bd Service Rules

বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬: আবাসিক, শিল্প, সেচ ও বাণিজ্যিক গ্রাহকের জন্য নতুন ট্যারিফে যা আছে

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ২০২৬ সালের জন্য বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহক শ্রেণি ও ভোল্টেজ পর্যায়ভেদে এনার্জি চার্জ এবং ডিমান্ড চার্জ নির্ধারণ করেছে। ৩ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নচাপ, মধ্যমচাপ, উচ্চচাপ ও অতি উচ্চচাপ পর্যায়ের গ্রাহকদের জন্য আলাদা হার নির্ধারণ করা হয়। তবে পরদিন ৪ জুন বিইআরসি আবাসিক লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের মূল্যহার নিয়ে সংশোধনী জারি করে—এ বিষয়টি নিচে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

আবাসিক বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার

বিইআরসির মূল বিজ্ঞপ্তির প্রথম পাতায় নিম্নচাপ (এলটি), ২৩০/৪০০ ভোল্ট পর্যায়ের আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ব্যবহারভেদে ধাপভিত্তিক এনার্জি রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল বিজ্ঞপ্তিতে ০–৫০ ইউনিট থেকে শুরু করে ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহার পর্যন্ত ছয়টি ধাপ দেখানো হয়েছে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

মূল বিজ্ঞপ্তিতে আবাসিক গ্রাহকের জন্য উল্লেখিত হার ছিল—

ব্যবহারসীমামূল বিজ্ঞপ্তির এনার্জি রেট
০–৫০ ইউনিট৫.৩২ টাকা
০–৭৫ ইউনিট৬.১৮ টাকা
৭৬–২০০ ইউনিট৮.৫০ টাকা
২০১–৩০০ ইউনিট৯.৩০ টাকা
৩০১–৪০০ ইউনিট৯.৬২ টাকা
৪০১–৬০০ ইউনিট১০.৯১ টাকা
৬০০ ইউনিটের বেশি১৭.৩৫ টাকা

মূল বিজ্ঞপ্তিতে আবাসিক গ্রাহকের ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা/কিলোওয়াট/মাস রাখা হয়েছিল। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন: ০–৭৫ ইউনিটে আগের দাম বহাল

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পাঠকদের জানা জরুরি। আপলোড করা PDFটি ৩ জুনের মূল মূল্যহার বিজ্ঞপ্তি। এর পর ৪ জুন ২০২৬ বিইআরসি সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং আবাসিক গ্রাহকদের লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের বাড়তি মূল্য কার্যকর না করে আগের মূল্য বহাল রাখে। ফলে ০–৫০ ইউনিটের জন্য ৪.৬৩ টাকা এবং ০–৭৫ ইউনিটের প্রথম ধাপের জন্য ৫.২৬ টাকা বহাল থাকে।

অর্থাৎ, মূল PDF-এ ৫.৩২ ও ৬.১৮ টাকা দেখা গেলেও পরবর্তী সংশোধনীকে বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান কার্যকর হার হিসেবে ওই দুই ধাপে আগের মূল্যই প্রযোজ্য—এটি খবর প্রকাশের সময় স্পষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ।

সেচ ও কৃষিকাজে বিদ্যুতের দাম

নিম্নচাপ পর্যায়ে সেচ ও কৃষিকাজে ব্যবহৃত পাম্পের জন্য মূল বিজ্ঞপ্তিতে ৬.০৪ টাকা/কিলোওয়াট-ঘণ্টা এনার্জি রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এ শ্রেণির ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

কৃষি ও সেচ খাতে বিদ্যুতের ব্যবহার সরাসরি উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় এ হার কৃষক ও সেচ পাম্প পরিচালনাকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বাড়লে মোট বিলও সেই অনুপাতে বাড়বে।

ক্ষুদ্র শিল্পে ফ্ল্যাট, অফ-পিক ও পিক রেট

ক্ষুদ্র শিল্প গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সময়ভিত্তিক তিন ধরনের এনার্জি চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল বিজ্ঞপ্তিতে—

  • ফ্ল্যাট: ১২.৭০ টাকা
  • অফ-পিক: ১১.১৫ টাকা
  • পিক: ১৫.২৭ টাকা

প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা হারে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই শ্রেণির ডিমান্ড চার্জ ৪৮ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

এখানে সময়ের পার্থক্যটি ব্যবসায়িকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পিক সময়ের পরিবর্তে অফ-পিক সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারলে একই পরিমাণ বিদ্যুতের জন্য তুলনামূলক কম এনার্জি চার্জ হতে পারে।

নির্মাণ খাতে বিদ্যুতের হার

নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতের জন্য নিম্নচাপ পর্যায়ে এনার্জি রেট ১৮.০৯ টাকা/ইউনিট এবং ডিমান্ড চার্জ ১২০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

নির্মাণ খাতে সাধারণ আবাসিক ব্যবহারের তুলনায় ইউনিটপ্রতি এনার্জি রেট উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ফলে নির্মাণাধীন ভবন, প্রকল্প বা অন্যান্য অস্থায়ী স্থাপনায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সংযোগের শ্রেণি ও অনুমোদিত লোড সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

শিক্ষা, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতাল

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালের জন্য মূল বিজ্ঞপ্তিতে ৯.০৫ টাকা/কিলোওয়াট-ঘণ্টা এনার্জি রেট এবং ৬০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস ডিমান্ড চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য বাণিজ্যিক বা নির্মাণ শ্রেণির তুলনায় আলাদা ও নির্দিষ্ট ট্যারিফ কাঠামো রাখা হয়েছে।

ইলেকট্রিক গাড়ি ও ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের জন্য আলাদা ট্যারিফ

২০২৬ সালের মূল্যহার কাঠামোর একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন-এর জন্য আলাদা ট্যারিফ নির্ধারণ।

মূল বিজ্ঞপ্তিতে এই শ্রেণির জন্য—

  • ফ্ল্যাট: ১১.৩৬ টাকা
  • অফ-পিক: ১০.২২ টাকা
  • সুপার অফ-পিক: ৯.০৯ টাকা
  • পিক: ১৪.২০ টাকা

প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা হারে নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিমান্ড চার্জ ৯০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

এতে বোঝা যায়, চার্জিং স্টেশন পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু মোট বিদ্যুৎ ব্যবহার নয়, কোন সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে সেটিও ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলবে।

বাণিজ্যিক ও অফিসের বিদ্যুৎ বিল

নিম্নচাপ পর্যায়ের বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকদের জন্য মূল বিজ্ঞপ্তিতে ফ্ল্যাট, অফ-পিক ও পিক সময়ে যথাক্রমে ১৫.৩৬ টাকা, ১৩.৮২ টাকা ও ১৮.৪৩ টাকা এনার্জি রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিমান্ড চার্জ ৯০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

অন্যদিকে অস্থায়ী গ্রাহকদের জন্য এনার্জি রেট ২৩.৮১ টাকা এবং ডিমান্ড চার্জ ১২০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

মধ্যমচাপ ১১ কেভি গ্রাহকদের জন্য হার

মধ্যমচাপ (এমটি), ১১ কেভি পর্যায়েও গ্রাহক শ্রেণি অনুযায়ী পৃথক ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে। আবাসিক গ্রাহকের জন্য মূল বিজ্ঞপ্তিতে ফ্ল্যাট ১২.৫০ টাকা, অফ-পিক ১১.২৫ টাকা এবং পিক ১৫.৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিমান্ড চার্জ ৯০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

এই পর্যায়ে বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকের হার ১৩.৯০/১২.৪৮/১৭.৯১ টাকা, শিল্পের ১২.৮৫/১১.৫৬/১৬.০৬ টাকা, নির্মাণের ১৭.১৬/১৫.৪৪/২১.৪৫ টাকা এবং সাধারণ শ্রেণির ১২.৫৮/১১.৩২/১৫.৭২ টাকা—ফ্ল্যাট/অফ-পিক/পিক ক্রমে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

উচ্চচাপ ৩৩ কেভি পর্যায়ে ট্যারিফ

উচ্চচাপ (এইচটি), ৩৩ কেভি পর্যায়ে সাধারণ গ্রাহকের জন্য ফ্ল্যাট ১২.৪৪ টাকা, অফ-পিক ১১.২৮ টাকা এবং পিক ১৫.৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকের জন্য হার ১৩.৭৪/১২.২৮/১৭.০৫ টাকা, শিল্পের জন্য ১২.৭৫/১১.৪৭/১৫.৯৩ টাকা এবং নির্মাণের জন্য ১৫.৯৬/১৪.৩৬/১৯.১৫ টাকা। এই পর্যায়ে ডিমান্ড চার্জ ৯০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

অতি উচ্চচাপ ১৩২ ও ২৩০ কেভি পর্যায়

অতি উচ্চচাপ বা ইএইচটি, ১৩২ কেভি ও ২৩০ কেভি পর্যায়ের গ্রাহকদের জন্যও পৃথক মূল্যহার রয়েছে। মূল বিজ্ঞপ্তিতে একটি সাধারণ শ্রেণির জন্য ফ্ল্যাট ১২.৬৬ টাকা, অফ-পিক ১১.১৯ টাকা এবং পিক ১৫.৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আরেকটি সাধারণ শ্রেণিতে হার যথাক্রমে ১২.৬১ টাকা, ১১.৩৫ টাকা ও ১৫.৭৬ টাকা। ডিমান্ড চার্জ ৯০ টাকা/কিলোওয়াট/মাস। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

নতুন সংযোগে অনুমোদিত লোড গুরুত্বপূর্ণ

বিজ্ঞপ্তির শেষ পাতায় নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে অনুমোদিত লোড ও গ্রাহক শ্রেণি নির্ধারণের বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। ফলে নতুন সংযোগ নেওয়ার সময় শুধু সংযোগের উদ্দেশ্য নয়, অনুমোদিত লোড কত এবং কোন ভোল্টেজ পর্যায়ে সংযোগটি পড়ছে—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

বিশেষ করে নিম্নচাপ ও মধ্যমচাপ পর্যায়ের সংযোগ নির্ধারণে অনুমোদিত লোডের সীমা বিবেচনা করার কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পিক ও অফ-পিক সময়ে বিলের পার্থক্য

নতুন ট্যারিফ কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময়ভিত্তিক বিদ্যুৎ মূল্য। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট সময়কে পিক, অফ-পিক এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সুপার অফ-পিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে শিল্প, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা চার্জিং স্টেশনের মতো গ্রাহকদের ক্ষেত্রে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও ব্যবহারের সময়ের ওপর মোট এনার্জি চার্জ পরিবর্তিত হতে পারে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

ডিমান্ড চার্জ কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ

বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রে অনেক গ্রাহক শুধু ইউনিটপ্রতি দাম হিসাব করেন। কিন্তু নতুন ট্যারিফ কাঠামোয় ডিমান্ড চার্জও গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমান্ড চার্জ মূলত গ্রাহকের অনুমোদিত লোড বা প্রযোজ্য চাহিদার ভিত্তিতে মাসিকভাবে নির্ধারিত হয়। তাই কোনো প্রতিষ্ঠান মাসে তুলনামূলক কম ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও তার অনুমোদিত লোড বেশি হলে ডিমান্ড চার্জের কারণে মোট বিল বাড়তে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য ৪২, ৪৮, ৬০, ৯০ ও ১২০ টাকা পর্যন্ত ডিমান্ড রেট দেখা যায়। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

প্রি-পেইড মিটার গ্রাহকদের জন্য রিবেট

বিজ্ঞপ্তির শেষ পাতায় প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী মূসক ব্যতীত নিট বিলের ওপর ০.৫ শতাংশ রিবেট দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর

মূল বিইআরসি বিজ্ঞপ্তিতে পুনর্নির্ধারিত খুচরা বিদ্যুৎ মূল্যহার জুন ২০২৬ সালের বিল মাস থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। বিইআরসির ওয়েবসাইটেও ৩ জুন ২০২৬ তারিখে ‘বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬’ এবং পরদিন ৪ জুন সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তথ্য রয়েছে।

৩ জুনের ঘোষণায় গড় খুচরা বিদ্যুৎ মূল্য ৯.১১ টাকা থেকে ১০.৬৩ টাকা/ইউনিট করার কথা জানানো হয়েছিল। তবে পরদিনের সংশোধনে লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের আবাসিক গ্রাহকদের বাড়তি মূল্য প্রত্যাহার করা হয়।

গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

২০২৬ সালের বিদ্যুৎ ট্যারিফ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একজন গ্রাহকের প্রকৃত বিল নির্ধারণে শুধু ‘প্রতি ইউনিট কত টাকা’—এই একটি তথ্য যথেষ্ট নয়। বরং দেখতে হবে—

১. গ্রাহক কোন শ্রেণির।
২. সংযোগটি এলটি, এমটি, এইচটি নাকি ইএইচটি পর্যায়ের।
৩. মাসে কত ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে।
৪. ব্যবহার পিক নাকি অফ-পিক সময়ে হয়েছে।
৫. অনুমোদিত লোড কত।
৬. ডিমান্ড চার্জ কত প্রযোজ্য।
৭. প্রি-পেইড মিটার হলে রিবেট প্রযোজ্য কি না।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, ৩ জুনের মূল PDF এবং ৪ জুনের সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। কারণ মূল বিজ্ঞপ্তিতে আবাসিক ০–৫০ ও ০–৭৫ ইউনিটের জন্য যথাক্রমে ৫.৩২ ও ৬.১৮ টাকা লেখা থাকলেও পরবর্তী সংশোধনীতে এই দুই ধাপে আগের ৪.৬৩ ও ৫.২৬ টাকা বহাল রাখা হয়েছে। বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার ২০২৬

অতএব, ২০২৬ সালের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো হিসাব করার সময় শুধু মূল মূল্যহার তালিকা নয়, পরবর্তী সংশোধনী নির্দেশনাও অবশ্যই অনুসরণ করা উচিত। এতে গ্রাহকের প্রকৃত প্রযোজ্য ট্যারিফ সম্পর্কে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *