সরকারে বড় রদবদল ২০২৬ । ৮ প্রতিমন্ত্রী ও ২ উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন করিল সরকার? - Technical Alamin
Latest News

সরকারে বড় রদবদল ২০২৬ । ৮ প্রতিমন্ত্রী ও ২ উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন করিল সরকার?

রাষ্ট্রীয় কাজে গতিশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মন্ত্রিসভার আটজন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই পরিবর্তন এনেছেন। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পৃথক গেজেটে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীদের নতুন দায়িত্বের তালিকা

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত দায়িত্বগুলোতে সংশোধন এনে বেশ কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীর কাজের পরিধি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। নতুন বিন্যাস অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন:

প্রতিমন্ত্রীর নাম পূর্ববর্তী দায়িত্ব (আংশিক/সম্পূর্ণ) বর্তমান সুনির্দিষ্ট দপ্তর
মো. শরিফুল আলম বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, খাদ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
হাবিবুর রশিদ রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
মো. রাজিব আহসান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগ
মো. জোনায়েদ সাকি অর্থ ও পরিকল্পনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ফারজানা শারমীন মহিলা ও শিশু, সমাজকল্যাণ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মো. নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
ববি হাজ্জাজ শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

উপদেষ্টাদের বাড়তি দায়িত্ব

রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। মন্ত্রী পদমর্যাদার এই দুই উপদেষ্টাকে এখন থেকে নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দেখভালের দায়িত্বও পালন করতে হবে:

  • নজরুল ইসলাম খান: বর্তমান পদের পাশাপাশি তাকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ: বর্তমান পদের পাশাপাশি তাকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তাদের মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৭ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য বিষয়গুলো অপরিবর্তিত থাকবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অনেক ক্ষেত্রে একজন প্রতিমন্ত্রীর অধীনে একাধিক বড় দপ্তর থাকায় কাজের চাপ কমাতে এবং বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করতে এই ‘ডাউনসাইজিং’ বা দপ্তর সুনির্দিষ্টকরণ করা হয়েছে। এর ফলে মন্ত্রণালয়গুলোর নীতিনির্ধারণী কাজে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *