নবম পে-স্কেলে পে ফিক্সেশন: iBAS++-এ নতুন বেতন নির্ধারণে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে নতুন বেতন নির্ধারণ বা পে ফিক্সেশন। নতুন কাঠামো অনুযায়ী কার মূল বেতন কত হবে, পূর্ববর্তী বেতন কীভাবে নতুন স্কেলে সমন্বয় হবে, ইনক্রিমেন্টের প্রভাব কী হবে এবং পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেডের ক্ষেত্রে কোন বেতন ধরা হবে—এসব প্রশ্নের বাস্তব প্রয়োগ এখন iBAS++-এর অনলাইন পে ফিক্সেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সামনে আসছে।
অর্থ বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ ১৭ সেপ্টেম্বর জারি হয় এবং অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইটে ১৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়। নতুন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় শুধু কর্মচারী নিজে তথ্য পূরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে না। iBAS++-এ তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট DDO এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই ও অনুমোদন প্রয়োজন হবে। ফলে এবার পে ফিক্সেশন হবে কর্মচারীর ব্যক্তিগত তথ্য, চাকরির রেকর্ড এবং পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণের তথ্যের সমন্বিত যাচাইয়ের মাধ্যমে।
২০ গ্রেড বহাল, পরিবর্তন এসেছে বেতন কাঠামোয়
সরকার অনুমোদিত নবম জাতীয় বেতন স্কেলে আগের মতো ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। সরকারের ঘোষিত কাঠামো অনুযায়ী ১ম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর।
তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়া এবং প্রত্যেক কর্মচারীর ব্যক্তিগত নতুন মূল বেতন নির্ধারণ হওয়া দুটি পৃথক ধাপ। ব্যক্তিভেদে পূর্ববর্তী বেতন, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং চাকরির অন্যান্য তথ্য বিবেচনায় নেওয়ার কারণে পে ফিক্সেশনের ফলও আলাদা হতে পারে।
এ কারণেই নতুন পে স্কেলে শুধু নিজের গ্রেডের নতুন বেতন তালিকা দেখলেই ব্যক্তিগত বেতন কত হবে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে না।
iBAS++-এ পে ফিক্সেশন কীভাবে হবে
নতুন ব্যবস্থায় সরকারি কর্মচারীকে iBAS++-এর নির্ধারিত ‘Pay Fixation’ অপশনে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
গেজেটেড কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে iBAS++-এর ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইনের ব্যবস্থা রয়েছে। নন-গেজেটেড কর্মচারীরা এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ ব্যবহার করে প্রবেশ করবেন। লগইনের সময় নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে OTP পাঠানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ই-মেইলে OTP পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
অর্থাৎ, পে ফিক্সেশনের প্রথম ধাপেই কর্মচারীর পরিচয় শনাক্তকরণ এবং iBAS++-এ থাকা ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে মিল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
আগে থেকেই যেসব কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন
পে ফিক্সেশনের আগে কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নথিপত্রের সফট কপি প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
- জাতীয় পরিচয়পত্র;
- iBAS++-এ নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর;
- নিয়োগসংক্রান্ত অফিস আদেশ;
- যোগদানপত্র;
- বদলি বা পদায়নের আদেশ;
- টাইমস্কেল বা সিলেকশন গ্রেডের আদেশ, যদি থাকে;
- উচ্চতর গ্রেডের আদেশ;
- পূর্ববর্তী বেতন পুনর্নির্ধারণের আদেশ;
- নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ও অন্যান্য সনদ;
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১ জুলাই ২০১৫ তারিখের বেতন নির্ধারণের Verification Number;
- চাকরির বেতন ও পদসংক্রান্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি।
এসব তথ্যের সফট কপি PDF বা JPEG ফরম্যাটে প্রস্তুত রাখার নির্দেশনার কথা প্রকাশিত হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ব্যক্তিগত তথ্যের ভুল
পে ফিক্সেশনের ক্ষেত্রে শুধু বেতনসংক্রান্ত তথ্য নয়, ব্যক্তিগত তথ্যের সামঞ্জস্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে এনআইডিতে থাকা জন্মতারিখ এবং চাকরির রেকর্ডে থাকা জন্মতারিখের মধ্যে পার্থক্য থাকলে তা আগে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। এনআইডি না থাকলে পে ফিক্সেশনের আগে এনআইডি নিবন্ধন সম্পন্ন করার নির্দেশনার কথাও প্রকাশিত হয়েছে।
ফলে কর্মচারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির তালিকাটি দাঁড়াচ্ছে—
এনআইডি → জন্মতারিখ → মোবাইল নম্বর → নিয়োগের তথ্য → বর্তমান পদ → গ্রেড → পূর্ববর্তী মূল বেতন → ইনক্রিমেন্ট → পদোন্নতি/উচ্চতর গ্রেড → পূর্ববর্তী পে ফিক্সেশন।
এই তথ্যগুলোর মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্য থাকলে অনলাইন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
তথ্য দেওয়ার পর নতুন বেতন দেখাবে সিস্টেম
পে ফিক্সেশন ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করার পর আবেদন জমা দেওয়ার আগেই iBAS++-এ নতুন নির্ধারিত মূল বেতনের পরিমাণ প্রদর্শিত হবে বলে অর্থ বিভাগের নির্দেশনাভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখানেই কর্মচারীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল করতে হবে। সিস্টেমে যে বেতন দেখাবে, সেটি জমা দেওয়ার আগে নিজের চাকরির নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
কারণ পূর্ববর্তী বেতন, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেডের তথ্য ভুলভাবে এন্ট্রি হলে স্বয়ংক্রিয় হিসাবও ভুল হতে পারে।
কর্মচারী তথ্য দেওয়ার পর DDO-এর ভূমিকা
অনলাইন পে ফিক্সেশনকে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
কর্মচারী আবেদন জমা দেওয়ার পর সেটি সংশ্লিষ্ট Drawing and Disbursing Officer বা DDO-এর কাছে যাবে। DDO কর্মচারীর দেওয়া তথ্য যাচাই করবেন।
বিশেষ করে নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বইয়ে থাকা পূর্ববর্তী চাকরি, বেতন ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে অনলাইন আবেদনের তথ্য মিলিয়ে দেখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
এরপর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে তথ্য যাচাই করবে।
হিসাবরক্ষণ অফিস অনুমোদন করলে তৈরি হবে Verification Number
DDO পর্যায়ের যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস বেতন নির্ধারণের বিবরণী পরীক্ষা ও অনুমোদন করবে।
অনুমোদনের পর সিস্টেম থেকে Verification Number তৈরি হবে। এরপর এই নম্বর এবং নির্ধারিত নতুন বেতন সার্ভিস বইয়ে লিপিবদ্ধ করার কথা রয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেখানে প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর করবেন।
অর্থাৎ, নতুন ব্যবস্থায় পুরো প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে—
অনলাইনে আবেদন → DDO যাচাই → হিসাবরক্ষণ অফিস যাচাই/অনুমোদন → Verification Number → সার্ভিস বইয়ে লিপিবদ্ধ।
এতে ভবিষ্যতে বেতনসংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের জন্য একটি ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি হবে।
পুরোনো Pay Fixation ওয়েবসাইট নিয়েও পরিবর্তন
পে ফিক্সেশন নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল—আগের Pay Fixation ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে কি না।
সাম্প্রতিক নির্দেশনাভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের payfixation.gov.bd ঠিকানা দিয়ে প্রবেশ করলেও ব্যবহারকারীকে iBAS++-এর পে ফিক্সেশন অপশনে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে অর্থ বিভাগের iBAS++ ব্যবস্থায় ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ধরনের বেতন নির্ধারণের অপশন—চলমান বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড, উচ্চতর গ্রেড ও ইনক্রিমেন্টসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য আলাদা অপশন রয়েছে।
এ কারণে কর্মচারীদের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে সঠিক পে ফিক্সেশন অপশন নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।
পদোন্নতি ও উচ্চতর গ্রেডের ক্ষেত্রে হিসাব আরও গুরুত্বপূর্ণ
একজন কর্মচারী বর্তমানে যে গ্রেডে আছেন, শুধু সেটি জানলেই নতুন বেতন নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
উদাহরণস্বরূপ, কারও ক্ষেত্রে—
- একই পদে নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট হয়েছে;
- পরবর্তী সময়ে উচ্চতর গ্রেড পেয়েছেন;
- আবার পদোন্নতি পেয়েছেন;
- পদোন্নতির সময় বেতন পুনর্নির্ধারণ হয়েছে;
তাহলে নতুন পে স্কেলে কোন বেতনকে ভিত্তি ধরা হবে, সেটি সংশ্লিষ্ট আদেশ ও বিধানের ওপর নির্ভর করবে।
এই কারণে পূর্ববর্তী পে ফিক্সেশন Verification Number এবং সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিশেষ করে যেসব কর্মচারীর চাকরি জীবনে একাধিকবার বেতন পুনর্নির্ধারণ হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে পুরোনো নথি যাচাই ছাড়া শুধু বর্তমান বেতন দেখে নতুন বেতন হিসাব করা ঝুঁকিপূর্ণ।
১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হলেও বাস্তবায়নে রয়েছে ধাপ
নবম পে স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। কিন্তু নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তব অর্থপ্রদান এবং ব্যক্তিগত পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়া একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে। সরকারের অনুমোদিত কাঠামো ও পরবর্তী প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বেতন বাস্তবায়ন পর্যায়ক্রমে করার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
ফলে কর্মচারীদের মধ্যে ‘পে স্কেল কার্যকর হয়েছে’ এবং ‘নতুন হারে বেতন ইতোমধ্যে হাতে এসেছে’—এই দুই বিষয়কে এক করে দেখলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
বকেয়া পাওয়ার প্রশ্নে কী বুঝতে হবে
যেহেতু নতুন স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে, তাই কর্মচারীদের মধ্যে জুলাই থেকে বকেয়া পাওনা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ রয়েছে।
তবে বকেয়া অর্থের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে আলাদা হতে পারে। কারণ নতুন মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, প্রাপ্য ভাতা, বাস্তবায়নের ধাপ এবং ইতোমধ্যে পুরোনো কাঠামোয় পরিশোধিত অর্থ—সবকিছু সমন্বয়ের পর চূড়ান্ত হিসাব হবে।
তাই শুধু নতুন বেতন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্য দিয়ে প্রত্যেক কর্মচারীর বকেয়া নির্ধারণ করা যাবে না।
কর্মচারীদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি
নতুন পে ফিক্সেশন শুরু হওয়ার আগে কর্মচারীদের কয়েকটি বিষয় যাচাই করে রাখা উচিত।
প্রথমত, নিজের এনআইডি ও জন্মতারিখের তথ্য ঠিক আছে কি না দেখতে হবে।
দ্বিতীয়ত, iBAS++-এ নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর সক্রিয় রাখতে হবে।
তৃতীয়ত, ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত মূল বেতন এবং প্রযোজ্য ১ জুলাইয়ের ইনক্রিমেন্টের তথ্য যাচাই করতে হবে।
চতুর্থত, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড, টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা পূর্ববর্তী পুনঃনির্ধারণ থাকলে সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ খুঁজে রাখতে হবে।
পঞ্চমত, পূর্ববর্তী পে ফিক্সেশনের Verification Number সংগ্রহে রাখতে হবে।
ষষ্ঠত, নতুন পে ফিক্সেশনে iBAS++ যে বেতন দেখাবে, তা আবেদন চূড়ান্ত করার আগে নিজের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।
সার্বিক বিশ্লেষণ
নবম জাতীয় পে স্কেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন ধাপ এখন আর শুধু নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা নয়; বরং প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর জন্য সেই কাঠামোয় সঠিক মূল বেতন নির্ধারণ করা।
এখানে iBAS++ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে। কর্মচারী অনলাইনে তথ্য দেবেন, DDO তা যাচাই করবেন এবং হিসাবরক্ষণ অফিস চূড়ান্ত যাচাই ও অনুমোদনের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবে।
এর ফলে পে ফিক্সেশনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় গুরুত্ব পাচ্ছে সঠিক তথ্য, সঠিক নথি এবং পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণের ধারাবাহিকতা।
বিশেষ করে একই গ্রেডে কর্মরত হলেও যাদের চাকরির ইতিহাস আলাদা, তাঁদের নতুন বেতনও আলাদা হতে পারে। তাই নতুন পে স্কেলের কোনো সাধারণ বেতন তালিকা দেখে নিজের চূড়ান্ত বেতন ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
সবশেষে, iBAS++-এ পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর তৈরি হওয়া Verification Number ভবিষ্যতে নতুন বেতন নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে। ফলে আবেদন করার আগে তথ্য যাচাই এবং অনুমোদনের পর রেকর্ড সংরক্ষণ—দুই পর্যায়েই কর্মচারীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
নবম পে স্কেলের বাস্তব সুবিধা কর্মচারীর হাতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এখন মূল চাবিকাঠি হলো সঠিক পে ফিক্সেশন। আর সেই পে ফিক্সেশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে iBAS++।

