মঙ্গলবার বাজারে আসছে নতুন ১০ টাকার নোট: যুক্ত হলো 'জুলাই গ্রাফিতি' - Technical Alamin
Latest News

মঙ্গলবার বাজারে আসছে নতুন ১০ টাকার নোট: যুক্ত হলো ‘জুলাই গ্রাফিতি’

দেশের মুদ্রা বাজারে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ডিজাইনের ১০ টাকার ব্যাংক নোট। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সই করা এই নোটটি প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে এবং পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য শাখা থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।

নতুন নোটের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

নতুন এই নোটে গতানুগতিক নকশার বাইরে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ও আধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে:

  • রঙ ও আকার: নোটটির প্রধান রং হিসেবে গোলাপি রংকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ১২৩ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৬০ মিলিমিটার।

  • সম্মুখভাগ: নোটের সামনের বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় ফুল শাপলার নকশা রয়েছে।

  • পেছনভাগ: নোটের বিপরীত পাশে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতিবাহী ‘গ্রাফিতি-২০২৪’ বা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দেয়ালচিত্রের প্রতিচ্ছবি স্থান পেয়েছে।

  • নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য:

    • জলছাপ: আলোতে ধরলে ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ’, এর নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে ‘১০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম দেখা যাবে।

    • নিরাপত্তা সুতা: ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে যা নাড়াচাড়া করলে লাল থেকে সবুজ রঙে পরিবর্তিত হয়।

    • সি-থ্রু ইমেজ: গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে একটি বিশেষ প্যাটার্ন আছে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে ইংরেজিতে ’10’ সংখ্যাটি ফুটে ওঠে।

প্রচলিত নোটের ভবিষ্যৎ:

বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, নতুন ডিজাইনের এই নোট বাজারে এলেও বর্তমানে প্রচলিত ১০ টাকার সকল নোট এবং ধাতব মুদ্রা আগের মতোই লেনদেনের জন্য বৈধ থাকবে। অর্থাৎ, নতুন ও পুরাতন উভয় নোটই সমান্তরালভাবে বাজারে চলবে।

সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুযোগ:

স্মারক হিসেবে রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মিরপুরের টাকা মিউজিয়াম থেকে অবিনিময়যোগ্য ‘স্পেসিমেন’ নোট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রেখেছে, যা নির্ধারিত মূল্যে কেনা যাবে।

দেশের মুদ্রা বাজারে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ডিজাইনের ১০ টাকার ব্যাংক নোট। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সই করা এই নোটটি প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে এবং পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য শাখা থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।

নতুন নোটের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
নতুন এই নোটে গতানুগতিক নকশার বাইরে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ও আধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে:

রঙ ও আকার: নোটটির প্রধান রং হিসেবে গোলাপি রংকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ১২৩ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৬০ মিলিমিটার।

সম্মুখভাগ: নোটের সামনের বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় ফুল শাপলার নকশা রয়েছে।

পেছনভাগ: নোটের বিপরীত পাশে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতিবাহী 'গ্রাফিতি-২০২৪' বা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দেয়ালচিত্রের প্রতিচ্ছবি স্থান পেয়েছে।

নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য:

জলছাপ: আলোতে ধরলে 'রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ', এর নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে '১০' এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম দেখা যাবে।

নিরাপত্তা সুতা: ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে যা নাড়াচাড়া করলে লাল থেকে সবুজ রঙে পরিবর্তিত হয়।

সি-থ্রু ইমেজ: গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে একটি বিশেষ প্যাটার্ন আছে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে ইংরেজিতে '10' সংখ্যাটি ফুটে ওঠে।

প্রচলিত নোটের ভবিষ্যৎ:
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, নতুন ডিজাইনের এই নোট বাজারে এলেও বর্তমানে প্রচলিত ১০ টাকার সকল নোট এবং ধাতব মুদ্রা আগের মতোই লেনদেনের জন্য বৈধ থাকবে। অর্থাৎ, নতুন ও পুরাতন উভয় নোটই সমান্তরালভাবে বাজারে চলবে।

সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুযোগ:
স্মারক হিসেবে রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মিরপুরের টাকা মিউজিয়াম থেকে অবিনিময়যোগ্য 'স্পেসিমেন' নোট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রেখেছে, যা নির্ধারিত মূল্যে কেনা যাবে।

দেশের মুদ্রা বাজারে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ডিজাইনের ১০ টাকার ব্যাংক নোট। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সই করা এই নোটটি প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে এবং পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য শাখা থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।

নতুন নোটের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
নতুন এই নোটে গতানুগতিক নকশার বাইরে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ও আধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে:

রঙ ও আকার: নোটটির প্রধান রং হিসেবে গোলাপি রংকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ১২৩ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৬০ মিলিমিটার।

সম্মুখভাগ: নোটের সামনের বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় ফুল শাপলার নকশা রয়েছে।

পেছনভাগ: নোটের বিপরীত পাশে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতিবাহী 'গ্রাফিতি-২০২৪' বা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দেয়ালচিত্রের প্রতিচ্ছবি স্থান পেয়েছে।

নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য:

জলছাপ: আলোতে ধরলে 'রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ', এর নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে '১০' এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম দেখা যাবে।

নিরাপত্তা সুতা: ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে যা নাড়াচাড়া করলে লাল থেকে সবুজ রঙে পরিবর্তিত হয়।

সি-থ্রু ইমেজ: গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে একটি বিশেষ প্যাটার্ন আছে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে ইংরেজিতে '10' সংখ্যাটি ফুটে ওঠে।

প্রচলিত নোটের ভবিষ্যৎ:
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, নতুন ডিজাইনের এই নোট বাজারে এলেও বর্তমানে প্রচলিত ১০ টাকার সকল নোট এবং ধাতব মুদ্রা আগের মতোই লেনদেনের জন্য বৈধ থাকবে। অর্থাৎ, নতুন ও পুরাতন উভয় নোটই সমান্তরালভাবে বাজারে চলবে।

সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুযোগ:
স্মারক হিসেবে রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মিরপুরের টাকা মিউজিয়াম থেকে অবিনিময়যোগ্য 'স্পেসিমেন' নোট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রেখেছে, যা নির্ধারিত মূল্যে কেনা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *