সরকারি বিলের ভ্যাট-আয়কর হিসাব এক ক্লিকেই, অর্থনৈতিক কোডভিত্তিক ক্যালকুলেটরে মিলবে কর্তনের বিবরণ
সরকারি দপ্তরের পণ্য ও সেবা ক্রয়ের বিল প্রস্তুতের সময় ভ্যাট, উৎসে আয়কর এবং অন্যান্য প্রযোজ্য কর্তনের হিসাব করা গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। অর্থনৈতিক কোড অনুযায়ী সঠিক হার নির্বাচন, ভ্যাটের পরিমাণ নির্ধারণ এবং সরবরাহকারীকে নিট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে, তা হিসাব করতে গিয়ে অনেক সময় বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাড়তি সময় ব্যয় করতে হয়। এ কাজ সহজ করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে ‘ভ্যাট ও আয়কর কর্তন ক্যালকুলেটর—২০২৬-২৭’।
ক্যালকুলেটরটিতে বিভিন্ন ব্যয় খাতের অর্থনৈতিক কোড, ভ্যাট ও আয়কর কর্তনের হার, বিলের পরিমাণ অনুযায়ী হিসাব, একাধিক বিলের প্রতিবেদন তৈরি এবং প্রিন্ট বা পিডিএফ আকারে সংরক্ষণের সুবিধা রাখা হয়েছে। ফলে সরকারি অফিসের বিল প্রস্তুত ও প্রাথমিক হিসাব যাচাইয়ের কাজে এটি সহায়ক হতে পারে।
ভ্যাট ও আয়কর কর্তন ক্যালকুলেটর ২০২৬-২৭
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ক্যালকুলেটরে প্রদর্শিত হারগুলোকে যাচাই ছাড়াই চূড়ান্ত সরকারি হার হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট আইন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এসআরও, পরিপত্র এবং হিসাবরক্ষণ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত কর্তন নির্ধারণ করতে হবে।
অর্থনৈতিক কোড নির্বাচন করলেই দেখা যাবে কর্তনের হিসাব
সরকারি দপ্তরে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনা ও সেবা গ্রহণের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক কোড ব্যবহার করা হয়। এসব খাতে ভ্যাট ও উৎসে আয়কর কর্তনের হারও এক রকম নয়। তাই বিল প্রস্তুতের সময় সঠিক কোড নির্বাচন করা এবং প্রযোজ্য হার অনুসরণ করা জরুরি।
ক্যালকুলেটরটিতে অর্থনৈতিক কোড অথবা ব্যয়ের খাতের নাম লিখে অনুসন্ধান করার ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যবহারকারী সংশ্লিষ্ট খাত নির্বাচন করে বিলের পরিমাণ লিখলে হিসাব করার মাধ্যমে ভ্যাট, আয়কর, প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ, মোট কর্তন এবং সরবরাহকারীকে প্রদেয় নিট অর্থ দেখতে পারবেন।
এতে প্রতিটি হিসাবের জন্য আলাদাভাবে কাগজে গণনা করার প্রয়োজন কমতে পারে। একই সঙ্গে কোন খাতে কত টাকা কর্তন হচ্ছে, তা সহজে পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে।
ক্যালকুলেটরের হিসাবের ফলাফলে মোট বিল, ভ্যাটের পরিমাণ, আয়কর কর্তন, সার্ভিস চার্জ, মোট কর্তন এবং নিট প্রদেয় অর্থ আলাদা করে দেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
ভ্যাটসহ ও ভ্যাট ছাড়া বিলের হিসাব করা যাবে
বিলের টাকার মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত আছে কি না, তার ওপর ভ্যাটের হিসাব নির্ভর করে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ক্যালকুলেটরে দুটি বিকল্প রাখা হয়েছে।
প্রথম বিকল্পে বিলের পরিমাণ ভ্যাট ছাড়া নির্ধারণ করা যায়। এ ক্ষেত্রে নির্বাচিত হারের ভিত্তিতে ভ্যাটের পরিমাণ হিসাব করা হয়। দ্বিতীয় বিকল্পে বিলের মোট টাকার মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকার বিষয়টি নির্বাচন করা যায়। তখন মোট বিল থেকে ভ্যাটের অংশ আলাদা করে দেখানো হয়।
উদাহরণ হিসেবে, ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ ১১ হাজার ৫০০ টাকার একটি বিলের ক্ষেত্রে ক্যালকুলেটরের প্রশ্নোত্তর অংশে মূল মূল্য ১০ হাজার টাকা এবং ভ্যাট ১ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এ সুবিধা বিলের মোট অঙ্কের মধ্যে ভ্যাটের অংশ এবং ভ্যাটবহির্ভূত মূল মূল্য বুঝতে সহায়তা করতে পারে। তবে প্রকৃত লেনদেনে ভ্যাটের ভিত্তি ও হিসাবের পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী নিশ্চিত করতে হবে।
যেসব খাতের জন্য রয়েছে আলাদা হিসাব
ক্যালকুলেটরের প্রাথমিক তালিকায় সরকারি অফিসের নিয়মিত ব্যয়ের বিভিন্ন খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
- পরিচ্ছন্নতার সামগ্রী ও আনুষঙ্গিক কর্মচারীসংক্রান্ত ব্যয়;
- আপ্যায়ন ব্যয়;
- আইনসংক্রান্ত ব্যয়;
- প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কনফারেন্স;
- কুরিয়ার ও ইন্টারনেট;
- প্রচার, বিজ্ঞাপন ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ;
- বইপত্র, সাময়িকী ও প্রকাশনা;
- অফিস ভবন ভাড়া;
- আউটসোর্সিং ও মানবসম্পদ সরবরাহ;
- পরিবহন ব্যয়;
- প্রশিক্ষণ ও সম্মানী;
- পথ্য ও স্বাস্থ্যবিধান সামগ্রী;
- কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি;
- মুদ্রণ ও বাঁধাই;
- আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয়;
- মোটরযান, কম্পিউটার ও ভবন মেরামত;
- কম্পিউটার সফটওয়্যার ক্রয়।
প্রতিটি খাতের বিপরীতে অর্থনৈতিক কোড এবং ক্যালকুলেটরে নির্ধারিত ভ্যাট ও আয়কর কর্তনের হার দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারকারী কোড বা খাতের নাম অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে নিতে পারবেন।
তবে তালিকায় কোনো খাত অন্তর্ভুক্ত থাকা মানেই ওই খাতের সব ধরনের লেনদেনে একই হার প্রযোজ্য হবে—এমন নয়। লেনদেনের প্রকৃতি ও প্রযোজ্য বিধান যাচাই করা প্রয়োজন।
আপ্যায়ন ব্যয়ে তিন ধরনের ভ্যাটের হার
ক্যালকুলেটরটির উল্লেখযোগ্য একটি বৈশিষ্ট্য হলো, আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে পৃথকভাবে ভ্যাটের হার নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে।
ফাইলের তালিকা অনুযায়ী, আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে তিনটি বিকল্প রাখা হয়েছে—
| আপ্যায়নের ধরন | ক্যালকুলেটরে প্রদর্শিত ভ্যাটের হার |
|---|---|
| এসি হোটেল | ১৫ শতাংশ |
| নন-এসি প্রতিষ্ঠান | ১০ শতাংশ |
| রেস্তোরাঁ | ৫ শতাংশ |
এ খাতের জন্য আয়কর কর্তনের হার ৫ শতাংশ হিসেবে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, সম্মানী খাতের জন্য ক্যালকুলেটরে ভ্যাট প্রযোজ্য নয় এবং আয়কর ২০ শতাংশ দেখানো হয়েছে।
এসব হার ফাইলের অন্তর্ভুক্ত তালিকার তথ্য। বিল প্রস্তুতের সময় সংশ্লিষ্ট সেবা বা অর্থপ্রদানের প্রকৃতি অনুযায়ী প্রকৃত প্রযোজ্য হার যাচাই করা জরুরি।
আয়কর, ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জের হিসাব আলাদা
ভ্যাট ও আয়কর একই ধরনের কর নয়। ভ্যাট পণ্য বা সেবার ওপর প্রযোজ্য পরোক্ষ কর। অন্যদিকে, উৎসে আয়কর কর্তন নির্দিষ্ট অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আয়কর বিধানের অংশ।
ক্যালকুলেটরটিতে সাধারণভাবে ভ্যাটবহির্ভূত মূল বিলের ওপর আয়কর হিসাব করার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। বিলের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকলে প্রথমে মূল মূল্য নির্ধারণ করে তার ওপর আয়কর হিসাব করা হয়।
এ ছাড়া কিছু খাতে সার্ভিস চার্জের হারও রাখা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, প্রচার ও বিজ্ঞাপন খাতের তালিকায় ২ শতাংশ সার্ভিস চার্জ উল্লেখ রয়েছে।
এখানে মনে রাখতে হবে, সার্ভিস চার্জকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরকারি কর হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। এর প্রকৃতি ও কর্তনের ভিত্তি সংশ্লিষ্ট চুক্তি, নির্দেশনা এবং প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।
একাধিক বিলের হিসাব একত্র করে প্রতিবেদন তৈরি
সরকারি অফিসে অনেক সময় একই দিনে একাধিক বিলের হিসাব প্রস্তুত করতে হয়। প্রতিটি বিলের হিসাব আলাদাভাবে করার পর সবগুলোর মোট কর্তন ও প্রদেয় অর্থ একত্র করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
ক্যালকুলেটরটিতে এ কাজ সহজ করতে রিপোর্ট তৈরির সুবিধা রাখা হয়েছে। কোনো বিলের হিসাব সম্পন্ন করার পর ‘রিপোর্টে যোগ করুন’ বাটনে ক্লিক করলে সেটি রিপোর্টের তালিকায় যুক্ত হয়।
একাধিক বিল যুক্ত করার পর প্রতিবেদন থেকে মোট বিল, ভ্যাট, আয়কর ও নিট প্রদেয় অর্থের হিসাব দেখা যায়। পাশাপাশি অফিসের নাম ও তারিখ লেখার জন্য পৃথক ঘর রয়েছে।
প্রস্তুত করা রিপোর্ট প্রিন্ট করা অথবা পিডিএফ হিসেবে সংরক্ষণ করার সুবিধাও রয়েছে। ফলে হিসাবের বিবরণ পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় রেকর্ড সংরক্ষণে এটি সহায়ক হতে পারে।
তবে ফাইলটির নির্দেশনা অনুযায়ী, পেজ রিফ্রেশ করলে রিপোর্টের অস্থায়ী তালিকা মুছে যেতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ হিসাবের প্রতিবেদন প্রয়োজনমতো সংরক্ষণ করা উচিত।
অর্থনৈতিক কোডের তালিকা প্রিন্ট ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা
ক্যালকুলেটরের আলাদা কোড তালিকা অংশে অর্থনৈতিক কোড, ব্যয়ের নাম, ভ্যাটের হার এবং আয়করের হার একসঙ্গে দেখা যায়। কোড নম্বর অথবা খাতের নাম লিখে তালিকা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে নেওয়া সম্ভব।
এ অংশে প্রিন্ট করে পিডিএফ হিসেবে সংরক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রোগ্রামিং কাঠামোয় তালিকা থেকে ছবি ও CSV ফাইল ডাউনলোডের সুবিধাও রয়েছে, যদিও এসব অপশন সক্রিয় হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে।
নিয়মিত বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কোড ও কর্তনের হার এক জায়গায় দেখার এ ব্যবস্থা ব্যবহারিক সুবিধা দিতে পারে। তবে তালিকাটি ব্যবহার করার সময় সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনার সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের হার যাচাই কেন জরুরি
ক্যালকুলেটরটির শিরোনাম ও নির্দেশনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য অর্থ আইন ২০২৬, এনবিআরের এসআরও এবং রাজস্ব অডিট অধিদপ্তরের হার-তালিকার উল্লেখ রয়েছে। এতে ভ্যাটের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা এবং আয়করের ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩-এর উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আপলোড করা HTML ফাইলটি নিজে কোনো সরকারি গেজেট বা মূল এসআরও নয়। এর অন্তর্ভুক্ত হারগুলোকে সর্বশেষ সরকারি নথির সঙ্গে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে ক্যালকুলেটরে প্রদর্শিত সব হারকে নিশ্চিতভাবে কার্যকর সরকারি হার বলা যাচ্ছে না।
বিশেষ করে প্রশিক্ষণ খাতে প্রদর্শিত ২০ শতাংশ আয়কর এবং বিজ্ঞাপন খাতে সার্ভিস চার্জের মতো তথ্য চূড়ান্ত ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট মূল সরকারি নথির সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
ক্যালকুলেটরের প্রশ্নোত্তর অংশেও কিছু খাতের হার ব্যবহারের আগে এনবিআরের মূল এসআরও যাচাই করার কথা বলা হয়েছে। তাই বিল প্রস্তুতের সময় শুধু ক্যালকুলেটরের ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
ক্যালকুলেটর ব্যবহারের নিয়ম
ক্যালকুলেটরটি ব্যবহার করার সাধারণ ধাপগুলো হলো—
প্রথম ধাপ: অর্থবছর নির্বাচন করতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ: অর্থনৈতিক কোড বা ব্যয়ের খাতের নাম লিখে প্রয়োজনীয় খাত নির্বাচন করতে হবে।
তৃতীয় ধাপ: বিলের টাকার পরিমাণ লিখতে হবে।
চতুর্থ ধাপ: বিলের টাকার মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত আছে কি না, তা নির্ধারণ করতে হবে।
পঞ্চম ধাপ: পরিবর্তনশীল ভ্যাটের খাত হলে সঠিক ধরন নির্বাচন করতে হবে।
ষষ্ঠ ধাপ: ‘হিসাব করুন’ বাটনে ক্লিক করে ভ্যাট, আয়কর, সার্ভিস চার্জ ও নিট প্রদেয় অর্থ দেখতে হবে।
সপ্তম ধাপ: একাধিক বিলের হিসাব একত্র করতে চাইলে ‘রিপোর্টে যোগ করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
অষ্টম ধাপ: রিপোর্ট অংশ থেকে প্রয়োজনীয় হিসাব প্রিন্ট বা পিডিএফ হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে।
এই প্রক্রিয়ায় দ্রুত হিসাব পাওয়া গেলেও চূড়ান্ত বিল অনুমোদন বা অর্থ পরিশোধের আগে প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী কর্তনের হার যাচাই করা অপরিহার্য।
সরকারি বিল প্রস্তুতের কাজে কতটা সহায়ক হবে
অর্থনৈতিক কোড অনুসন্ধান, ভ্যাট ও আয়করের পৃথক হিসাব এবং একাধিক বিলের প্রতিবেদন তৈরির সুবিধার কারণে ক্যালকুলেটরটি সরকারি দপ্তরের বিল প্রস্তুতকারীদের প্রাথমিক হিসাবের কাজে সহায়ক হতে পারে।
বিশেষ করে একই ধরনের একাধিক বিলের ক্ষেত্রে হিসাবের পুনরাবৃত্তি কমানো, মোট কর্তনের পরিমাণ দেখা এবং প্রতিবেদন সংরক্ষণের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে ব্যবহৃত হার, কোড ও হিসাবের পদ্ধতি সঠিক এবং হালনাগাদ থাকার ওপর।
সব মিলিয়ে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ভ্যাট ও আয়কর কর্তন ক্যালকুলেটরটি সরকারি বিলের হিসাব সহজ করার একটি ব্যবহারিক উদ্যোগ। তবে দ্রুত হিসাব পাওয়ার পাশাপাশি সঠিক অর্থনৈতিক কোড নির্বাচন, সরকারি নির্দেশনা যাচাই এবং কর্তনের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করাই হবে নির্ভুল বিল প্রস্তুতের প্রধান শর্ত।

মন্তব্য (০)