সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: ৪র্থ কিস্তির ভাতা বিতরণে নির্ভুল পে-রোল প্রেরণের নির্দেশ
দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৪র্থ কিস্তির (এপ্রিল-জুন ২০২৬) ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যথাযথ নিয়ম মেনে এবং নির্ভুলভাবে এই অর্থ বিতরণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পে-রোল প্রেরণের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
সম্প্রতি অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (সামাজিক নিরাপত্তা) মো: মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি তদারকি করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে:
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জিটুপি (G2P) পদ্ধতিতে সরাসরি উপকারভোগীদের এমএফএস (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি), এজেন্ট ব্যাংক বা ব্যাংক হিসাবে ভাতার অর্থ পাঠানো হবে। এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে উপজেলা ও শহর সমাজসেবা অফিসারদের আগামী ২৬ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ০৭ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ভুল পে-রোল প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ করণীয়সমূহ:
মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়গুলোকে পে-রোল প্রেরণের পূর্বে বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:
-
তথ্য হালনাগাদ: নতুন উপকারভোগী নির্বাচন এবং নীতিমালা অনুযায়ী তথ্য যাচাই।
-
প্রতিস্থাপন: কোনো উপকারভোগীর মৃত্যু হলে তার পরিবর্তে বিধি মোতাবেক নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা।
-
হিসাব সংশোধন: উপকারভোগীদের ব্যাংক বা এমএফএস হিসাব নম্বর পরিবর্তন হয়ে থাকলে তা সঠিকভাবে হালনাগাদ করা।
বকেয়া কিস্তির সুবিধা:
উল্লেখ্য যে, যারা কারিগরি বা তথ্যগত ভুলের কারণে ১ম, ২য় বা ৩য় কিস্তির টাকা পাননি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ৪র্থ কিস্তির সাথে সেই বকেয়া অর্থও পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ভুল ডাটাবেজ বা পে-রোল নিশ্চিত করা গেলে উপকারভোগীরা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই ঈদ পরবর্তী সময়ে বা নির্দিষ্ট সময়ে তাদের প্রাপ্য অর্থ হাতে পাবেন। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না বলেও চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে।

