পড়ার আগে জানুন
কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না কোন শেয়ারের দাম বাড়বে। তাই এখানে "নিশ্চিত লাভের তালিকা" নেই। আছে ছাঁকনি, যা দিয়ে আপনি নিজে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন। বাজার এখন মন্দায় আছে: ২ নভেম্বর ২৪৯টি শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে ৮৬টির।
১. মাস্টার প্ল্যান
নিজের টাকার অঙ্ক দিয়ে নিজের প্ল্যান বানান।
২. কেনার কৌশল
কিস্তিতে কেনা, নগদ রিজার্ভ, কী এড়াবেন।
৩. জনপ্রিয় স্টক
বাজার মূলধনে শীর্ষ ২০ কোম্পানি, সর্বশেষ দর সহ।
৪. ২০ বছরের পতন
২০১০-১১ ধস, ২০১৯, করোনা: কত পড়েছে।
৫. যাচাই-তালিকা
কোনো শেয়ার কেনার আগে ৮টি প্রশ্নের স্কোর।
৬. সেক্টর তালিকা
DSE-র সেক্টর অনুযায়ী পরিচিত কোম্পানি।
আপনার মাস্টার প্ল্যান বানান
এই তথ্য শুধু আপনার ব্রাউজারে দেখানো হয়, কোথাও জমা বা পাঠানো হয় না। প্ল্যানের স্ক্রিনশট অন্যকে দিলে নাম ও BO আইডি ঢেকে নিন।
আপনার টাকার পরিমাণ লিখুন ও কয়টি কোম্পানিতে ভাগ করবেন বেছে নিন। ১৫% নগদ রিজার্ভ রেখে বাকি টাকা নির্বাচিত কোম্পানিগুলোতে সমান ভাগ হবে। এটি বৈচিত্র্যের উদাহরণ, নির্দিষ্ট কোম্পানি কেনার পরামর্শ নয়।
| কোম্পানি | সেক্টর | বরাদ্দ | দর* | শেয়ার | খরচ |
|---|
*দর ৩ নভেম্বর ২০২৬-এর বাজার দর (আপনার স্টেটমেন্ট থেকে)। কেনার দিনে DSE-তে আসল দাম দেখুন। শেয়ার পূর্ণ সংখ্যায় কেনা হয়, তাই কিছু টাকা অব্যবহৃত থাকে। কোনো শেয়ারে "০" দেখালে কোম্পানির সংখ্যা কমান বা টাকা বাড়ান। ব্রোকারেজ কমিশন ও কর আলাদা খরচ।
নগদ রিজার্ভ কেন?
বাজার পড়তে থাকলে ওই নগদ দিয়ে কম দামে কিনতে পারবেন। এতে গড় কেনা দাম কমে।
করুন
১০,০০০ টাকা ৩–৫ মাসে ভাগ করে কিনুন। যে টাকা ৩–৫ বছর না লাগলেও চলবে, শুধু সেটাই লাগান। BSEC-নিবন্ধিত ব্রোকারে BO অ্যাকাউন্ট খুলুন। ত্রৈমাসিক ফলাফল ও লভ্যাংশ ঘোষণা পড়ুন।
করবেন না
ধার করে বা জরুরি তহবিলের টাকায় কিনবেন না। গুজব বা "টিপস" শুনে কিনবেন না। Z ক্যাটাগরির শেয়ার এড়িয়ে চলুন। এক কোম্পানিতে সব টাকা রাখবেন না।
কেনার ধাপ
| ধাপ | কী করবেন |
|---|---|
| ১ | ব্রোকারেজ হাউসে BO অ্যাকাউন্ট খুলুন |
| ২ | ৪–৬টি কোম্পানির ৫ বছরের মুনাফা, লভ্যাংশ ও ঋণ দেখুন |
| ৩ | প্রথম কিস্তিতে মোট টাকার ২৫–৩০% কিনুন |
| ৪ | প্রতি মাসে একই দিনে বাকিটা কিনুন, দাম যা-ই হোক |
| ৫ | বছরে একবার পোর্টফোলিও মিলিয়ে দেখুন, প্রতিদিন নয় |
ফ্লোর প্রাইসের শিক্ষা
ফ্লোর প্রাইস সরে যাওয়ার পর বেক্সিমকোর বাজার মূল্য ১০,৩৮৫ কোটি থেকে ২,৭৬৩ কোটি টাকায় নেমেছে, প্রায় ৭৩% পতন। আটকে থাকা দাম আসল দাম ছিল না।
শীর্ষ ২০ জনপ্রিয় ও বড় কোম্পানি
প্রথম ১০টি কোম্পানি পুরো বাজারের প্রায় ৪০% মূল্য ধারণ করে। তাই এদের ওঠানামায় সূচক নড়ে যায়। ১১–২০ অংশে নামগুলো একাধিক সূত্র থেকে নেওয়া, তাই সেখানে সব ক্রম নির্দিষ্ট করিনি।
| # | কোম্পানি | সেক্টর | বাজার মূলধন | দর (৩ নভে) |
|---|---|---|---|---|
| ১ | গ্রামীণফোন | টেলিকম | ৳৩৫,০৫৩ কোটি | ২২৯.০০ |
| ২ | স্কয়ার ফার্মা | ওষুধ | ৳১৯,৮৫৬ কোটি | ২১৫.৬০ |
| ৩ | রবি আজিয়াটা | টেলিকম | ৳১৭,০৭৫ কোটি | ২৯.০০ |
| ৪ | ব্র্যাক ব্যাংক | ব্যাংক | ~$১.২৩ বিলিয়ন | ৬৪.৭০ |
| ৫ | ওয়ালটন হাই-টেক | ইঞ্জিনিয়ারিং | ~$১.০৮ বিলিয়ন | ৩১৯.৪০ |
| ৬ | বিএটিবিসি | তামাক | — | ১৮৮.৯০ |
| ৭ | ম্যারিকো বাংলাদেশ | ভোগ্যপণ্য | — | — |
| ৮ | ইউনাইটেড পাওয়ার | বিদ্যুৎ | — | ১১০.০০ |
| ৯ | বার্জার পেইন্টস | রাসায়নিক | — | — |
| ১০ | লাফার্জহোলসিম | সিমেন্ট | — | — |
| ১১–২০ | বেক্সিমকো ফার্মা | ওষুধ | — | ১৪১.৪০ |
| ১৪ | রেনাটা | ওষুধ | ৳৫,১৫২ কোটি | ৪১৯.৯০ |
| ১৬ | ইসলামী ব্যাংক | ব্যাংক | ৳৪,০৫৭ কোটি | — |
| ২০ | প্রাইম ব্যাংক | ব্যাংক | ৳৩,৪৩৭ কোটি | — |
| ১১–২০ | পূবালী ব্যাংক | ব্যাংক | — | — |
| ১১–২০ | সিটি ব্যাংক | ব্যাংক | — | ২৮.১০ |
| ১১–২০ | ডাচ-বাংলা ব্যাংক | ব্যাংক | — | ৪৫.৬০ |
| ১১–২০ | ইস্টার্ন ব্যাংক (EBL) | ব্যাংক | — | ২৩.১০ |
| ১১–২০ | ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার | ভোগ্যপণ্য | — | — |
| ১১–২০ | বিএসআরএম লিমিটেড | ইঞ্জিনিয়ারিং | — | ৯২.১০ |
১–১০: দ্য ডেইলি স্টার (অর্থবছর ২০২৫-২৬ শেষের হিসাব)। রেনাটা, ইসলামী ও প্রাইম ব্যাংকের ক্রম ও মূলধন ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর একটি তালিকা থেকে। বাকি নামগুলো পুরোনো বা ভিন্ন তালিকা থেকে নেওয়া, ক্রম নিশ্চিত নয়। দর আপনার স্টেটমেন্টের ৩ নভেম্বরের বাজার দর; যেখানে পাইনি, সেখানে "—"। সূত্রভেদে ১০ম স্থানে লাফার্জহোলসিম বা বেক্সিমকো ফার্মা আসে, তাই ক্রম আলাদা হতে পারে।
সাম্প্রতিক দাম (টাকা)
দাম কম মানে সস্তা নয়। কোম্পানির মুনাফা ও লভ্যাংশ দেখে তুলনা করুন।
২০ বছরে বাজার কত মার খেয়েছে
নিচের হিসাব বাজার সূচকের। প্রতিটি কোম্পানির যাচাইকৃত ২০ বছরের হিসাব আমি পাইনি, তাই সংখ্যা বানাইনি।
| ঘটনা | পতন |
|---|---|
| ২০১০-১১ ধস (৮,৯১৮ → ৩,৬১৬) | প্রায় ৫৯% |
| ২০১৯ সাল (১,৫৩১ পয়েন্ট) | ২৫.৭৩% |
| করোনা (৫,৩৮৪ → ৩,৬০৩) | প্রায় ৩৩% |
| আজ বনাম ২০১০-এর শিখর | প্রায় ৪০% নিচে |
| বেক্সিমকো (ফ্লোর সরার পর বাজার মূল্য) | প্রায় ৭৩% |
শিক্ষা
১৯৯৬-র ধসের পর সূচক আগের উচ্চতায় ফিরতে প্রায় ১২ বছর লেগেছে, আর ২০১০-এর উচ্চতায় ১৫ বছরেও ফেরেনি। তাই বুদবুদের সময় চড়া দামে কেনা সবচেয়ে বড় ভুল। প্রতিটি শেয়ারের ইতিহাস জানতে DSE-র মূল্য-চার্টে বোনাস ও লভ্যাংশ সমন্বয় করে দেখুন।
কেনার আগে ৮ প্রশ্নের যাচাই
কোনো কোম্পানি নিয়ে ভাবলে যতগুলো প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ", টিক দিন।
উচ্চ স্কোর মানে দাম বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই। এটি শুধু ঝুঁকি কমানোর ছাঁকনি।
সেক্টর অনুযায়ী পরিচিত কোম্পানি
DSE-তে ২২টি সেক্টর আছে। সম্পূর্ণ ও হালনাগাদ তালিকা dsebd.org-এর "Company Listing" পাতায় পাবেন। নিচের নামগুলো উদাহরণ, সুপারিশ নয়।
| সেক্টর | পরিচিত নাম |
|---|---|
| ব্যাংক | ব্র্যাক ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, UCB |
| ওষুধ | স্কয়ার, বেক্সিমকো ফার্মা, রেনাটা, ওরিয়ন ফার্মা |
| টেলিকম | গ্রামীণফোন, রবি |
| খাদ্য ও তামাক | বিএটিবিসি, ম্যারিকো বাংলাদেশ |
| ইঞ্জিনিয়ারিং | ওয়ালটন হাই-টেক |
| জ্বালানি ও বিদ্যুৎ | ইউনাইটেড পাওয়ার |
| সিমেন্ট/রাসায়নিক | লাফার্জহোলসিম, বার্জার পেইন্টস |
| অন্যান্য | বস্ত্র, বীমা, মিউচুয়াল ফান্ড, NBFI, কাগজ, সিরামিক ইত্যাদি |
সম্প্রতি ৩৮৫টি শেয়ার ট্রেড হয়েছে। তালিকা বদলায়, তাই অফিসিয়াল সাইট দেখুন।
আপনার পোর্টফোলিওর সারাংশ (৪ নভেম্বর ২০২৬)
নাম, BO আইডি ও ঠিকানা ইচ্ছা করেই এখানে রাখিনি।
৫৫টি শেয়ার। নগদ ব্যালেন্স ৳৫৩৯। এ পর্যন্ত নিট জমা ৳৫৯,৭৭৬, চার্জ ও ফি ৳১,৬৫০।
মার্জিনযোগ্য বনাম নন-মার্জিনযোগ্য শেয়ার
| ভাগ | খরচ | বর্তমান মূল্য | ফলাফল |
|---|---|---|---|
| মার্জিনযোগ্য (১৯টি, সব A) | ৳৪৩,১৭৮ | ৳৪২,৮৫১ | −০.৭৬% |
| নন-মার্জিনযোগ্য (৩৬টি) | ৳১৬,০৫৯ | ৳১৩,৫২৩ | −১৫.৭৯% |
প্রায় সব লোকসান নন-মার্জিনযোগ্য অংশ থেকে এসেছে। এর মধ্যে ২২টি Z ক্যাটাগরির শেয়ার, যার বাজার মূল্য প্রায় ৳৯,৩৯৫ (পোর্টফোলিওর প্রায় ১৭%) এবং লোকসান প্রায় ৳৯৩০।
সেক্টর ভাগ
তিন সেক্টরে (ব্যাংক, ইঞ্জিনিয়ারিং, জ্বালানি) প্রায় ৬২% টাকা আছে।
সবচেয়ে বেশি লাভে (টাকায়)
| BARKAPOWER (Z) | +৪৬৮ (+২৩.২৮%) |
| SPCL | +৩৫৫ (+১৪.০৯%) |
| BXPHARMA | +৩৪২ (+৩১.৮৭%) |
| BSRMLTD | +২১১ (+৫.৭৬%) |
| RENATA | +২০৯ (+৪.৭৪%) |
সবচেয়ে বেশি লোকসানে (টাকায়)
| IFIC1STMF | −৮২২ (−৩১.৫৪%) |
| BEXIMCO (B) | −৪৫৬ (−৮২.৪৫%) |
| GENNEXT (Z) | −৩৭১ (−৪৪.৩৭%) |
| WALTONHIL | −৩৬২ (−৯.৩৪%) |
| GP | −৩২৫ (−১২.৪১%) |
আসন্ন নগদ লভ্যাংশ
| কোম্পানি | শেয়ার | নগদ | কার্যকর তারিখ |
|---|---|---|---|
| WALTONHIL | ১০ | ৳১৮০.০০ | ১২ নভেম্বর ২০২৬ |
| GPHISPAT | ৩৬ | ৳৭.২০ | ২৪ নভেম্বর ২০২৬ |
| AAMRANET | ২১ | ৳০.২১ | ২৯ ডিসেম্বর ২০২৬ |
মোট ৳১৮৭.৪১। রেকর্ড ডেটের পর শেয়ারের দাম সাধারণত লভ্যাংশের সমান কমে, তাই এটি লোকসানের একটি অংশ পুষিয়ে দেয়।
খেয়াল করার বিষয়
ছোট ছোট পজিশন। অনেক শেয়ার ২–১০টি করে আছে (যেমন BATBC ২টি, NPOLYMER ২টি, ORIONPHARM ৩টি, ICBIBANK ১০টি, মূল্য মাত্র ৳২৫)। এগুলোর লাভ-লোকসান এত ছোট যে পোর্টফোলিওতে প্রভাব পড়ে না, অথচ বিক্রি বা কেনায় ব্রোকারেজ খরচ হয়।
Z ক্যাটাগরি। ২২টি Z শেয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধাপ, কারণ এগুলোর লেনদেন ও লভ্যাংশ অনিশ্চিত থাকে।
কেন্দ্রীভূত সেক্টর। ব্যাংক, ইঞ্জিনিয়ারিং ও জ্বালানি একসঙ্গে পড়লে পুরো পোর্টফোলিও ধাক্কা খায়।
মিউচুয়াল ফান্ড। ৭টি ফান্ডের কয়েকটিতে বড় লোকসান (যেমন IFIC1STMF −৩১.৫৪%)। ফান্ডের পোর্টফোলিও ও খরচ আলাদা করে দেখে সিদ্ধান্ত নিন।
স্টেটমেন্টের সতর্কবার্তা। ব্রোকার নমিনি ও E-TIN হালনাগাদ করতে বলেছে। সেটা আগে করে নিন।
এটি আপনার স্টেটমেন্টের তথ্য ও সংখ্যার বিশ্লেষণ, কোনো শেয়ার বিক্রি বা কেনার সুপারিশ নয়। বিক্রি করলে লোকসান বাস্তব হয়, রেখে দিলে ঝুঁকিও থাকে। সিদ্ধান্ত আপনার সময়সীমা ও প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে।
কম ঝুঁকি ও দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ
শেয়ারবাজারে ঝুঁকিহীন কিছু নেই। "অল্প ঝুঁকি" মানে বড়, লাভজনক, নিয়মিত লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানিতে ছড়িয়ে বিনিয়োগ করা। তবু দাম পড়তে পারে। এটি তথ্য, কেনার সুপারিশ নয়। ২ নভেম্বর DSEX ছিল ৫,৩৩৩, যা পাঁচ মাসের সর্বনিম্ন, তাই কিস্তিতে কেনা নিরাপদ।
অল্প ঝুঁকির ছাঁকনি
দেখুন
A ক্যাটাগরি ও শীর্ষ ২০ বাজার মূলধন। ৫ বছর টানা মুনাফা ও নগদ লভ্যাংশ। কম ঋণ, EPS বাড়ছে বা স্থির। বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ।
এড়ান
Z ক্যাটাগরি। ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকা শেয়ার। গুজব বা টিপসে কেনা। এক সেক্টরে সব টাকা।
ছাঁকনিতে মেলে এমন নাম (পর্যবেক্ষণ তালিকা)
| কোম্পানি | কেন নজরে রাখবেন | সতর্কতা |
|---|---|---|
| স্কয়ার ফার্মা | বোর্ড রেকর্ড ১৩০% নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে (আগে ১২০%, ১১০%, ১০৫%)। অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ধরে শেয়ারপ্রতি ১৩ টাকা, ২১৫.৬ টাকার দরে প্রায় ৬% (আমার হিসাব)। | ওষুধ খাতে বেশি ঝুঁকবেন না |
| ব্র্যাক ব্যাংক | বাজার মূলধনে শীর্ষ ৫, ব্যাংকিং খাতের বড় নাম। | সুদহার ও খেলাপি ঋণে সংবেদনশীল |
| গ্রামীণফোন | সবচেয়ে বড় কোম্পানি। তৃতীয় প্রান্তিকে দুই প্রান্তিক পর রাজস্ব আবার বেড়েছে। | ২০২৩-এর ১২৫% লভ্যাংশ ২০১০-এর পর সর্বনিম্ন ছিল, আয় চাপে |
| রেনাটা | নিয়মিত লভ্যাংশের ইতিহাস, ওষুধ খাত। | স্কয়ারের সঙ্গে একই খাত |
| ম্যারিকো / বিএটিবিসি | বহুজাতিক, ভোগ্যপণ্য ও তামাক। | সম্প্রতি দাম পড়েছে, কারণ যাচাই করুন |
লভ্যাংশ ও দর কেনার আগে DSE ও কোম্পানির ঘোষণায় মিলিয়ে নিন। সস্তা শেয়ার মানেই নিরাপদ নয়।
দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি
| ১ | সময়সীমা অন্তত ৫–১০ বছর। যে টাকা এর মধ্যে লাগবে না, শুধু সেটাই। |
| ২ | প্রতি মাসে একই দিনে একই পরিমাণ টাকা, দাম যা-ই হোক। |
| ৩ | ৫–৮টি কোম্পানি: ওষুধ, টেলিকম, ব্যাংক, ভোগ্যপণ্য, বিদ্যুৎ মিলিয়ে। |
| ৪ | লভ্যাংশ পেলে খরচ না করে আবার কিনুন। |
| ৫ | বছরে একবার মুনাফা, লভ্যাংশ ও ঋণ দেখে পর্যালোচনা, প্রতিদিন নয়। |
| ৬ | ১৫–২০% নগদ রিজার্ভ রাখুন, দাম আরও পড়লে কেনার জন্য। |
আরও কম ঝুঁকি চাইলে
শেয়ারের পাশাপাশি সরকারি সঞ্চয়পত্র বা ট্রেজারি বন্ডের মতো স্থির আয়ের বিকল্প ভাবতে পারেন। এর বর্তমান সুদের হার আমি যাচাই করিনি, ব্যাংক বা সঞ্চয়পত্র অফিস থেকে জেনে নিন।
এটি আর্থিক পরামর্শ নয়। পুরোনো প্রতিবেদনে স্কয়ার, গ্রামীণফোন, রেনাটা ও বিএটিবিসিকে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির উদাহরণ বলা হলেও সেটা কয়েক বছর আগের, আজকের অবস্থা আলাদা হতে পারে।