ব্যাংক ঋণ কিস্তি ক্যালকুলেটর

মাসিক কিস্তি (টাকা)—
মোট পরিশোধ (টাকা)—
মোট সুদ (টাকা)—
কিস্তির পরিমাণ আনুমানিক। ঋণ বিতরণের তারিখ ও প্রথম কিস্তির তারিখ অনুযায়ী প্রকৃত কিস্তি ভিন্ন হতে পারে।

ব্যাংকভিত্তিক তুলনা (মোট সুদ অনুযায়ী)

ব্যাংকসুদের হার %মাসিক কিস্তিমোট সুদ
⚠ টেবিলের সুদের হারগুলো নমুনা/আনুমানিক এবং সম্পাদনযোগ্য। ব্যাংকের হার প্রায়ই বদলায় (বেস রেট + মার্জিন)। আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট বা শাখা থেকে সর্বশেষ হার যাচাই করুন।

ঋণ নেওয়ার নিয়ম (ধাপে ধাপে)

  1. প্রয়োজন নির্ধারণ: কত টাকা ও কত মেয়াদে দরকার তা ঠিক করুন; মাসিক কিস্তি আয়ের ৩০–৪০% এর মধ্যে রাখা নিরাপদ।
  2. ব্যাংক তুলনা: সুদের হার, প্রসেসিং ফি, আগাম পরিশোধের জরিমানা, বীমা ও অন্যান্য চার্জ দেখুন।
  3. যোগ্যতা যাচাই: সাধারণত বয়স ২১–৬০ বছর, নির্দিষ্ট ন্যূনতম মাসিক আয় ও চাকরি/ব্যবসার স্থায়িত্ব লাগে (ব্যাংকভেদে ভিন্ন)।
  4. আবেদন: শাখায় বা অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন।
  5. যাচাই: ব্যাংক সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) রিপোর্ট, আয় ও ঠিকানা যাচাই করে।
  6. অনুমোদন: অনুমোদনের পর সুদের হার, কিস্তি ও শর্ত লেখা অফার লেটার/চুক্তিপত্র পাবেন—মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
  7. চুক্তি ও জামানত: চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর, চেক/অঙ্গীকারনামা ও (প্রযোজ্য হলে) গ্যারান্টর/জামানত জমা।
  8. বিতরণ ও পরিশোধ: ঋণের টাকা অ্যাকাউন্টে জমা হয়; প্রতি মাসে অটো-ডেবিট বা চেকের মাধ্যমে কিস্তি দিন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

চাকরিজীবী

  • পূরণকৃত আবেদনপত্র ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি (আবেদনকারী ও নমিনি)
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)-এর কপি
  • টিআইএন সার্টিফিকেট ও সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন/প্রমাণপত্র
  • চাকরির পরিচয়পত্র ও নিয়োগপত্র/কনফার্মেশন লেটার
  • সর্বশেষ ৬ মাসের স্যালারি সার্টিফিকেট ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • ইউটিলিটি বিল (ঠিকানা প্রমাণ)

ব্যবসায়ী

  • পূরণকৃত আবেদনপত্র ও ছবি
  • এনআইডি কপি, টিআইএন ও আয়কর রিটার্ন
  • হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স
  • ব্যবসার সর্বশেষ ১২ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • ব্যবসার ঠিকানার প্রমাণ (ভাড়ার চুক্তি/মালিকানার দলিল) ও ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন (প্রযোজ্য হলে)
  • অংশীদারি চুক্তি/মেমোরেন্ডাম (প্রযোজ্য হলে)

সাধারণ (সবার জন্য)

  • গ্যারান্টরের এনআইডি, ছবি ও আয়ের প্রমাণ (চাইলে)
  • জামানত থাকলে সংশ্লিষ্ট দলিল (জমির দলিল, এফডিআর ইত্যাদি)
  • অন্য ব্যাংকে চলমান ঋণ থাকলে তার স্টেটমেন্ট
  • ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত নথি (ঋণের ধরন ও পরিমাণভেদে বদলায়)