সাব-রেজিস্ট্রার বেতন ভাতাদি ২০২৫ । কেন মানুষ বিসিএস ক্যাডার ছেড়ে নন-ক্যাডারে যোগ দেয়? - Technical Alamin

Kazançlı bahis deneyimi arayan herkes için Bettilt doğru seçimdir.

Canlı rulet oyunları, Bettilt bonus kodu stüdyolarında gerçek masalarda oynanır.

Modern tasarımı ve sade yapısıyla Bettilt kolay kullanım sağlar.

Yüksek oranlı maç kuponlarıyla kazanç fırsatı sunan Bettilt giris ilgi odağı.

Canlı destek hizmetiyle kullanıcı sorunlarını hızla çözen bahis siteleri profesyonel bir ekibe sahiptir.

Latest News

সাব-রেজিস্ট্রার বেতন ভাতাদি ২০২৫ । কেন মানুষ বিসিএস ক্যাডার ছেড়ে নন-ক্যাডারে যোগ দেয়?

দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে একজন রেজিস্টার এর পরই সাব-রেজিস্টার দায়িত্ব পালন করে থাকে-নন ক্যাডার হলেও এটি ৯ম গ্রেডের নন ক্যাডার বেতন ভাতাদি ক্যাডার হতে কম না বরং সম্মানও বেশি পাওয়া যায়–সাব-রেজিস্ট্রার বেতন ভাতাদি ২০২৫

সাব রেজিস্ট্রার পদের বেতন কত?– বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে আইন ও বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন নিবন্ধন অধিদফতরের অধীনে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়। জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর ৯ম গ্রেডে এসব কর্মকর্তা বেতন ভাতা পান। পরবর্তীতে রেজিস্টার পদে ৫ম স্কেলে বেতন ধাপ ৪৩০০০ – ৬৯৮৫০ টাকা। সর্বশেষ ৬৯৮৫০ টাকা বেতন হলে পরবর্তীতে গ্রেড পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আর বেতন বৃদ্ধি হয় না। মূল বেতন ছাড়াও চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা এবং বাড়ি ভাড়া ভাতা ৪০-৫০% পেয়ে থাকে চাকরির অবস্থান অনুসারে। বাচ্চা থাকলে ৫০০-১০০০ টাকা শিক্ষা ভাতা পান। সব মিলিয়ে মোট বেতন প্রায় ৩৫০০০ টাকা পেয়ে থাকেন।

কেন কর্মকর্তারা তথ্য ক্যাডার ছেড়ে অন্য ক্যাডার বা নন-ক্যাডারে চলে যায়? বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে বেতারে যোগ দিয়ে ১০ বছরেও পদোন্নতি হয় না। পদোন্নতি না হওয়ার কারণে আর্থিক ক্ষতির চেয়েও মর্যাদাসংকটে বেশি ভুগতে হয়। এ কারণে অনেক কর্মকর্তা তথ্য ক্যাডার ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবতে বাধ্য হয়। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যে, তথ্য ক্যাডার কর্মকর্তা ক্যাডার ছেড়ে নন ক্যাডার সাব-রেজিস্টার পদে যোগ দিচ্ছে। সরকার ক্যাডার বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও বাড়বে।

সাব-রেজিস্টার কি প্রথম শ্রেণীর? হ্যাঁ। একজন সাব-রেজিস্ট্রার ৯ম গ্রেডের ফার্স্ট ক্লাস অফিসার কিন্তু, নন-ক্যাডার পদে কর্মরত থাকেন। বিসিএস ক্যাডাররা হলেন ফার্স্ট ক্লাস ক্যাডার অন্যদিকে সাব-রেজিস্ট্রার হল ফার্স্ট ক্লাস নন-ক্যাডার। এখানে পার্থক্য মূলত ক্যাডার আর নন ক্যাডার। নন-ক্যাডার পোস্টগুলা মূলত ব্লক পোস্ট হয় অর্থাৎ মানে প্রমোশন খুব একটা হয়না হলেও অনেক কষ্টে অল্প প্রমোশন পাওয়া যায়। অন্যদিকে বেশিরভাগ ক্যাডারেই মোটামুটি স্মুথ প্রমোশন থাকে কিছু কিছু মন্ত্রণালয় ছাড়া। থানার ওসি (ইন্সপেক্টর)-ও সাব-রেজিস্ট্রারের মতোই ফার্স্ট ক্লাস নন-ক্যাডার।

প্রথম শ্রেনীর নন-ক্যাডার পদে সাব-রেজিস্টার হওয়া কিছু ক্যাডার কর্মকর্তার থেকেও বর্তমানে সম্মানের হয়ে থাকে। তাই কিছু তরুন ক্যাডার নয় বরং নন ক্যাডারকে বেছে নিচ্ছেন।

ভূমি নিবন্ধনের দায়িত্ব সাব-রেজিস্ট্রারের তবে জমি নিবন্ধনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী প্রায় সব কার্যক্রমই সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয় থেকে পরিচালিত হয়। মাঝখানে দলিল সম্পাদন ছাড়া আইন ও বিচার বিভাগের আওতাধীন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অন্য কোনো দায়িত্ব নেই।

সাব-রেজিস্ট্রার বেতন ভাতাদি ২০২৪ । কেন বিসিএস ক্যাডার ছেড়ে নন-ক্যাডারে যোগ দেয়?

Caption: Release Order From MOI.GOV.BD

রেজিস্ট্রারের ক্ষমতা ও কর্তব্য ২০২৫ । একজন সাব-রেজিস্টার কি কি কাজ করে থাকেন?

  1. সাব-রেজিস্ট্রারের কর্তব্য হচ্ছে রেজিস্টারের বৈধ নির্দেশ সম্পন্ন করতে হয়।
  2. জেলা রেজিস্ট্রারের নিমন্ত্রনে ও তত্তাবধানে সাব-রেজিস্ট্রার তার দায়িত্ব পালন করবেন ২(ধারা ৬৮)। উইল ব্যতীত অন্য স্থাবর সম্পত্তি রেজিস্ট্রার নিবন্ধন করলে তিনি সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রারকে অবহিত করবেন।
  3. ধারা ৮০ ক হতে ৮০৩ পর্যন্ত ধারায়-টাউট সম্পর্কে ব্যাবস্থা নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে সাব-রেজিস্ট্রারের।
  4. সন্দেহজনক টাউট সম্পর্কে তদন্ত করা তাদের তালিকা ঝুলিয়ে দেয়া, অফিস প্রাঙ্গন হতে তাদেরকে বের করে দেয়া এবং প্রয়োজন বোধে তাদের আটক, বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন।
  5. এই সাব-রেজিস্ট্রারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে।
  6. সাব-রেজিস্ট্রারের বিশেষ কর্তব্য ধারা ৬৩ ক হতে ৬৫ ধারায় সাব-রেজিস্ট্রারের বিশেষ কর্তব্য সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
  7. দলিল বর্ণিত সম্পত্তির মূল্য যদি বাজার দর থেকে কম দেখানো হয়, তাহলে তিনি উপস্থাপন কারীকে যথাযথ মূল্যমান দেখায়ে প্রয়োজনীয় ফিস ডিউটি প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
  8. এটা মান্য করতে ব্যর্থ হলে তা অসাদারণ হিসেবে গণ্য হবে।
  9. ৬৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক সাব-রেজিস্ট্রার উইল ছাড়া অন্যান্য সম্পত্তির দলিল যা সম্পূর্ণ তার এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় পড়ে না সেগুলোও নিবন্ধন করতে পারেন।
  10. সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট এ সম্পর্কে একটা মেমোরেন্ডাম পাঠাবেন। সম্পত্তি বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক জেলার রেজিস্টারের নিকট এরূপ মোমো পাঠাতে হবে ( ধারা ৬৫) ।
  11. রেজিস্ট্রারের বিশেষ কর্তব্য উইল ব্যতীত অন্যাঅন্য দলিল রেজিস্ট্রার নিবন্ধন করলে তিনি সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার রেজিষ্ট্রারকে অবহিত করবেন (ধারা ৬৬)।

সাব-রেজিস্ট্রার হওয়ার যোগ্যতা কি?

এখন বাংলাদেশ কর্মকমিশন অর্থাৎ পিএসসি কর্তৃক সুপারিশকৃত হতে হয়। সর্বশেষ বিসিএস পাশ করা প্রার্থীগণ যাদের ক্যাডারে ঠাই হয়নি তারা নন ক্যাডার পদ অর্থাৎ সাব-রেজিস্টারের মত পদগুলোতে নিয়োগ পেয়েছেন। সাব রেজিস্ট্রার হওয়ার প্রার্থীদের একটি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। একবার নিযুক্ত হলে, সাব-রেজিস্ট্রাররা সম্পত্তির দলিল, লিজ, বন্ধকী এবং উইল সহ বিভিন্ন ধরণের নথি নিবন্ধনের জন্য দায়ী। তারা একজন জেলা রেজিস্টারের অধীন কর্মদায়িত্ব পালন করে থাকেন।

https://bdservicerules.info/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *