ভরিতে কমলো ১৯২৫ টাকা: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে সোমবার থেকে - Technical Alamin
স্বর্ণের দাম ২০২৬

ভরিতে কমলো ১৯২৫ টাকা: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে সোমবার থেকে

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১,৯২৫ টাকা কমানো হয়েছে।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন এই দাম সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী স্বর্ণের নতুন মূল্য তালিকা

সবশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি গ্রাম ও প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নিচে তুলে ধরা হলো:

স্বর্ণের মান (ক্যারট) বর্তমান মূল্য (প্রতি গ্রাম) বর্তমান মূল্য (প্রতি ভরি)
২২ ক্যারেট ২২,১০০/- টাকা ২,৫৭,৭৭৪/- টাকা
২১ ক্যারেট ২১,০৯৫/- টাকা ২,৪৬,০৫২/- টাকা
১৮ ক্যারেট ১৮,০৮০/- টাকা ২,১০,৮৮৫/- টাকা
সনাতন পদ্ধতি ১৪,৭৯৫/- টাকা ১,৭২,৫৬৯/- টাকা

(উল্লেখ্য: ১ ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম)

বাজার পরিস্থিতি ও ভ্যাট-মজুরি

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে, উপরে উল্লেখিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬% মজুরি যুক্ত হবে। গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির হারে পরিবর্তন হতে পারে।

ওঠানামার প্রেক্ষাপট

গত কয়েক দিন ধরেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত শনিবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমানো এবং বাড়ানো হয়েছিল। সবশেষ গত রবিবারও দাম কিছুটা বেশি ছিল, যা থেকে আজ (সোমবার) ১৯২৫ টাকা হ্রাস পেল। চলতি বছর এ নিয়ে একাধিকবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১,৯২৫ টাকা কমানো হয়েছে।বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন এই দাম সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।ক্যাটাগরি অনুযায়ী স্বর্ণের নতুন মূল্য তালিকাসবশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি গ্রাম ও প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নিচে তুলে ধরা হলো:স্বর্ণের মান (ক্যারট)বর্তমান মূল্য (প্রতি গ্রাম)বর্তমান মূল্য (প্রতি ভরি)২২ ক্যারেট২২,১০০/- টাকা২,৫৭,৭৭৪/- টাকা২১ ক্যারেট২১,০৯৫/- টাকা২,৪৬,০৫২/- টাকা১৮ ক্যারেট১৮,০৮০/- টাকা২,১০,৮৮৫/- টাকাসনাতন পদ্ধতি১৪,৭৯৫/- টাকা১,৭২,৫৬৯/- টাকা(উল্লেখ্য: ১ ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম)বাজার পরিস্থিতি ও ভ্যাট-মজুরিবাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে, উপরে উল্লেখিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬% মজুরি যুক্ত হবে। গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির হারে পরিবর্তন হতে পারে।ওঠানামার প্রেক্ষাপটগত কয়েক দিন ধরেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত শনিবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমানো এবং বাড়ানো হয়েছিল। সবশেষ গত রবিবারও দাম কিছুটা বেশি ছিল, যা থেকে আজ (সোমবার) ১৯২৫ টাকা হ্রাস পেল। চলতি বছর এ নিয়ে একাধিকবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমায় দেশে কি স্বর্ণের দাম আরও কমবে?

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমলে সাধারণত দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে। তবে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম শুধু আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করে না, বরং বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

স্বর্ণের দাম সামনে আরও কমবে কি না, তা বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করা জরুরি:


১. আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করে। আন্তর্জাতিক বাজারে যদি দাম কমার এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে বাংলাদেশেও সামনে কয়েক দফায় দাম আরও কমতে পারে।

২. ডলারের বিনিময় হার

এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমলেও যদি দেশে ডলারের দাম বেড়ে যায়, তবে স্বর্ণের দাম খুব একটা কমে না। কারণ, স্বর্ণ আমদানিতে ডলার ব্যবহার করতে হয়। ডলারের মান স্থিতিশীল থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারের সুফল সাধারণ ক্রেতারা পান।

৩. স্থানীয় চাহিদা ও সরবরাহ

বিয়ের মৌসুম বা উৎসবের সময় (যেমন: ঈদ বা পূজা) দেশে স্বর্ণের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। চাহিদা যদি জোগানের তুলনায় বেশি থাকে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও স্থানীয় বাজারে দাম কমার গতি ধীর হতে পারে।

৪. তেজাবী স্বর্ণের (Pure Gold) দাম

বাজুস মূলত স্থানীয় বাজারে ‘তেজাবী স্বর্ণের’ দাম বিশ্লেষণ করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে। ঢাকার পাইকারি বাজারে পাকা স্বর্ণের সরবরাহ বাড়লে এবং দাম কমলে খুচরা পর্যায়ে দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়।


আপনার জন্য পরামর্শ:

আপনি যদি বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বা গয়না কেনার জন্য অপেক্ষা করেন, তবে বাজারের ট্রেন্ডের দিকে খেয়াল রাখুন। বর্তমানে যেহেতু দাম কমার দিকে, তাই একবারে সব না কিনে ধাপে ধাপে কিনতে পারেন। কারণ স্বর্ণের বাজার বেশ অস্থিতিশীল এবং যেকোনো বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এটি দ্রুত বদলে যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *