eps.boesl.gov.bd registration 2024 । কোরিয়া লটারি 2024 আবেদন কবে ছাড়বে

eps.boesl.gov.bd registration 2024 । কোরিয়া লটারি 2024 আবেদন কবে ছাড়বে

অনলাইনে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার আবেদন ২০ ও ২১ তারিখ ১০ টায় শুরু হবে – eps.boesl.gov.bd registration 2024

দক্ষিণ কোরিয়া লটারি রেজিস্ট্রেশন লিংক? – কোরিয়া প্রজাতন্ত্র-এর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তির ভিত্তিতে এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) কর্মসূচির বাস্তবায়ন করা হয়। ইপিএস কর্মসূচির আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার উৎপাদন শিল্পে বাংলাদেশি প্রার্থীদের চাকরির লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার নির্ধারিত জব রোস্টারে অন্তর্ভুক্তির জন্য কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষায় (ইউবিটি) অংশগ্রহণে নিম্নবর্ণিত যোগ্যতা ও শর্তপূরণ সাপেক্ষে নির্ধারিত নিবন্ধন সাইট eps.boesl.gov.bd অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।

কোরীয় ভাষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা কি? কোরিয়ান ভাষা পড়া, লেখা ও বোঝার পারদর্শিতা থাকতে হবে।  শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি/সমমান। বয়স সীমা ১৮ থেকে ৩৯ বছর (জন্ম তারিখ মার্চ ৪, ১৯৮৫ হতে মার্চ ৩, ২০০৬ এর মধ্যে হতে হবে)। পাসপোর্ট-এর মেয়াদ ৪ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত হালনাগাদ থাকা সাপেক্ষে। পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে নাম ও জন্ম তারিখ এবং ছবির মিল থাকতে হবে। পোশাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ ও কথোপকথনে অবশ্যই মার্জিত হতে হবে।  3D (Dirty, Difficult and Dangerous) কাজ করার আগ্রহ থাকতে হবে। কালার ব্লাইন্ডনেস বা রঙ বোঝার সক্ষমতার সমস্যা মুক্ত হতে হবে। মাদকাসক্ত/সিফিলিস শনাক্ত ব্যক্তিগণ অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। ফৌজদারি অপরাধে জেল বা অন্য কোনো শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানকারীগণ অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে এমন ব্যক্তিগণ অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন এবং ই-৯ বা ই-১০ ভিসায় কোরিয়াতে ৫ বছরের বেশি অবস্থানকারীগণ অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

অনলাইন প্রাথমিক নিবন্ধন (লটারি) নিয়ম কি? কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষায় (ইউবিটি)’তে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রার্থীগণ আগামী ৪ মার্চ ২০২৪ তারিখ সকাল ১০টা হতে ৫ মার্চ ২০২৪ বিকাল ৫ টায় পর্যন্ত নির্ধারিত নিবন্ধন ফি ৫০০/- (পাঁচশ) টাকা + বিকাশ চার্জ (অফেরতযোগ্য) বিকাশ গেটওয়ের মাধ্যমে জমা করে Transaction ID গ্রহণ পূর্বক নির্ধারিত নিবন্ধন সাইট eps.boesl.gov.bd-এ চাহিত তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, পিতা ও মাতার নাম, পাসপোর্ট নম্বর, নিজ-পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য) পূরণ করে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে আগে আপনার হালনাগাদ পাসপোর্টের জন্য উপরে বর্ণিত নিবন্ধন ফি প্রদান করে তারপর সংশ্লিষ্ট Transaction ID ব্যবহার করে নিবন্ধন করতে হবে। প্রার্থীগণকে বিকাশের মাধ্যমে ফি প্রদানপূর্বক প্রাপ্ত Transaction ID সংরক্ষণ করতে হবে কারণ এটি ছাড়া নিবন্ধন করা যাবে না। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের পর নিবন্ধন সাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ফি প্রদান করা থাকলেও আর নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে না। ফলে আগামী ৫ মার্চ ২০২৪ তারিখ বিকাল ৪.৩০ টার পর নির্ধারিত নিবন্ধন ফি বিকাশ গেটওয়ার মাধ্যমে প্রদান না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যদি কোনো প্রার্থীর নির্ধারিত নিবন্ধন ফি জমা দেয়ার পরও বিকাশ থেকে Transaction ID না পেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে বিকাশ হটলাইন নম্বর ১৬২৪৭-এ যোগাযোগ করে Transaction ID নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। যারা অনলাইন চূড়ান্ত নিবন্ধন-২০২৪ (কোরিয়ান ভাষা পারদর্শী)-এ আবেদন করে প্রবেশ পত্র গ্রহণ করেছেন, তাদেরকে উক্ত আবেদন না করার জন্য অনুরোধ করা হলো। কোনো প্রার্থীর অনলাইন চূড়ান্ত নিবন্ধন-২০২৪ (কোরিয়ান ভাষা পারদর্শী) এবং অনলাইন প্রাথমিক নিবন্ধন-২০২৪ (লটারি) আবেদন পাওয়া গেলে উক্ত প্রার্থীকে আগামী দুই বছরের জন্য কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে পারবে না মর্মে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।

কোরিয়ান ভাষা পারদর্শী সার্কুলার ২০২৪ । কোরিয়া লটারি ২০২৪ কবে ছাড়বে । কোরিয়া লটারি সার্কুলার ২০২৪

যারা অনলাইন চূড়ান্ত নিবন্ধন-২০২৪ (কোরিয়ান ভাষা পারদর্শী)-এ আবেদন করে প্রবেশ পত্র গ্রহণ করেছেন, তাদেরকে উক্ত আবেদন না করার জন্য অনুরোধ করা হলো। কোনো প্রার্থীর অনলাইন চূড়ান্ত নিবন্ধন-২০২৪ (কোরিয়ান ভাষা পারদর্শী) এবং অনলাইন প্রাথমিক নিবন্ধন-২০২৪ (লটারি) আবেদন পাওয়া গেলে উক্ত প্রার্থীকে আগামী দুই বছরের জন্য কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে পারবে না মর্মে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।

Caption: Check Details

কোরিয়া যাওয়ার ধাপসমূহ । কোরীয় ভাষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের করণীয় কি?

  • (ক) ১ম ধাপ আবেদনের তারিখ ও সময় ঘোষণা-প্রতি বছর নিবন্ধনের সময় ঘোষণা করা হয় । তারিখ ও সময় জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, বোয়েসেল-এর ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে প্রচার করা হয়। ওয়েবসাইটের ঠিকানা- www.boesl.gov.bd
  • (খ) ২য় ধাপ প্রার্থীদের অনলাইনে প্রাথমিক নিবন্ধন করার পদ্ধতি –নির্ধারিত সময়ে বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ে-এর মাধ্যমে নিবন্ধন ফি ৫০০/- (পাঁচশ) টাকা পরিশোধ করতে হবে ও বিকাশ পেমেন্ট-এর ট্রানজেকশন আইডি সংগ্রহ ।নির্ধারিত ফরম অনুযায়ী পাসপোর্টকপিসহ আবেদন সম্পন্ন করা। বিকাশ পেমেন্ট ট্রানজেকশন আইডি নম্বও আবেদন ফরমে উল্লেখ করে বোয়েসেল-এর ওয়েবসাইটে প্রদান। নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর কনফারমেশন ফরম প্রিন্ট কর।
  • (গ) ৩য় ধাপ নিবন্ধনকৃত প্রার্থীদের লটারি- প্রাপ্ত সঠিক আবেদন থেকে লটারির মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন। লটারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের চূড়ান্ত নিবন্ধনের জন্য তারিখ ও সময় বোয়েসেল-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে বোয়েসেল অফিসে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত ২১০০/- টাকা ফি জমা দিয়ে চূড়ান্ত ভাবে নিবন্ধন করা ।
  • (ঘ) ৪র্থ ধাপ প্রত্যেক প্রার্থীকে কোরীয় ভাষায় অংশগ্রহণ – নিজ উদ্যোগে কোরীয় ভাষা শিখতে হবে । বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত সরকারি টিটিসিগুলোতে সুযোগ রয়েছে। যে কোনো বেসরকারি কোরীয় ভাষা প্রশিক্ষণ সেন্টার থেকে কোরীয় ভাষা শেখা যায়।
  • (ঙ) ৫ম ধাপ চূড়ান্ত নিবন্ধনকৃত প্রার্থীদের কোরীয় ভাষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ- প্রতিবছর এইচ.আর.ডি কোরিয়া কর্তৃক কোরীয় ভাষা পরীক্ষার তারিখ ও সময় ঘোষণা করা হয়। এইচ.আর.ডি কোরিয়া কোরীয় ভাষা পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে ।কোরীয় ভাষা পরীক্ষার স্থান ও সময় বোয়েসেল-এর ওয়েবসাইটে প্রকশ করা হবে।
  • (চ) ৬ষ্ঠ ধাপে কোরীয় ভাষা পরীক্ষা অংশগ্রহণকারীদের করণীয়-এইচ.আর.ডি কোরিয়া কোরীয় ভাষা পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করে থাকে। প্রার্থীকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। কোরীয় ভাষা পরীক্ষার ফলাফল বোয়েসেল-এর ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে প্রচার করা হবে । কোরীয় ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এইচ.আর.ডি কোরিয়া কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে কম্পিটেন্সি টেস্ট ও স্কীল টেস্ট গ্রহণ করা হয়।
  • ৭ম ধাপ উত্তীর্ণ প্রার্থীদের করণীয় কি? এইচ.আর.ডি কোরিয়া স্কীল টেস্টে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল ঘোষণা করা যাতে স্কীল টেস্টের চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল জেলা ভিত্তিক সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য নোটিশ বোয়েসেল-এর ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে প্রচার করা হয় । উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিজ নিজ এজলার সিভিল সার্জনের মধ্যেমে নির্ধারিতে তারিখে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। বোয়েসেল-এ নির্ধারিত জব এপ্লিকেশন ফরমসহ পাসপোর্ট কপি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ জমা করতে হয়। চূড়ান্ত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তথ্য জব রোস্টারের জন্য বোয়েসেল এইচ.আর.ডি কোরিয়ার ডাটাবেইজ সার্ভারে তথ্য প্রদান করে থাকে। বোয়েসেল কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য এইচ.আর.ডি কোরিয়া যাচাই করে থাকে এবং পর্যায়ক্রমে জব রোস্টার সম্পন্ন করে । জব রোস্টারের মেয়াদ রোস্টারভুক্ত হওয়ার দিন থেকে ১ম ধাপে এক বছর ও ২য় ধাপে এক বছরসহ মোট ২ বছর।
  • (জ) ৮ম ধাপ রোস্টারকৃত প্রার্থীদের লেবার কন্ট্রাক্ট ইস্যুর পর করণীয়- কোরিয়াস্থ স্মল মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ (এসএমই)-এর চাহিদা মোতাবেক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কর্মী হিসেবে নিয়োগের জন্য কর্মসংস্থান ও শ্রম মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হয়। কোরিয়াস্থ কর্মসংস্থান ও শ্রম মন্ত্রণালয় এসএমই কর্তৃক কর্মী নিয়োগের চাহিদা যাচাই বাচাই করে অনুমোদন প্রদান করে থাকে । কোরিয়াছ কর্মসংস্থান ও শ্রম মন্ত্রণালয় বাৎসরিক কোটা অনুযায়ী এসএমই-এর চাহিদার প্রেক্ষিতে রেন্ডম ভিত্তিতে জব রোস্টার থেকে লেবার কন্ট্রাক্ট প্রদান করে থাকে । বোয়েসেল ও এইচ.আর.ডি কোরিয়ার নির্ধারিত SPAS থেকে লেবার কন্ট্রাক্ট গ্রহণ ও অনুমোদন করে থাকে।
  • (ঝ) ৯ম ধাপ লেবার কন্ট্রাক্ট প্রাপ্ত কর্মীদের করণীয়- লেবার কন্ট্রাক্ট প্রাপ্ত কর্মীদের বিকেটিটিসি’তে ৪৮ ঘণ্টার প্রিলিমিনারী প্রশিক্ষণ, যক্ষা পরীক্ষা ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহের জন্য বোয়েসেল ওয়েবসাইটে নোটিশ প্রদান ও এসএমএস প্রেরণ করে থাকে।লেবার কন্ট্রাক্ট প্রাপ্ত কর্মীগণ প্রিলিমিনারী প্রশিক্ষণ সম্পন্নের পর বোয়েসেল অফিসে মূল পাসপোর্ট, প্রশিক্ষণ সনদ, ভিসা ফরম, নির্ধারিত ই৯/ই১০/এইচ২ স্ট্যাটাস ফরম, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও ভিসা সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্টস এবং বোয়েসেল-এর সার্ভিস চার্জ ২৩,১৮৪/- (ভ্যাটসহ), বোয়েসেল ডাটাবেইজ ফি ২০০/-, ভিসা ফি ৫,১০০/-, বহির্গমন ফি ৩,৫০০/-, স্মার্ট কার্ড ফি ২৫০/- এবং উৎসে আয়কর বাবদ ৮০০/- টাকাসহ সর্বমোট ৩৩,০৩৪/- টাকার পে-অর্ডার এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিলে ১১৪৫/- টাকার পৃথক পে-অর্ডার প্রদান করতে হয়। এছাড়া রি-এন্ট্রি (কমিটেড/স্পেশাল সিবিটি) কর্মীদের পৃথক পে-অর্ডার প্রদানের প্রয়োজন নেই । কোরিয়াগামী জেনারেল কর্মীদের ফেরতযোগ্য একলক্ষ টাকার পে-অর্ডার এবং কমিটেড/স্পেশাল সিবিটি কর্মীদের ফেরতযোগ্য তিন লক্ষ টাকার পে-অর্ডার বোয়েসেলকে প্রদান করতে হয়।
  • (ঞ) ১১ ধাপ সিসিভিআই (ভিসা) প্রাপ্ত কর্মীদের করণীয়- বোয়েসেল সিসিভিআই প্রাপ্ত কর্মীদের ভিসা স্ট্যাম্পিং করার জন্য ঢাকাস্থ কোরিয়া দূতাবাসে পাসপোর্ট জমা করে। · ভিসা ও এইচ.আর.ডি কোরিয়া থেকে ফ্লাইট-এর তালিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত এয়ারলাইন্সে টিকেটের জন্য বোয়েসেল বুকিং দিয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জ্ঞাতার্থে ফ্লাইটের তারিখ, টিকেটের টাকা জমা সংক্রান্ত ও বোয়েসেল কর্তৃক ৩ দিনের কোরীয় ভাষা ও কালচার প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য বোয়েসেল-এর ওয়েবসাইটে প্রচার ও এসএমএস প্রেরণ করা হয়।বোয়েসেল-এর তথ্যের ভিত্তিতে কর্মীকে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স অফিসে উপস্থিত হয়ে টিকেটের নির্ধারিত অর্থ জমা প্রদান করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়া গমনের পূর্বে বোয়েসেল কর্তৃক নির্ধারিত ৩ দিনের কোরীয় ভাষা ও কালচার প্রশিক্ষণ উপস্থিত হয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়া গমনের পূর্বে বোয়েসেল কর্তৃক ৮ ঘণ্টার আচরণ পরিবর্তন প্রেরণা প্রশিক্ষণ সম্পন্নের পর সংশ্লিষ্ট কর্মীকে পাসপোর্ট ও টিকেট বিতরণ করা হয়। বোয়েসেল-এর প্রতিনিধি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উপস্থিত হয়ে দক্ষিণ কোরিয়াগামী কর্মীদের বিদায় জানায়। বোয়েসেল কর্তৃক কোরিয়া গমনরত কর্মীগণকে এইচ.আর.ডি কোরিয়া, কোরিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও কোরিয়াস্থ নিয়োগকারী কোম্পানি বিমানবন্দর থেকে গ্রহণ করে প্রশিক্ষণ ও মেডিকেলের উদ্দেশ্যে কর্মীদেরকে KBIZ Training Center-এ নিয়ে যায়। প্রশিক্ষণ শেষে তারা চাকরিতে যোগদান করে । নিয়োগপ্রাপ্তকর্মী EPS এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে যে কোনো সময় তাঁর চাকরি সংক্রান্ত তথ্য নিজেই জানার সুযোগ রয়েছে। কোরিয়ায় চাকুরিতে যোগদানের পর কর্মীগণ প্রাথমিকভাবে ৩ বৎসর এরপর আরও ১ বৎসর মাস চাকুরি করতে পারবে। বৈধভাবে উক্ত চাকুরি সম্পন্ন করলে পুন:রায় কোরিয়া যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ড্রাগ টেস্ট করে কোরিয়া গিয়েও ফেরত আসে?

ইপিএস টপিকে উত্তীর্ণতা শুধু মাত্র জব অ্যাপ্লিকেশন করার যোগ্যতাকে নিশ্চিত করে, কোরিয়ায় চাকরির নিশ্চয়তা বহন করে না। অধিকন্তু যে সব ব্যক্তি মেডিক্যাল টেস্টে অনুত্তীর্ণ হবে এবং কোরিয়ায় অবৈধ থাকার অভিজ্ঞতা আছে অথবা ই-৯ নির্ণায়কে পড়ে না, তারা কোরিয়ায় চাকরি পাবে না। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশের পর ড্রাগ টেস্ট’এ পজিটিভ হলে কোরিয়া থেকে ফেরত পাঠানো হবে। বাংলাদেশ সরকার-এর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-এর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালর-এর মধ্যকার সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী একমাত্র বোয়েসেল বৈধভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় শ্রমিক প্রেরণ করতে পারবে। ইপিএস-টপিক’এ উত্তীর্ণ হওয়ার পর যাদের জব রোস্টার কোরিয়ান কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হবে তাদের মধ্য থেকেই কোরিয়ান শিল্প মালিকরা শ্রমিক নিয়োগ দিতে পারবে। অন্য কোন জনশক্তি রফতানিকারী এজেন্ট বা ভাষাশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর ব্যত্যয় ঘটালে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।ইপিএস টপিক সিবিটি’র নিবন্ধন ও পরীক্ষার ফি’র পর কোরিয়ায় প্রবেশ পর্যন্ত যে ব্যয় হবে তা বৈধ প্রেরণ ব্যয় হিসেবে বোয়েসেল-এর হোম পেইজে প্রকাশিত থাকবে।

One comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *