Latest News

সরকারি টিউবওয়েল পেতে কারা আবেদন করতে পারবেন? আবেদন, যোগ্যতা, বরাদ্দ ও তালিকা জানার বিস্তারিত নিয়ম

নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি উদ্যোগে টিউবওয়েল ও অন্যান্য নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করা হয়। এ কাজের দায়িত্বের বড় অংশ পালন করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (DPHE)। বিশেষ করে পল্লী এলাকায় নিরাপদ পানির উৎস ও স্যানিটেশন অবকাঠামো স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ অধিদপ্তরটির অন্যতম দায়িত্ব।

অনেক পরিবার সরকারি টিউবওয়েলের জন্য আবেদন করলেও পরে প্রশ্ন থাকে—আবেদনটি কোথায় আছে, কারা তালিকায় আছেন, বরাদ্দ এসেছে কি না এবং শেষ পর্যন্ত টিউবওয়েল পাওয়া যাবে কি না। সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শুধু আবেদন করলেই টিউবওয়েল পাওয়া নিশ্চিত হয় না; বরং অনুমোদিত তালিকা, সরকারি বরাদ্দ, প্রয়োজনীয়তা এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদনসহ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।

সরকারি টিউবওয়েলের জন্য কারা আবেদন করতে পারবেন?

সরকারি টিউবওয়েল মূলত এমন এলাকায় স্থাপনের জন্য দেওয়া হয় যেখানে নিরাপদ পানির প্রয়োজন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রকল্পের আওতায় ওই এলাকায় পানির উৎস স্থাপনের সুযোগ রয়েছে।

তবে সারা দেশের জন্য একটি মাত্র ‘সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য’ যোগ্যতার তালিকা নেই। কোন প্রকল্পের আওতায় টিউবওয়েল দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রকল্পের নির্দেশনা ও স্থানীয় বাস্তবতার ওপর উপকারভোগী নির্বাচনের বিষয়টি নির্ভর করতে পারে।

অর্থাৎ কেউ শুধু আবেদন করলেই তার নাম চূড়ান্ত তালিকায় চলে যাবে—এমন নিয়ম নেই।

সরকারি সেবা তথ্য অনুযায়ী, পল্লী এলাকায় নিরাপদ পানির উৎস স্থাপনের ক্ষেত্রে উপজেলা ওয়াটসান (WATSAN) কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত তালিকা গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সেই তালিকা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা হয়।

টিউবওয়েলের আবেদন কোথায় করবেন?

সরকারি টিউবওয়েলের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে যোগাযোগ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন বা প্রস্তাব দেওয়ার ব্যবস্থা প্রকল্পভেদে থাকতে পারে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বর্তমানে “Application Format for Tubewell” নামে আবেদন ফরমও প্রকাশিত রয়েছে। অর্থাৎ টিউবওয়েলের জন্য নির্ধারিত আবেদন প্রক্রিয়া রয়েছে।

আবেদন করার আগে যা করবেন

আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের—

  • ইউনিয়ন;
  • ওয়ার্ড;
  • গ্রামের নাম;
  • পানির উৎসের বর্তমান অবস্থা;
  • পরিবারের পানির সংকট;
  • আবেদনটি ব্যক্তিগত নাকি কমিউনিটি ভিত্তিক—

এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়ে সঠিক আবেদনপদ্ধতি জেনে নেওয়া উচিত।

কারণ প্রকল্পভেদে আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ধরন ভিন্ন হতে পারে।


শুধু আবেদন করলেই কি সরকারি টিউবওয়েল পাওয়া যাবে?

না।

এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নাগরিক সেবা তথ্য অনুযায়ী, পল্লী এলাকায় নিরাপদ পানির উৎস স্থাপনের ক্ষেত্রে WATSAN কমিটির অনুমোদিত তালিকা, সহায়ক চাঁদা এবং সরকারি বরাদ্দ—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কাজ বাস্তবায়ন করা হয়।

অর্থাৎ একজন ব্যক্তি আবেদন করার পরও কয়েকটি ধাপ বাকি থাকতে পারে।

সহজভাবে বিষয়টি এমন—

আবেদন → যাচাই/প্রয়োজন নির্ধারণ → তালিকা → WATSAN কমিটির অনুমোদন → সরকারি বরাদ্দ → কার্যাদেশ → টিউবওয়েল স্থাপন।

তাই কারও নাম আবেদনকারীর তালিকায় থাকলেও সেটিকে সরাসরি ‘টিউবওয়েল বরাদ্দ হয়েছে’ বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।


কারা অগ্রাধিকার পেতে পারেন?

এখানেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। সব সরকারি টিউবওয়েল প্রকল্পের জন্য একই অগ্রাধিকার তালিকা প্রযোজ্য নয়।

তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এলাকার নিরাপদ পানির প্রয়োজনীয়তা, পানির উৎসের প্রাপ্যতা ও উপযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের লক্ষ্য বিবেচনা করা হতে পারে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নিরাপদ পানি সরবরাহকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত করে কাজ করে এবং পল্লী এলাকার বিভিন্ন ধরনের নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করে থাকে।

এ কারণে যেখানে নিরাপদ পানির উৎসের সংকট বেশি, সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের আওতায় অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

তবে ‘গরিব হলেই টিউবওয়েল নিশ্চিত’ কিংবা ‘অমুক শ্রেণির মানুষ হলেই টিউবওয়েল পাওয়া যাবে’—এমন সার্বজনীন নিয়ম ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।


সরকারি টিউবওয়েল পেতে টাকা লাগে কি?

এখানে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে।

সরকারি টিউবওয়েলের ক্ষেত্রে কিছু প্রকল্পে উপকারভোগীর কাছ থেকে সহায়ক চাঁদা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকাশিত নাগরিক সেবা তথ্যে বিভিন্ন ধরনের পানির উৎসের জন্য সহায়ক চাঁদার হার উল্লেখ রয়েছে। যেমন নির্দিষ্ট ধরনের নলকূপের জন্য ২,৫০০ টাকা, ৩,০০০ টাকা, ৪,০০০ টাকা, ৭,০০০ টাকা, এমনকি কিছু গভীর নলকূপের ক্ষেত্রে ৯,০০০ বা ১০,০০০ টাকার হারও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—

এই হার সব জায়গায় এবং সব প্রকল্পে একই হবে—এমন নয়।

তাই স্থানীয় কেউ টাকা দাবি করলে সরাসরি টাকা না দিয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তর থেকে সরকারি নির্ধারিত হার, রশিদ ও জমা দেওয়ার নিয়ম যাচাই করা উচিত।


টিউবওয়েল বরাদ্দ হওয়ার পর কত দিনে স্থাপন হতে পারে?

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকাশিত নাগরিক সেবা তথ্যে বলা হয়েছে, WATSAN কমিটির অনুমোদনের পর ৪৫ কর্মদিবস সময়সীমার কথা উল্লেখ রয়েছে। সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে মালামাল সরবরাহ ও নলকূপ স্থাপনের ব্যবস্থা করা হয়।

তবে বাস্তবে কাজের সময় প্রকল্প, বরাদ্দ, ঠিকাদারি কার্যক্রম, স্থান নির্বাচন, কারিগরি বিষয় এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে পরিবর্তিত হতে পারে।

তাই ৪৫ কর্মদিবসকে সব পরিস্থিতিতে অবধারিতভাবে টিউবওয়েল বসানোর সময় হিসেবে না ধরে প্রকাশিত সেবা-সময়সীমা হিসেবে দেখা উচিত।


আপনার নামে আবেদন আছে কি না কীভাবে জানবেন?

কেউ যদি আগে টিউবওয়েলের জন্য আবেদন করে থাকেন, তাহলে নতুন করে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে গিয়ে নিচের বিষয়গুলো জানতে পারেন।

অফিসে গিয়ে ৭টি প্রশ্ন করুন

১. আমার নামে টিউবওয়েলের আবেদন জমা হয়েছে কি?

২. আবেদনটি কোন প্রকল্পের আওতায়?

৩. আবেদনকারীদের প্রাথমিক বা খসড়া তালিকা হয়েছে কি?

৪. WATSAN কমিটি তালিকাটি অনুমোদন করেছে কি?

৫. আমার নামে চূড়ান্ত বরাদ্দ হয়েছে কি?

৬. সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন/ওয়ার্ডের জন্য সরকারি বরাদ্দ এসেছে কি?

৭. টিউবওয়েল স্থাপনের কার্যাদেশ হয়েছে কি?

এই সাতটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলে আবেদনটির প্রকৃত অবস্থান অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।


‘বরাদ্দ আসছে’—এই কথার অর্থ কী?

স্থানীয় পর্যায়ে প্রায়ই শোনা যায়—“টিউবওয়েলের বরাদ্দ আসছে”, “লিস্ট হয়েছে”, “বাথরুমের বরাদ্দ এসেছে” ইত্যাদি।

কিন্তু প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব কথার অর্থ এক নয়।

আবেদন গ্রহণ, তালিকাভুক্তি, অনুমোদন, বরাদ্দ, কার্যাদেশ এবং বাস্তবে স্থাপন—প্রতিটি আলাদা ধাপ।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ইউনিয়নের ১০০ জন আবেদন করতে পারেন। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট বরাদ্দে যদি ৩০টি টিউবওয়েল স্থাপনের সুযোগ থাকে, তাহলে ১০০ জনের সবাই একই সময়ে সুবিধা পাবেন—এমন নিশ্চয়তা নেই।

তাই “নাম লিস্টে আছে” এবং “বরাদ্দ হয়েছে”—এই দুই কথাকে এক করে দেখা যাবে না।


বাথরুম বা ল্যাট্রিনের বরাদ্দের ক্ষেত্রেও একই বিষয়

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্বের মধ্যে নিরাপদ পানি সরবরাহের পাশাপাশি স্যানিটেশন অবকাঠামো নিয়েও কাজ রয়েছে। অধিদপ্তর পল্লী এলাকার নিরাপদ পানির উৎস ও স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে।

ফলে কোনো এলাকায় যদি বলা হয় “বাথরুমের বরাদ্দ এসেছে”, তাহলে সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

জানতে হবে—

  • কোন প্রকল্পের বরাদ্দ?
  • কতটি বাথরুম/ল্যাট্রিনের বরাদ্দ?
  • কারা উপকারভোগী?
  • তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে কি?
  • নির্মাণের দায়িত্ব কার?
  • উপকারভোগীর নিজস্ব অংশগ্রহণ বা সহায়ক চাঁদা আছে কি?
  • কাজের কার্যাদেশ হয়েছে কি?

এগুলো না জেনে শুধু মৌখিক ঘোষণার ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া উচিত নয়।


টিউবওয়েলের পানি নিরাপদ কি না সেটিও গুরুত্বপূর্ণ

সরকারি টিউবওয়েল স্থাপন করলেই পানির মান সবসময় নিরাপদ—এমন ধরে নেওয়া উচিত নয়।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নলকূপের পানির গুণগতমান পরীক্ষা করার ব্যবস্থাও রাখে। নাগরিক সেবা তথ্যে ফিল্ড টেস্ট কিটের মাধ্যমে পানি পরীক্ষার ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক পানি পরীক্ষাগারে বিভিন্ন পরীক্ষা করার তথ্য রয়েছে।

অধিদপ্তর ২০২৬ সালেও পানির উৎসসংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি নির্দেশিকা ও গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে নলকূপ ব্যবহারের স্বাস্থ্যসম্মত বিধিও রয়েছে।

বিশেষ করে যেসব এলাকায় আর্সেনিক বা অন্য কোনো পানিদূষণের ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে পানির গুণগতমান পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


সরকারি টিউবওয়েলের আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

আপনি যদি ইতোমধ্যে আবেদন করে থাকেন, তাহলে শুধু ইউনিয়ন পরিষদ বা স্থানীয় কারও কথার ওপর নির্ভর না করে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে সরাসরি আবেদনটির অবস্থা যাচাই করুন।

সঙ্গে থাকলে ভালো—

  • আবেদনপত্রের কপি;
  • আবেদন নম্বর/রসিদ;
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য;
  • ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের তথ্য;
  • পূর্বে দেওয়া কোনো সহায়ক চাঁদার রসিদ;
  • আবেদন করার সম্ভাব্য তারিখ।

এগুলো থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবেদনটি খুঁজে দেখতে তুলনামূলকভাবে সহজে পারবেন।


এক নজরে সরকারি টিউবওয়েল পাওয়ার প্রক্রিয়া

ধাপকী হয়
১টিউবওয়েলের জন্য আবেদন
২আবেদন/প্রয়োজন যাচাই
৩সম্ভাব্য উপকারভোগীর তালিকা
৪WATSAN কমিটির অনুমোদন
৫সরকারি বরাদ্দ
৬প্রয়োজনীয় সহায়ক চাঁদা, যেখানে প্রযোজ্য
৭কার্যাদেশ
৮মালামাল সরবরাহ
৯টিউবওয়েল স্থাপন
১০পানি ব্যবহারের ব্যবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী গুণগতমান পরীক্ষা

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পল্লী এলাকায় নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন WATSAN কমিটির অনুমোদিত তালিকা এবং সরকারি বরাদ্দের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হয়।

শেষ কথা

সরকারি টিউবওয়েল পেতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিকভাবে আবেদন করা এবং আবেদনটির বর্তমান অবস্থান জানা। আবেদন করলেই টিউবওয়েল নিশ্চিত নয়; বরং সরকারি প্রকল্পের আওতা, এলাকার প্রয়োজন, অনুমোদিত তালিকা, WATSAN কমিটির সিদ্ধান্ত এবং বরাদ্দের ওপর বাস্তবায়ন নির্ভর করে।

তাই যারা আগে টিউবওয়েলের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের এখনই সংশ্লিষ্ট উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে গিয়ে আবেদনকারীর তালিকা, চূড়ান্ত অনুমোদন ও বরাদ্দের অবস্থা যাচাই করা উচিত। একইভাবে বাথরুম/স্যানিটেশন বরাদ্দের খবর থাকলেও কোন প্রকল্পের আওতায়, কারা উপকারভোগী এবং কাজের কার্যাদেশ হয়েছে কি না—এসব তথ্য নিশ্চিত করা জরুরি।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে টিউবওয়েল আবেদনের ফরম, সহায়ক চাঁদার তথ্য এবং পানির উৎসসংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশিকা প্রকাশিত রয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *