নাগরিক নিরাপত্তায় ডিএমপির উদ্যোগ: ভাড়াটিয়া তথ্য নিবন্ধন
রাজধানীতে জননিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ভাড়াটিয়াদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিটি ভাড়াটিয়াকে একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত তথ্য সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে বলা হয়েছে।
ফরমে প্রয়োজনীয় প্রধান তথ্যাবলি
নিবন্ধন ফরমে একজন ভাড়াটিয়াকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
ব্যক্তিগত তথ্য: ভাড়াটিয়া বা বাড়িওয়ালার নাম, পিতার নাম, জন্ম তারিখ, বৈবাহিক অবস্থা এবং ধর্ম।
পরিচয়পত্র ও যোগাযোগ: জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর (যদি থাকে), মোবাইল নম্বর এবং ই-মেইল আইডি।
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা: বর্তমান বসবাসের ফ্ল্যাট বা তলার বিবরণসহ স্থায়ী ঠিকানার বিস্তারিত তথ্য।
পেশাগত বিবরণ: ভাড়াটিয়ার পেশা এবং তার কর্মস্থলের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা।
পরিবার ও অন্যান্য সদস্যদের তথ্য
নিরাপত্তা ব্যবনিশ্চিত করতে শুধুমাত্র ভাড়াটিয়া নয়, বরং তার সাথে বসবাসরত অন্যদের তথ্যও পুলিশ সংগ্রহ করছে:
পরিবার বা মেস সদস্য: পরিবারের সদস্য বা মেসের সঙ্গীয় সদস্যদের নাম, বয়স, পেশা এবং মোবাইল নম্বর।
সহায়ক কর্মী: গৃহকর্মী এবং ড্রাইভারের নাম, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও স্থায়ী ঠিকানা।
পূর্ববর্তী ও বর্তমান আবাসন ইতিহাস
যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফরমে পূর্ববর্তী বাড়িওয়ালার নাম, ঠিকানা এবং পূর্ববর্তী বাসা ছাড়ার কারণ উল্লেখ করার ঘর রয়েছে। এছাড়া বর্তমান বাড়িতে কোন তারিখ থেকে বসবাস শুরু হয়েছে তাও জানাতে হবে।
জরুরি যোগাযোগ ও ঘোষণা
জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য একজন ব্যক্তির নাম, তার সাথে সম্পর্ক, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর প্রদান করা বাধ্যতামূলক। ফরমের শেষে ভাড়াটিয়ার স্বাক্ষর এবং তারিখ প্রদানের মাধ্যমে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে হয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, এই পূরণকৃত ফরমের একটি কপি বাড়ির মালিককে অবশ্যই নিজের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে। এর মাধ্যমে বাড়ির মালিক এবং পুলিশ উভয়েই যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।


