নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন শুরু ১৪ জানুয়ারি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তি - Technical Alamin
সরকারি আদেশ ও তথ্য

নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন শুরু ১৪ জানুয়ারি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে।

আবেদনের মূল শর্ত ও সময়সীমা

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আগ্রহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিচে তুলে ধরা হলো:

  • আবেদন শুরু: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬।

  • আবেদনের শেষ সময়: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬।

  • আবেদনের মাধ্যম: সম্পূর্ণ অনলাইন। সরাসরি, ই-মেইল বা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

যেখান থেকে আবেদন করা যাবে

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত তিনটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে: ১. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ (www.shed.gov.bd) ২. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (www.dshe.gov.bd) ৩. বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো – ব্যানবেইস (www.banbeis.gov.bd)

এই ওয়েবসাইটগুলোতে ‘Online MPO Application’ শিরোনামে একটি লিংক পাওয়া যাবে, যার মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে মূল্যায়ন

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়াটি হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’-এ উল্লিখিত নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হবে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

গণবিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, কোনো প্রকার হার্ডকপি বা সরাসরি দাখিলকৃত আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্ধারিত সফটওয়্যারে তথ্য প্রদানের সময় প্রদত্ত নির্দেশিকাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন পর নতুন নীতিমালার আলোকে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় অনেক যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি আর্থিক সহায়তার আওতায় আসার সুযোগ পাবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে।

আবেদনের মূল শর্ত ও সময়সীমা
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আগ্রহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিচে তুলে ধরা হলো:

আবেদন শুরু: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬।

আবেদনের শেষ সময়: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬।

আবেদনের মাধ্যম: সম্পূর্ণ অনলাইন। সরাসরি, ই-মেইল বা ডাকযোগে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

যেখান থেকে আবেদন করা যাবে
আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত তিনটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে: ১. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ (www.shed.gov.bd) ২. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (www.dshe.gov.bd) ৩. বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো - ব্যানবেইস (www.banbeis.gov.bd)

এই ওয়েবসাইটগুলোতে 'Online MPO Application' শিরোনামে একটি লিংক পাওয়া যাবে, যার মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে মূল্যায়ন
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়াটি হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’-এ উল্লিখিত নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হবে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
গণবিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, কোনো প্রকার হার্ডকপি বা সরাসরি দাখিলকৃত আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্ধারিত সফটওয়্যারে তথ্য প্রদানের সময় প্রদত্ত নির্দেশিকাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন পর নতুন নীতিমালার আলোকে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় অনেক যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি আর্থিক সহায়তার আওতায় আসার সুযোগ পাবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *