ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন ২০২৬ । ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা?
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে ০১ (এক) দিনের বিশেষ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে এবারের ঈদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।
ছুটির পঞ্জিকা যেভাবে সাজানো
পূর্বনির্ধারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটি ছিল। এরপর ১৮ মার্চ অফিস খোলা থাকলেও ১৯ মার্চ থেকে ঈদের মূল ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। মাঝখানের এই একদিন (১৮ মার্চ) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করায় ছুটিগুলো এখন একসুত্রে গাঁথা হলো:
-
১৭ মার্চ (মঙ্গলবার): শবে কদরের ছুটি।
-
১৮ মার্চ (সকাল): নির্বাহী আদেশে বিশেষ ছুটি (নতুন ঘোষিত)।
-
১৯ – ২৩ মার্চ: ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৫ দিনের ছুটি।
-
২৪ মার্চ (মঙ্গলবার): অফিস পুনরায় শুরু।
কেন এই অতিরিক্ত ছুটি?
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর ঈদের আগে রাজধানী ছাড়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষ। ছুটির মাঝে একদিন অফিস খোলা থাকলে যাতায়াতের চাপ বেড়ে গিয়ে জানজট ও জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়। ১৮ মার্চ ছুটি হওয়ায় যাত্রীরা ধাপে ধাপে বাড়ি ফেরার সুযোগ পাবেন, যা সড়ক ও রেলপথে চাপ কমাতে সাহায্য করবে।
জরুরি সেবা চালু থাকবে
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও জরুরি পরিষেবাগুলো এর আওতামুক্ত থাকবে। ১. বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। ২. হাসপাতাল ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং ঔষধ পরিবহনকারী যানবাহন চলাচল করবে। ৩. টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা চালু থাকবে। ৪. বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত কর্মীরা এই ছুটির বাইরে থাকবেন।
ব্যাংক ও আদালতের নির্দেশনা
ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং আদালতের সময়সূচির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সুপ্রিম কোর্ট আলাদাভাবে নির্দেশনা জারি করবে। তবে সাধারণ ছুটির দিনে সাধারণত লেনদেন বন্ধ থাকে, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় (যেমন শিল্পাঞ্চল বা বন্দর এলাকা) সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা হতে পারে।


