারে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে থাকে।

বেসরকারি ফল বলতে কোন ফলাফলকে বোঝায়? / ইসি কর্তৃক চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি বা গেজেট হয়নি এমন ফলই বেসরকারি ফল হিসেবে পরিচিত

Here are some photos of the best looking man in Bangladesh / The Most Handsome Man in Bangladesh

Caption: Bangladesh Election Commission

প্রিজাইডিং অফিসারের কাজ ২০২৪ । ভোটাধিকার নিশ্চিত করা কি প্রিজাইডিং অফিসারের কাজ?

  1. ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠ ভাবে ভোট গ্রহণ হচ্ছে কিনা তা দেখা।
  2. সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার সঠিক ভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন কিনা তা তদারকি করা।
  3. কোনো অনিয়ম হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা এবং রিটার্নিং অফিসারকে জানানোই একজন প্রিজাডিং অফিসারের কাজ।
  4. ভোট কেন্দ্রে মারামারি বা কেন্দ্র দখল করার মত ঘটনা ঘটে থাকলে তা দক্ষতার সাথে দমন করা এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া।
  5. ভোট কেন্দ্রে ভোটের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করা৷
  6. ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পোলিং অফিসারের সহায়তায় ভোটারদের লাইন মোতাবেক দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করাই হলো করেন প্রিজাইডিং অফিসারের কাজ।
  7. ভোট কেন্দ্রে মোবাইলে ফোনের ব্যবহার কেউ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা।
  8. সকল সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারের কাজ পর্যবেক্ষণ করা
  9. কোনো অনিয়ম, জাল ভোট হচ্ছে কিনা তা লক্ষ্য রাখা প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব।
  10. যদি কোনো পোলিং অফিসার বা সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার তার দায়িত্বে অবহেলা করলে তাকে অপসারণ করা।
  11. প্রার্থীর সাথে সরাসরি জড়িত নয় এমন কোন ব্যক্তিকে তার স্থলে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতিক্রমে নিয়োগ প্রদান করা।
  12. ভোট গ্রহণের সময় ভোট কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটার প্রবেশের নিশ্চিত করা।
  13. ভোটকেন্দ্রে কোনো ব্যক্তি অযাচিত প্রবেশ করে যদি কোন অনিয়ম করে তাহলে তাকে আইনের আশ্রয়ে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
  14. ভোট কেন্দ্রে অনিয়ম হচ্ছে কিনা তার যথাযথ তদারকি করা প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
  15. সততার সাথে তার সকল দায়িত্ব পালন করা এবং ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সময় তা সুন্দর ও সততার সাথে পালন করাই একজন প্রিজাইডিং অফিসারের প্রধান কাজ।

দ্বাদশ নির্বাচন ব্যয় কত হবে?

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে এবারই প্রথম প্রিজাইডিং-পোলিং অফিসারসহ নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের দু’দিনের সম্মানী ভাতা দেয়া হবে। এর ফলে আগের নির্বাচনের তুলনায় এবারে ব্যয় হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশী অর্থ। প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা খরচের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত এই নির্বাচনের ব্যয় দু হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *