জ্বালানি তেলে দাম ২০২৬ । দেশের বাজারে পেট্রোলের লিটার কত?
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে অস্থিরতা থাকলেও, সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে এপ্রিল ২০২৬ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে মার্চ মাসের নির্ধারিত দরেই এপ্রিল মাসেও জ্বালানি তেল বিক্রি হবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
জ্বালানি তেলের বর্তমান মূল্য (এপ্রিল ২০২৬)
| জ্বালানির ধরন | প্রতি লিটারের দাম (টাকা) |
| পেট্রোল | ১১৬ টাকা |
| অকটেন | ১২০ টাকা |
| ডিজেল | ১০০ টাকা |
| কেরোসিন | ১১২ টাকা |
মূল পয়েন্টগুলো একনজরে:
-
পেট্রোলের দাম: দেশের বাজারে বর্তমানে প্রতি লিটার পেট্রোল ১১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
-
দাম না বাড়ার কারণ: যদিও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং বিপিসি (BPC) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল, তবে সরকার জনস্বার্থে ভর্তুকি দিয়ে দাম স্থিতিশীল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
-
মজুদ পরিস্থিতি: বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল মজুদ রয়েছে এবং এপ্রিল মাসে আরও আমদানির প্রক্রিয়া চলমান আছে, তাই সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তেলের দাম কি সরকার বাড়াবে না?
জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আপনার ধারণা একদম সঠিক। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকলেও বাংলাদেশ সরকার আপাতত তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ ৩১ মার্চ ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে:
-
দাম অপরিবর্তিত: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ নিশ্চিত করেছেন যে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও জনস্বার্থে এবং বোরো মৌসুমে কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে দেশে তেলের দাম বাড়ানো হবে না।
-
ভর্তুকি অব্যাহত: আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও সরকার বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে দাম স্থিতিশীল রাখছে। তথ্যমতে, সরকার দৈনিক গড়ে প্রায় ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।
-
এপ্রিলের জন্য নির্ধারিত দাম: আগামীকাল ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকেও তেলের দাম মার্চ মাসের মতোই থাকছে:
-
ডিজেল: ১০০ টাকা (লিটার)
-
কেরোসিন: ১১২ টাকা (লিটার)
-
পেট্রোল: ১১৬ টাকা (লিটার)
-
অকটেন: ১২০ টাকা (লিটার)
-
সারকথা হলো: সরকার আপাতত দাম বাড়াচ্ছে না, বরং বর্তমান দামেই এপ্রিল মাসজুড়ে তেল বিক্রি হবে। তবে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রতি মাসেই দাম সমন্বয় করা হয়, তাই মে মাসে বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

