বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫: প্রতিবেদন পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন
‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি করা হয়।
কমিটির গঠন ও নেতৃত্ব
উচ্চপর্যায়ের এই কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটির রূপরেখা নিচে তুলে ধরা হলো:
-
প্রধান: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।
-
সদস্যবৃন্দ:
-
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
-
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী
-
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
-
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
-
-
অন্যান্য সদস্য:
-
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
-
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
-
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
-
কমিটির মূল লক্ষ্য ও কার্যাবলি
এই কমিটির মূল দায়িত্ব হলো জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের দেওয়া সুপারিশগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা। এর প্রধান কার্যাবলিগুলো হলো:
-
প্রতিবেদন পর্যালোচনা: কমিটি ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫’-এর সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করবে।
-
সুপারিশ প্রণয়ন: বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত কমিশনের প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করবে।
-
সচিবালয় ও অন্যান্য: কার্যপরিধি অনুযায়ী কমিটি প্রয়োজনবোধে নতুন কোনো সদস্যকে কো-অপ্ট (Co-opt) করতে পারবে। এছাড়া অর্থ বিভাগ এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
বাস্তবায়ন ও প্রত্যাশা
গেজেটে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিটি গঠনের এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের মাধ্যমে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত ও সুগম হবে।

