স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে আবার স্মার্ট কার্ড পাওয়া যায় কি? । Getting Lost Smart Card Again

অনলাইনে স্মার্ট কার্ড ফি প্রদান করে আবেদন করলে পুনরায় স্মার্ট কার্ড পাওয়া যাবে কি? – অনলাইনে ডাউনলোড করলে প্রিন্টেড কপি– স্মার্ট কার্ড পাওয়ার আবেদন ২০২২

সাধারণ নয় স্মার্ট কার্ড কিভাবে পাব?– নির্বাচন কমিশন এখন সবাইকে একবারই স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে থাকে। কেউ স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে আপাতত পুনরায় আর স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার সুযোগ এখনো নেই। একইভাবে, কেউ স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার পরে তার তথ্য সংশোধন করলে পুনরায় স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার সুযোগ এখনো নেই।

স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে রিইস্যু আবেদন করে যেকেউ NID কার্ডের কপি অথবা পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে পারে। এমনিভাবে, কেউ জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করলে, সংশোধন আবেদন অনুমোদন হওয়ার পরে তিনি NID কার্ডের কপি অথবা পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়ে থাকেন। অনলাইনে এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদন করুন: services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account

NID Info Correction, Other Info Correction, Both Info Correction মূলত কোন তথ্যটি পরিবর্তন করতে চান তা সিলেক্ট করে বিকাশে আপনি আপনার এনআইডি নম্বরের বিপরীতে অর্থ পে বিল করতে পারেন। এজন্য বিকাশে পে বিল অপশনে গিয়ে NID Service সরকারি ফি সিলেক্ট করে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে NID নম্বর ইনপুট দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফি বিকাশ করুন।

বিকাশে জাতীয় পরিচয়পত্র ফি জমা দিন / অনলাইনের জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য আবেদন করুন।

ঘরে বসে আবেদন করে ১৫-২০ দিনের মধ্যে অনুমোদন পেয়ে অনলাইন হতেই এনআইডি ডাউনলোড করুন।

বিকাশে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফি জমা দিন

Caption: How to pay Fee for NID Correction । বিকাশেই জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধণ ফি পরিশোধ।

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আবেদন পদ্ধতি ২০২২

  1. প্রথমে আপনার এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন। এখানে ক্লিক করে
  2. NID Wallet ওয়ালেট স্মার্ট ফোনে ডাউনলোড করুন। ফেস বা মুখমন্ডল ভেরিফিকেশন শেষ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
  3. ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।
  4. এডিট এ ক্লিক করুন। (হ্যাঁ এডিটে ক্লিক করার পূর্বে আপনি বিকাশ বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে এনআইডি’র বিপরীতে জমা করুন)
  5. আপনার সংশোধিত তথ্য ইনপুট করুন।
  6. সংশোধনের বিপরীতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড করুন।
  7. আবেদন দাখিল করুন।

আবেদন অনুমোদন হয়েছে কিনা কিভাবে বুঝবো?

আপনি সফলভাবে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে আবেদনটি সরাসরি ইসি’র দপ্তরে পৌছাবে। উক্ত আবেদনটি ইসি’র দপ্তর পর্যবেক্ষণ করবেন এবং ডকুমেন্ট ভেরিফাই করে আপনার আবেদনটি অনুমোদন করবেন। অনুমোদন করার সাথে সাথেই আপনার মোবাইলে একটি ম্যাসেজ পাবেন। যদি আবেদন রিজেক্ট হয় তবুও আপনি ম্যাসেজ পাবেন এবং কি ডকুমেন্ট যুক্ত করতে হবে বা ঘাটতি রয়েছে তা ম্যাসেজের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দিবে।

(Visited 1,940 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published.

close