রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রযুক্তি, জাতীয় সেবা, ভাতা ও চাকরি তথ্যের নির্ভরযোগ্য সাইট

সর্বশেষ
আয়কর রিটার্ন ২০২৬-২৭: করমুক্ত আয়ের সীমা থেকে ই-রিটার্ন, যেসব নিয়ম জানা জরুরি পেনশনের অনলাইন স্ট্যাটাসে নতুন তথ্য, অক্টোবরের বিল এন্ট্রি থেকে কী জানা যাচ্ছে? এইচএসসি ও এসএসসি রেজাল্ট দেখার সহজ নিয়ম, রোল-রেজিস্ট্রেশন ও এসএমএস পদ্ধতি স্বর্ণের দামে বড় পতন, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা Pay Scale 2026 InShort: ৯ম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ এক নজরে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ থেকে প্রিপেইড মিটার: গ্রাহকদের যেসব নিয়ম ও নম্বর জানা জরুরি সরকারি ব্যয়ের বিল তৈরিতে ডিজিটাল ব্যবস্থা, এক ফর্মেই আয়কর-ভ্যাট ও বরাদ্দের হিসাব পে-ফিকেশনে ঘুষের অভিযোগ: টাকা দাবি করলে প্রতিবাদের আহ্বান, দুর্নীতি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সরকারি বিলের ভ্যাট-আয়কর হিসাব এক ক্লিকেই, অর্থনৈতিক কোডভিত্তিক ক্যালকুলেটরে মিলবে কর্তনের বিবরণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় থেকে দুর্নীতি দমন, সরকারি কাজে গতি আনতে ২৩ দফা নির্দেশনা

বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম ২০২৬ । ব্লগ বা ওয়েবসাইটের Article Writer হতে চান?

ইংরেজি আর্টিকেল লেখার নিয়ম, কন্টেন্ট লেখার নিয়ম, আর্টিকেল কি আর্টিকেল লেখার ওয়েবসাইট, বাংলা আর্টিকেল লেখার ওয়েবসাইট, Passage article লেখার নিয়ম, বাংলা আর্টিকেল রাইটিং, আর্টিকেল কিভাবে লেখে,
বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম ২০২৬ । ব্লগ বা ওয়েবসাইটের Article Writer হতে চান? ছবি: টেকনিক্যাল আলামিন

আর্টিকেল রাইটার হওয়া খুব একটি কঠিন কাজ নয়। কোন বিষয়ে আপনার সঠিক ধারণা বা গভীর জ্ঞান থাকলেই আপনি আর্টিকেল রাইটার হতে পারবেন। তবে আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনাকে বেশি খেয়াল করতে হবে রিডার বা ভিজিটর যেন আকৃষ্ট হয়। আর্টিকেল রাইটার বা যে কোন বিষয়ে রি-রাইটার হতে গেলেই আপনাকে প্রতিদিন প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে। তা আপনি বই পড়ুন বা অনলাইন পত্রিকা বা ব্লগ পড়ুন।

প্রতিদিনই নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। নিউজ ফিডে আসা সব ধরনের তথ্য মোট তথ্য যখনই আপনি সময় পাবেন তখনই পড়বেন। এজন্য অনেকেই বলে থাকে যত বেশি লার্নিং তত বেশি আর্নিং। একজন অনলাইন আর্টিকেল রাইটার হিসেবে আমি নিজে এ কথাটি খুব বেশি বিশ্বাস করি। আজ আমি আপনাদের আর্টিকেল রাইটিং এর ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে তা নিয়েই টিপস দিবো। তো চলুন শুরু করা যাক। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ২০২২ । ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কি শিখবো?

কি লিখবেন সে বিষয়ে একটি নোট তৈরি করুন

আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে প্রথমেই আর্টিকেলের শিরোনাম ঠিক করতে হবে। এজন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করুন অথবা আপনি ইন্টারনেট হতে কি জানতে চান সেই চিন্তাটি করুন। খুজে বের করুন যা আপনি চাচ্ছেন তার কোন বিষয়টি ইন্টারনেটে নেই বা আপনি ভাল জানেন তা ওয়েবে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। শিরোনাম মাথায় রেখে আপনি ইন্টারনেট সার্চ করে হিট পয়েন্ট বা সংখ্যা তত্ত্ব বা দিন তারিখ সাল ইত্যাদি নোটডাউন করবেন। প্রয়োজনে বই বের করে হিন্টগুলো খুজে বের করবেন। বাংলা বা ইংরেজী বিষয়ে সার্চ করে দেখবেন কোন ভাষায় আপনার তথ্যটি আপনি পাচ্ছেন। আপনার যদি আরবি বা ফার্সি ভাষা জানা থাকে তবে আপনি সে ভাষাও তথ্য নিয়ে রিসার্চ করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ২০২২

তথ্য সার্চ করে খোজার সময় এমনও হয় যে, আপনি একাধিক আর্টিকেল হেডিং পেয়ে যেতে পারেন। তাই সেগুলোও আপনি Google Keep বা নোট অ্যাপে নোট করে রাখবেন। একটি লেখা লিখতে গিয়ে যেন অন্য লেখা হয়ে না যায়। যদি নতুন কোন কি-ওয়ার্ড পান তবে সেটি রেখে দিন। উক্ত বিষয়ে পরে লিখবেন। একজন অনলাইন আর্টিকেল রাইটার মূলত কোন কিছু নোটডাউন বা লিখে রাখার জন্য খাতা ব্যবহার করে না। সে গুগল ডকস বা নোট প্যাড অ্যাপ গুলোতে শর্ট নোট বা টপিস লিখে রাখে বা কপি করে রাখে।

আপনার শিরোনামের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন

আপনার লেখাকে পূর্ণতা দিতে শিরোনামে ব্যবহৃত শব্দগুলোর কি-ওয়ার্ড আপনার প্যারাগ্রাফগুলোতে ব্যবহার করুন। রিডার বা ভিজিটর যাতে আকৃষ্ট থাকে সেজন্য লেখার ধারাবাহিকতা রাখতে হবে। প্রয়োজনে ব্লগের একই ধরনের লেখার শিরোনাম এবং লিংক দিয়ে লেখায় লিংক বিল্ডিং করুন। লেখা সিম্পল ও সহজ প্রাঞ্জল ভাষায় লিখুন। লেখার বাক্য ছোট ছোট করে লিখুন। কমপ্লেক্স বাক্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। পাঠক যাতে লেখা ফেলে রেখে চলে না যায়। পাঠককে ধরে রাখতে লেখনীর মাঝে নতুন কিছু তথ্য দিন যা পাঠক অন্য কোন ব্লগে পড়েনি। প্রয়োজনে একই বিষয়ে ৮-১০ শিরোনামে আর্টিকেল লিখুন। ফ্রিল্যান্সিং করতে কি প্রয়োজন

বুলেট চিহ্ন, নম্বর এবং টেবিল ব্যবহার করুন

যে কোন বিষয়ে লিখতে হলে আপনাকে তথ্য টেবিল ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। বুলেট চিহ্ন বা স্টার চিহ্ন বা ক্রমিক নং বা নম্বর ব্যবহার করে তথ্য চিত্র তুলে ধরতে হবে। গুগলের নিকট টেবিল ও তথ্য সারসংক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া কোন বিষয় সম্পর্কে একটি সামারি বা এক জায়গায় সমস্ত তথ্য দেখতে বা সারমর্ম জানতে বুলেট তথ্য এবং টেবিল খুবই জনপ্রিয়। খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো আবার যেন রোরিং না হয়। এমন তথ্য থাকতে হবে যা পড়েই ভিজিটর আকৃষ্ট হয় এবং লিংক শেয়ার করে। এগুলো মূলত কোন আর্টিকেল বা কনটেন্ট এর মাঝামাঝিতে ব্যবহার করতে হয়। কোন দিক নির্দেশনা বা তুলনামূলক চিত্র ফুটিয়ে তুলতেই টেবিল ব্যবহার অপরিহার্য।

ইমেজ বা ছবি ব্যবহার করলে রিডার বা ভিজিটর এক পলকে বিষয়বস্তু খুজে পায়

গুগল বা ভিজিটর ঠিক এমন একটি পোস্ট চায় যেখানে প্রমান স্বরুপ কোন ছবি বা ইমেজ দেখতে পায় এবং ভিডিও পাইলে তো কথাই নেই। যে কোন বিষয় লেখা পড়ে বোঝার থেকে ছবি দেখে বোঝা খুবই সহজ। তবে ইমেজে যদি টেক্স থাকে অথবা লেখার মূল থিম থাকে তবে সেটি খুবই ভাল বিষয়। এছাড়া ইমেজ যদি টিউটোরিয়াল হিসেবে ব্যবহার করা হয় তবে তো কথাই নেই কারণ গুগল এটি খুবই পছন্দ করে থাকে। ফ্রিল্যান্সিং কি? এটি কিভাবে করতে হয়?

লেখার লেনথ অবশ্যই ৮০০-২০০০ ওয়ার্ড পর্যন্ত হলে ভাল হয়। খুব বেশি দীর্ঘ লেখা পাঠক পড়তে বিরক্ত বোধ করতে পারে। আপনার লেখা যদি খুব দীর্ঘ করতে হয় তবে ভিন্ন শিরোনামে আরও একটি আর্টিকেল লিখুন। আর্টিকেল টাইমার বা পড়ার সময় কোন ভাবে ৮-১৫ মিনিট ক্রস করা যাবে না। তবে স্ট্যান্ডার্ড টাইম হচ্ছে ৭-১০ মিনিট ধরে লেখা পড়া যায় এমন লেখা। তাই পাঠকের ধৈর্য্যের পরীক্ষা না নিয়ে পোস্ট যথা সম্ভব ৮০০ হতে সর্বোচ্চ ২০০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে রাখুন।

বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম কি? বাংলা আর্টিকেল লেখার জন্য কিছু নিয়ম ও দিকনির্দেশনা রয়েছে। নিম্নে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নিয়ম দেওয়া হলো-

পরিচয়: আর্টিকেলের শুরুতে প্রথমে একটি পরিচয় দিন। পরিচয়ে লেখকের নাম, সংস্থা বা ওয়েবসাইটের নাম, লেখকের পদবী ইত্যাদি উল্লেখ করা উচিত।

শিরোনাম: একটি আর্টিকেলের শিরোনাম কর্তৃক সংক্ষেপে আর্টিকেলের বিষয় ব্যক্ত করা উচিত। শিরোনামে ক্রিয়ামূলক বাক্য বা বিশেষণ ব্যবহার করুন।

প্রবেশদ্বার: একটি আর্টিকেলে প্রবেশদ্বার ব্যবহার করা হয় যাতে পাঠকরা সংক্ষেপে আর্টিকেলের বিষয় বুঝতে পারে। প্রবেশদ্বারে কম্পারিজন, প্রশ্ন, উদ্ধৃতি বা মতামত সহ কিছু আকর্ষণীয় কথা লিখতে পারেন।

প্রধান অংশ: প্রধান অংশে আর্টিকেলের প্রধান বিষয় গুলো সুসজ্জিত আকারে উপস্থাপন করতে হয়। বিস্তারিত বিবরণ সংযুক্ত করে লিখতে হয়।

অনুসন্ধান এবং পরিবর্তনশীলতা: বাংলা আর্টিকেল লেখার সময় অনুসন্ধান করুন এবং নতুন ও আপডেটেড তথ্য উপযুক্ত করুন। আর্টিকেলের মধ্যে একটি সূত্র বা তথ্যসমূহের উল্লেখ দিন যদি সম্ভব হয়।

ধারাবাহিকতা: আর্টিকেলে একটি স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন। প্রথমে একটি প্রস্তুতি লিখে দিন, তারপরে মাঝের অংশে বিভিন্ন ধারাবাহিক প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করুন যা বিভিন্ন সম্পর্কিত বিষয়গুলি আলোচনা করে। সমাপ্তিতে একটি সারাংশ দিন যাতে পাঠকরা মূল ধারাবাহিকতা সংক্ষেপে পেতে পারেন।

প্রমাণাদের ব্যবহার: আর্টিকেলে তথ্য প্রদানের সময় প্রমাণাদের ব্যবহার করুন।

লেখা রিভিশন করে পোস্ট করুন

আপনি এত কষ্ট করে যে লেখাটি লিখেছেন তা অবশ্যই একবার ভাল করে পড়ে দেখবেন। এই প্রুফ রিডিংয়ের সময় আপনার লেখায় বানান ভুল থাকলে তা সংশোধন করুন। যদি ভাবের কোন অসংগতি থাকে তাও এডিট করুন। লেখার ভাব প্রকাশে যদি কোন বাক্য যুক্ত করতে হয় করুন অন্যথায় অপ্রয়োজনীয় বাক্য কেটে দিন। লেখা জাস্টিফাই করে দিন। প্রতিটি প্যারা দৃশ্যমান কিনা তা খেয়াল করুন। আপনি যদি এই পোস্টের পাঠক হতেন তাহলে লেখায় কি কি বিষয় চাইতেন বা যা শিরোনাম দেখে চাচ্ছেন তা পাচ্ছেন কিনা ভাল করে চেক করুন। অতপর ব্লগে বা ফেসবুক পেইজে পোস্ট করুন। ধন্যবাদ

বি:দ্র: আর্টিকেল লেখা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। এটিতে ধৈর্য এবং পরিশ্রম দুটিই জরুরি। তাই আপনাকে ক্রমান্বয়ে এগুতে হবে।

https://technicalalamin.com/blogging-or-youtube-income-%e0%a5%a4-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d/

মন্তব্য (৪)

  1. Dipankar Biswas ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ২৩:৫১

    Nice post. Thanks a lot

    উত্তর দিন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য প্রকাশের আগে মন্তব্য নীতিমালা পড়ুন।