সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় স্বস্তি: কমছে না মুনাফার হার, বহাল থাকছে ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুবিধা - Technical Alamin
ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় স্বস্তি: কমছে না মুনাফার হার, বহাল থাকছে ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুবিধা

সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের জন্য একই সঙ্গে একটি ‘খারাপ’ এবং একটি ‘ভালো’ সংবাদ মিলেছে। সরকার গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা আপাতত আগের মতোই উচ্চ হারে মুনাফা পাচ্ছেন।

আগের উচ্চ হারেই মুনাফা প্রাপ্তি

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত যারা সঞ্চয়পত্র কিনবেন, তারা ৩০ জুন ২০২৫ তারিখের সার্কুলার অনুযায়ী নির্ধারিত মুনাফা পাবেন। অর্থাৎ, সঞ্চয়পত্রের বিভিন্ন স্কিমভেদে বিনিয়োগকারীরা প্রায় ১১.৭৭% থেকে ১১.৯৮% পর্যন্ত মুনাফা পাবেন, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর।

কর ও ট্যাক্স সংক্রান্ত সুবিধা

সংযুক্ত গেজেট (ধারা ১০৫) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, কর কর্তনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা বিশেষ কিছু সুবিধা পাবেন:

  • ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ: কোনো বিনিয়োগকারীর মোট সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগ যদি ৫ লক্ষ টাকা অতিক্রম না করে, তবে তার অর্জিত মুনাফা থেকে কোনো উৎস কর (Tax) কাটা হবে না।

  • ৫ লক্ষ টাকার অধিক বিনিয়োগ: বিনিয়োগ ৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০% হারে উৎস কর প্রযোজ্য হবে।

  • পেনশনার সঞ্চয়পত্র: পেনশনারদের ক্ষেত্রেও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের মুনাফা করমুক্ত রাখা হয়েছে।

বিভিন্ন স্কিমের বর্তমান মুনাফার হার (প্রতি ১ লক্ষ টাকায়):

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ চার্ট অনুযায়ী, মুনাফার হারগুলো নিম্নরূপ:

  • ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সর্বোচ্চ ১১.৮৩% (৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে)।

  • পরিবার সঞ্চয়পত্র: সর্বোচ্চ ১১.৯৩%।

  • পেনশনার সঞ্চয়পত্র: সর্বোচ্চ ১১.৯৮%।

  • ৩ মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র: ১১.৮২% পর্যন্ত।

বিনিয়োগের সীমা

উল্লেখ্য যে, বর্তমানে একজন বিনিয়োগকারী একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা এবং যৌথ নামে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত (স্কিমভেদে ভিন্নতর) সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। তবে পেনশনারদের জন্য একক নামে বিনিয়োগের সীমা ১ কোটি টাকা পর্যন্ত।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুদ্রাস্ফীতির এই সময়ে মুনাফার হার না কমিয়ে আগের হার বহাল রাখায় সাধারণ বিনিয়োগকারী ও অবসরপ্রাপ্ত চাকুরিজীবীরা সামাজিকভাবে কিছুটা সুরক্ষা পাবেন।

৫ লক্ষ টাকার অধিক বিনিয়োগ হলেই ১০% উৎসে কর?

হ্যাঁ, আপনার ধারণা সঠিক। আপনার সরবরাহকৃত তথ্য এবং সঞ্চয়পত্রের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিম্নরূপ:

১. ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ: যদি আপনার মোট সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হয়, তবে অর্জিত মুনাফার ওপর কোনো উৎস কর (Source Tax) কাটা হবে না। অর্থাৎ, আপনি পুরো মুনাফাই হাতে পাবেন।

২. ৫ লক্ষ টাকার অধিক বিনিয়োগ: যদি আপনার মোট বিনিয়োগ ৫ লক্ষ টাকা অতিক্রম করে, তবে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০% হারে উৎস কর কাটা হবে।

একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করা হলো: যদি আপনার সঞ্চয়পত্রে মোট ৬ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ থাকে, তবে আপনি পুরো বিনিয়োগের (৬ লক্ষ টাকার) মুনাফার ওপর ১০% হারে ট্যাক্স দেবেন। এটি শুধু ৫ লক্ষ টাকার পরের অংশের ওপর নয়, বরং পুরো বিনিয়োগের অর্জিত মুনাফার ওপরই কার্যকর হবে।

অর্থাৎ, সরকার মুনাফার উচ্চ হার (প্রায় ১২%) বহাল রাখলেও, ৫ লক্ষ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে সেখান থেকে ১০% মুনাফা কর হিসেবে কেটে রাখা হবে।

হ্যাঁ, আপনার ধারণা সঠিক। আপনার সরবরাহকৃত তথ্য এবং সঞ্চয়পত্রের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিম্নরূপ:

১. ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ: যদি আপনার মোট সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হয়, তবে অর্জিত মুনাফার ওপর কোনো উৎস কর (Source Tax) কাটা হবে না। অর্থাৎ, আপনি পুরো মুনাফাই হাতে পাবেন।

২. ৫ লক্ষ টাকার অধিক বিনিয়োগ: যদি আপনার মোট বিনিয়োগ ৫ লক্ষ টাকা অতিক্রম করে, তবে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০% হারে উৎস কর কাটা হবে।

একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করা হলো: যদি আপনার সঞ্চয়পত্রে মোট ৬ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ থাকে, তবে আপনি পুরো বিনিয়োগের (৬ লক্ষ টাকার) মুনাফার ওপর ১০% হারে ট্যাক্স দেবেন। এটি শুধু ৫ লক্ষ টাকার পরের অংশের ওপর নয়, বরং পুরো বিনিয়োগের অর্জিত মুনাফার ওপরই কার্যকর হবে।

অর্থাৎ, সরকার মুনাফার উচ্চ হার (প্রায় ১২%) বহাল রাখলেও, ৫ লক্ষ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে সেখান থেকে ১০% মুনাফা কর হিসেবে কেটে রাখা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *