রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রযুক্তি, জাতীয় সেবা, ভাতা ও চাকরি তথ্যের নির্ভরযোগ্য সাইট

সর্বশেষ
জিপিএফ বিল তৈরি হবে সহজে, একবার তথ্য দিলেই মিলবে নির্ধারিত ফরমে প্রিন্টের সুবিধা আয়কর রিটার্ন ২০২৬-২৭: করমুক্ত আয়ের সীমা থেকে ই-রিটার্ন, যেসব নিয়ম জানা জরুরি পেনশনের অনলাইন স্ট্যাটাসে নতুন তথ্য, অক্টোবরের বিল এন্ট্রি থেকে কী জানা যাচ্ছে? এইচএসসি ও এসএসসি রেজাল্ট দেখার সহজ নিয়ম, রোল-রেজিস্ট্রেশন ও এসএমএস পদ্ধতি স্বর্ণের দামে বড় পতন, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা Pay Scale 2026 InShort: ৯ম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ এক নজরে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ থেকে প্রিপেইড মিটার: গ্রাহকদের যেসব নিয়ম ও নম্বর জানা জরুরি সরকারি ব্যয়ের বিল তৈরিতে ডিজিটাল ব্যবস্থা, এক ফর্মেই আয়কর-ভ্যাট ও বরাদ্দের হিসাব পে-ফিকেশনে ঘুষের অভিযোগ: টাকা দাবি করলে প্রতিবাদের আহ্বান, দুর্নীতি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সরকারি বিলের ভ্যাট-আয়কর হিসাব এক ক্লিকেই, অর্থনৈতিক কোডভিত্তিক ক্যালকুলেটরে মিলবে কর্তনের বিবরণ

ক্যাশলেস লেনদেনে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, মুদি দোকানেও জনপ্রিয় হচ্ছে বাংলা কিউআর

ক্যাশলেস লেনদেনে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
ক্যাশলেস লেনদেনে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, মুদি দোকানেও জনপ্রিয় হচ্ছে বাংলা কিউআর ছবি: টেকনিক্যাল আলামিন

ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থা। এখন শুধু বড় শপিংমল বা অভিজাত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, পাড়ার ছোট মুদি দোকানেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা। বিশেষ করে ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) চালুর ফলে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের জন্য লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি কমানো এবং ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে খুচরা টাকা নিয়ে বিড়ম্বনা, ছেঁড়া নোট গ্রহণের সমস্যা কিংবা নগদ অর্থের হিসাব-নিকাশের জটিলতা অনেকটাই কমে এসেছে।

বর্তমানে মুদি দোকান, ফার্মেসি, রেস্টুরেন্ট, ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহৃত হচ্ছে। গ্রাহকরা তাদের স্মার্টফোনে থাকা যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাপ ব্যবহার করে দোকানে প্রদর্শিত বাংলা কিউআর স্ক্যান করে মুহূর্তের মধ্যেই বিল পরিশোধ করতে পারছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলা কিউআরের অন্যতম বড় সুবিধা হলো এটি একটি আন্তঃসংযুক্ত (Interoperable) ব্যবস্থা। অর্থাৎ একটি মাত্র কিউআর কোড ব্যবহার করেই বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা যায়। ফলে ব্যবসায়ীদের একাধিক পেমেন্ট সিস্টেম পরিচালনার প্রয়োজন হয় না।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডিজিটাল লেনদেনের ফলে বিক্রির হিসাব সংরক্ষণ সহজ হচ্ছে এবং নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকিও কমছে। অন্যদিকে গ্রাহকরাও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক খাতের উদ্যোগে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সম্প্রসারণ দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে বাংলা কিউআরের ব্যবহার আরও সম্প্রসারণ প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হবে, অন্যদিকে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী ভিত্তি পাবে।

ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার এই প্রসার প্রমাণ করছে—বাংলাদেশ ধীরে ধীরে নগদনির্ভর অর্থনীতি থেকে ক্যাশলেস সমাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে একটি স্মার্টফোনই হয়ে উঠছে দৈনন্দিন লেনদেনের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য প্রকাশের আগে মন্তব্য নীতিমালা পড়ুন।