জমির দলিলে ছোট ভুল, ভবিষ্যতে বড় ভোগান্তি: জেনে নিন বাঁচার…
ভূমি বা জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ‘দলিল’ হলো মালিকানার সবচেয়ে বড় এবং অকাট্য প্রমাণ। কিন্তু
ভূমি সংক্রান্ত সেবা এখন অনলাইনেই গ্রহণ করা যায়। অনলাইনে মিউটেশন করা যায়। খতিয়ানের জন্য আবেদন করা যায়। খতিয়ানের আবেদন করলে খতিয়ান বা পর্চা বাড়িতে ডাকযোগে পৌছে যায়।
ভূমি বা জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ‘দলিল’ হলো মালিকানার সবচেয়ে বড় এবং অকাট্য প্রমাণ। কিন্তু
পরিবারের কর্তা মারা যাওয়ার এক বা দুই বছর পর হঠাৎ করেই যদি কোনো চাচা,
জমি কেনা বা বিক্রির সময় ‘শতাংশ’, ‘কাঠা’ ও ‘বিঘা’—এই তিনটি পরিমাপের একক নিয়ে বিভ্রান্তিতে
সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ভূমির সেবা পৌঁছে দিতে এবং নাগরিক ভোগান্তি কমাতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ
দেশে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রতারণা, জটিল মালিকানা এবং আইনি বিরোধের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়।
নাবালক বা ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় সাধারণ জমি হস্তান্তরের মতো
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রগুলোতে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা প্রদান
জমি কেনার সময় কিছু বিষয় আপনাকেই বিবেচনা ও যাচাই করতে হবে অথবা আপনার বিশ্বস্ত
স্থাবর সম্পত্তি বা জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে ‘বায়না দলিল’ একটি প্রাথমিক কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। দলিলে মালিকানা নিশ্চিত করতে সরকারি নিয়ম
মিতক্ষরা পদ্ধতি ও দায়ভাগ পদ্ধতি দুটির মধ্যে বাংলাদেশে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এ