D Nothi Information Form 2026 । ডি নথি খুলতে কি কি তথ্য প্রয়োজন পড়ে?
ডি নথি (D-Nothi) প্রোফাইল খোলার জন্য আপনার যে সকল ব্যক্তিগত ও পেশাগত তথ্যের প্রয়োজন হয়, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো। আপনার আপলোড করা ফরম এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে এই তথ্যগুলো সংগ্রহে রাখা জরুরি।
ডি নথি খুলতে প্রয়োজনীয় তথ্যের তালিকা
ডি নথি সিস্টেমের জন্য মূলত নিম্নলিখিত তথ্যগুলো নির্ভুলভাবে প্রদান করতে হয়:
-
অফিসের নাম: বর্তমানে আপনি যে দপ্তরে কর্মরত আছেন।
-
কর্মকর্তার নাম: বাংলা ও ইংরেজিতে স্পষ্ট করে লিখতে হবে।
-
পদবি: আপনার বর্তমান পদের নাম।
-
মোবাইল নম্বর: ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়, বিশেষ করে বদলিজনিত কারণে এটি সুবিধাজনক।
-
ইমেইল ঠিকানা: সচল ব্যক্তিগত ইমেইল আইডি।
-
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর: এটি ১০ অথবা ১৭ ডিজিটের হতে হবে। মনে রাখবেন, একটি এনআইডি দিয়ে কেবল একটি নথি আইডি তৈরি হয়।
-
জন্ম তারিখ: দিন/মাস/বছর ফরম্যাটে।
-
সার্ভিস আইডি: বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এটি অবশ্যই প্রদান করতে হবে।
-
যোগদানের তারিখ: বর্তমান পদে বা বর্তমানে যে বিভাগ/জেলা/উপজেলায় কর্মরত আছেন, সেখানে যোগদানের তারিখ।
-
ইউজার আইডি (যদি থাকে): ট্রেনিং সার্ভার বা লাইভ সার্ভারের পূর্ববর্তী কোনো আইডি থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা
আপনার আপলোড করা ফরম অনুযায়ী প্রোফাইল সেটআপের সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি:
-
সংযুক্ত নথি: মেইলের মাধ্যমে তথ্য পাঠানোর সময় অবশ্যই আপনার বদলি আদেশ অথবা দায়িত্ব হস্তান্তর পত্রের স্ক্যান কপি যুক্ত করতে হবে।
-
আইডি অ্যাসাইন: যেহেতু একটি এনআইডি দিয়ে একটিই আইডি হয়, তাই আপনি বদলি হয়ে যেখানেই যান না কেন, আপনার বিদ্যমান আইডিটিই নতুন কর্মস্থলে অ্যাসাইন করা হবে।
-
সঠিকতা: ফরমের প্রতিটি তথ্য অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

Blank_form for dnothi Word File
ডি নথি কি কাজে ব্যবহার হয়?
ডি-নথি (ডিজিটাল নথি) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি অনলাইন ভিত্তিক সিস্টেম, যা সরকারি দপ্তরের দাপ্তরিক কাজগুলোকে কাগজের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয় । এর প্রধান কাজগুলো নিচে দেওয়া হলো:
-
দাপ্তরিক ডাক ব্যবস্থাপনা: হার্ডকপি বা ই-মেইলে প্রাপ্ত যেকোনো সরকারি চিঠি বা আবেদন স্ক্যান করে সিস্টেমে আপলোড করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে ডিজিটালভাবে প্রেরণ করা যায় ।
-
নথি উপস্থাপন ও নোট প্রদান: কোনো বিষয়ের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ডিজিটাল নথিতে অনুচ্ছেদ লিখে বা নোট লিখে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো যায় ।
-
পত্রের খসড়া ও অনুমোদন: প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র বা অফিস আদেশের খসড়া তৈরি করা এবং অনলাইনেই তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে অনুমোদন করিয়ে নেওয়া সম্ভব ।
-
পত্রজারি: অনুমোদিত পত্রগুলো ডিজিটাল স্বাক্ষর ও স্মারক নম্বরসহ সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা দপ্তরে জারি করা যায় ।
-
গার্ড ফাইল ও আর্কাইভ: বিভিন্ন আইন-কানুন, প্রজ্ঞাপন বা গুরুত্বপূর্ণ নথি ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য ডিজিটাল গার্ড ফাইলে সংরক্ষণ করা যায় ।
-
যেকোনো স্থান থেকে কাজ: সিস্টেমটি অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় একজন ব্যবহারকারী যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে বসেই দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে পারেন ।
সংক্ষেপে, সরকারি অফিসের ফাইলের কাজ দ্রুত, স্বচ্ছ ও আধুনিক করার জন্য ডি-নথি ব্যবহার করা হয়।

