কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদানের আবেদন চলছে: শেষ সময় ২০ এপ্রিল - Technical Alamin
Latest News

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদানের আবেদন চলছে: শেষ সময় ২০ এপ্রিল

দেশের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশেষ আর্থিক অনুদানের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ (TMED) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেট থেকে এই অনুদান প্রদান করবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের সময়সীমা ও মাধ্যম

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন প্রক্রিয়া গত ১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে। আবেদন করার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ এপ্রিল ২০২৬। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনকারীকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.tmed.gov.bd) অথবা সরাসরি ‘মাইগভ’ (mygov.bd) পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন?

এই অনুদানের আওতায় তিন ধরনের ক্যাটাগরিতে সহায়তা প্রদান করা হবে: ১. শিক্ষার্থী: কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত দরিদ্র, মেধাবী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা। ২. শিক্ষক-কর্মচারী: বিশেষ চিকিৎসা বা দৈব দুর্ঘটনার সহায়তার জন্য শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ। ৩. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: প্রতিষ্ঠানের মেরামত, সংস্কার, আসবাবপত্র ক্রয় বা পাঠাগারের উন্নয়নের জন্য।

গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলি

  • অনলাইন আবেদন: কোনো হার্ডকপি বা সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

  • মোবাইল ব্যাংকিং: অনুদানের অর্থ সরাসরি নির্বাচিত আবেদনকারীর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে (নগদ/বিকাশ) পাঠানো হবে।

  • একবার সুযোগ: গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) যারা অনুদান পেয়েছেন, তারা চলতি অর্থবছরে আবেদনের সুযোগ পাবেন না।

  • যাচাইকরণ: শিক্ষার্থীদের আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে তথ্য ভেরিফাই বা যাচাই করা বাধ্যতামূলক।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র এবং চিকিৎসা সহায়তার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি প্রেসক্রিপশন বা সার্টিফিকেট আপলোড করতে হবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি ট্র্যাকিং নম্বর প্রদান করা হবে, যা দিয়ে পরবর্তীতে আবেদনের অবস্থা যাচাই করা যাবে।

সরকারের এই উদ্যোগের ফলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখবে এবং অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন চলমান রাখতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সোর্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *