নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং । যে কারণে নারীদের ফ্রিল্যান্সিং করা উচিৎ ফ্রিল্যান্সিং কেন করা উচিত, ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে উক্তি, ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো, ফ্রিল্যান্সিং কি হালাল, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কি, আমি কি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবো, ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং । যে কারণে নারীদের ফ্রিল্যান্সিং করা উচিৎ

ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করুন – বাংলাদেশে নারীদের ফ্রিল্যান্সিং কতটা সহজ বা কঠিন বিষয় হিসেবে ধরা হয়– ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি

Freelancing females blog– Onec upon a time freelancing was so tough but freelancing now easy for Internet availablity and Content is available to know about freelancing. Anyone can search “how to Freelance and how to stand up in freelancing market place. Blogging or YouTube Income । ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনলাইনে আয় করার উপায় ২০২২

আমাদের মত দেশে নারীদের ফুল টাইম চাকরি করা খুব কঠিন বিষয়। কেননা এ দেশের বেশীরভাগ স্বামীরা সংসারের কাজ করতে অভ্যস্ত নয়। যার ফলে কোন নারী চাকরি করলেও সংসারের কাজ করতে হয়। আর এজন্য বাংলাদেশের নারীরা চাকরি করে না। কিন্তু তারা ইচ্ছে করলেই অনায়াসেই কিছু সময় ফ্রিল্যান্সিং করে ভালো আয় করতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং নারীদের জন্য পারফেক্ট একটি পেশা। 100% original Freelancing market Place 2022 | যে সাইটগুলো থেকে দেশী ভাইয়েরা আয় করছে

বৈশ্বিক ডিজিটাইজেশন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সুবাদে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ডিজিটাল আউটসোর্সিংয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হয়ে উঠছে এখন বাংলাদেশ। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের ‘ডিজিটাল ইকোনমাই রিপোর্ট-২০১৯ অনুযায়ী, বৈশ্বিক এ খাতে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন, যাদের মাধ্যমে প্রতিবছর দেশে ১০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আসছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের আইটি খাতে ৩ লাখের বেশি পেশাজীবী কাজ করছে। ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি এগিয়ে যাচ্ছেন দেশের নারীরা।

ফ্রিল্যান্সিং পেশ কেন নারীদের জন্য সুবিধাজনক?

নির্দিষ্ট কোন অফিস টাইম মেইনটেন করতে হয় না। ফলে ইচ্ছামতো সময় বের করে কাজ শেষ করতে পারে, এবং কাজের মাধ্যমে নিজের ফ্যামিলিকেও সময় দিতে পারে। মার্কেটপ্লেসে প্রচুর কাজ রয়েছে যেখান থেকে ফ্রিলান্সাররা বাছাই করে কাজ নিতে পারে। শখ কে পেশা হিসেবে নিতে পারে। কারো কারো অনেক শখ থাকে যেমন আর আর্ট করা, রাইটিং করা ইত্যাদি। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নারীরা এই কাজগুলো করেও স্মার্ট আর্নিং করতে পারে। কাজ করার স্বাধীনতা রয়েছে এতে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে নিজের ইচ্ছা মত সময় এবং কাজের ধরন পছন্দ করে নেয়া যায় ফলে নারীরা তাদের সুবিধামতো সময় ও অন্যান্য বিষয়গুলি নির্ধারণ করে নিতে পারে।নারীদের ফ্রিল্যান্সিং এ সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, আপনি বাড়িতে বসেই কাজ করবেন ফলে সন্তানসহ পরিবারের সকলের সাথে অনেক সময় ব্যয় করতে পারবেন। আর নারীরা সেটাই সব সময় করে থাকে। তাই নারীরা ফ্রিল্যান্সিং করে সংসার এবং পেশা দুটিই সমান তালে চালিয়ে যেতে পারে।

সংসার শেষে অবসর সময় ব্যয় করে অনলাইনে আয় করা যায় / স্বামী স্ত্রী দুজনেই চাকরিজীবী হলে সংসার জীবন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া খুব একটা সহজ নয়।

একজন নারী চাইলেই স্বামী, সংসার, পরিবার সামলিয়ে অবসর সময় অনলাইনে ব্যয় করে একটি স্মার্ট এমাউন্ট আয় করতে পারেন। আপনি যদি একজন নারী হউন তবে আমি আপনাকে পরামর্শ দেব আপনি জয়িতা ব্যানার্জির ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সটি করুন। কারণ খুব স্বল্প খরচে সাধ্যের মধ্যেই গুছানো কন্টেন্ট পেয়ে যাবেন। আপনাকে আর সার্চ করে বের করতে হবে না কোনটা এবং কি শিখবো। তাছাড়া এই কোর্সটি আপনাকে ফ্রিল্যাসিং সম্পর্কে একটা ধারণা দিবে এবং আপনি কোর্স শেষ উপলব্ধি করতে পারবেন যে, আপনার দ্বারা ফ্রিল্যান্সিং হবে কিনা। টেন মিনিটস স্কুল থেকে ঘরে বসে Freelancing কোর্সটি এখনই কিনুন: https://10ms.io/qeLtV6

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্স এবং নারী অবস্থান 2022

Caption: Woman Freelancing is on the top to earn huge money from Online Markets.

নারীদের ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি লাগবে?

  1. প্রথমত, আগ্রাহ ও জ্ঞান। যে বিষয়েই জ্ঞান হোক না কেন আপনাকে জানতে হবে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু শিখতে হবে। ইউটিউব ও সোস্যাল মিডিয়াতে তাকে প্রচুর ভিডিও দেখতে হবে। ফ্রি কোর্স এবং অনলাইন কোর্সগুলো করতে হবে। ৫০০০-১০০০০ টাকায় কোন কোর্স করতে যাবেন না। ১০০০-১৫০০ টাকা মূল্যের বিশ্বস্ত কোর্সগুলো করুন। স্বশরীরে কোন ট্রেনিং সেন্টারে যাবেন না।
  2. দ্বিতীয়ত, একটি স্মার্টফোন বা নূন্যতম কনফিগারেশনের ল্যাপটপ বা কম্পিউটার লাগবে। যা আপনি 2nd hand মার্কেট থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। Bikroy.com অথবা Computerzone.com.bd থেকে দেখে শুনে কিনতে পারেন। কোন স্পর্ন্সর নয়, তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আপনি মাত্র ১৫-৩০ হাজার টাকা বাজেটে একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ক্রয় করতে পারেন।
  3. তৃতীয়ত, আপনার বাসা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট (5MBPS) ন্যূনতম থাকতে হবে। যদি মোবাইল হটস্পট বা মডেল দিয়েই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। যদি স্মার্টফোনে কাজ করেন তবে তো মোবাইল ইন্টনেটেই চলবে।

ফ্রিল্যান্সিং শুরুটা করবো কিভাবে?

নতুনদের জন্য শুরুটা – ইন্টারনেট বা সোস্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে যেখানে ফ্রিল্যান্সারা নতুনদের সহযোগিতা করেন। আপনি চাইলে কোন দক্ষ ফ্রিল্যান্সারের হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে কাজ করতে করতে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। মনে রাখবেন ইন্টারনেটে সব ধরণের তথ্য সার্চ করলেই পাবেন, ইংরেজী বা বাংলায় সার্চ করুন। অন্যদিকে আপনি ইউটিউব ভ্লগিং বা ব্লগিং করে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারেন। আর্টিকেল রাইটিং ও ভিডিও মেকিং সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং জগতে। তাই এটি দিয়ে শুরু করুন এবং আয়কৃত অর্থ ইনভেস্ট করে নিজেকে ডেভেলপ করুন বিভিন্ন কোর্স আয়ত্ত করার মাধ্যমে। তো দেরি না করে আজই শুরু করে দিন। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ২০২২ । How to develop Freelancing Skill alone

Freelancing । ফ্রিল্যান্সিং করতে কি প্রয়োজন

(Visited 770 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *