৯ম পে স্কেল নিউজ

পে-স্কেল গেজেট ২০২৬: বাড়িভাড়া নীতিমালায় ‘উল্টো হিসাব’, গ্রেড বাড়লেও কেন কমছে বাড়িভাড়া?

জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশের পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বেতন কাঠামোর পাশাপাশি বাড়িভাড়া ভাতার হার নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অর্থ বিভাগ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে এবং এতে কর্মস্থলের এলাকা ও গ্রেডভেদে বাড়িভাড়ার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে গেজেটের বাড়িভাড়া কাঠামোর একটি নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—গ্রেড-১৬ থেকে গ্রেড-১৫-এ উন্নীত হওয়ার পরও নির্দিষ্ট এলাকার কর্মচারীর বাড়িভাড়া ভাতার শতাংশ ৪৫% থেকে ৩৫%-এ নেমে যাচ্ছে। ফলে মূল বেতনের পার্থক্য যথেষ্ট না হলে উচ্চতর গ্রেডের কর্মচারী নিচের গ্রেডের কর্মচারীর তুলনায় কম বাড়িভাড়া পেতে পারেন।

এটি নিছক শতাংশের পরিবর্তন নয়; বরং মূল বেতন × বাড়িভাড়া হার—এই দুটি উপাদান একসঙ্গে বিবেচনা করলে একটি ‘উল্টো ফল’-এর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

গেজেটে কী বলা হয়েছে?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্রেড-২০ থেকে ১৬ পর্যন্ত মূল বেতনের ৬০%, গ্রেড-১৫ থেকে ১০ পর্যন্ত ৫০%, গ্রেড-৯ থেকে ৫ পর্যন্ত ৪৫% এবং গ্রেড-৪ থেকে ১ ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ে ৪০% বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে নির্ধারিত বড় শহর, সিটি করপোরেশন, সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকায় হার যথাক্রমে ৫০%, ৪০%, ৩৫% ও ৩০%; আর অন্যান্য এলাকায় গ্রেড-২০ থেকে ১৬ পর্যন্ত ৪৫%, গ্রেড-১৫ থেকে ১০ পর্যন্ত ৩৫%, গ্রেড-৯ থেকে ৫ পর্যন্ত ৩০% এবং গ্রেড-৪ থেকে ১ ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ে ২৫% নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ ব্যবহারকারীদের আলোচনায় যে ৪৫% বনাম ৩৫% পার্থক্যটি উঠে এসেছে, সেটি বিশেষ করে দেশের অন্যান্য এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


কোথায় তৈরি হচ্ছে অসংগতির প্রশ্ন?

ধরা যাক, দেশের অন্যান্য এলাকায় নতুন কাঠামোর প্রারম্ভিক মূল বেতনগুলোকে ভিত্তি ধরে হিসাব করা হলো। তাহলে চিত্রটি এমন দাঁড়ায়—

গ্রেড মূল বেতন বাড়িভাড়া হার বাড়িভাড়া
২০ ২০,০০০ ৪৫% ৯,০০০
১৯ ২০,৫০৪ ৪৫% প্রায় ৯,২২৫
১৮ ২১,০০০ ৪৫% ৯,৪৫০
১৭ ২১,৪০০ ৪৫% ৯,৬৩০
১৬ ২১,৯০০ ৪৫% ৯,৮৫৫
১৫ ২২,৮০০ ৩৫% ৭,৯৮০
১৪ ২৩,৫০০ ৩৫% ৮,২২৫
১৩ ২৪,০০০ ৩৫% ৮,৪০০
১২ ২৪,৫০০ ৩৫% ৮,৫৭৫
১১ ২৫,০০০ ৩৫% ৮,৭৫০

এই হিসাবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটি হলো গ্রেড-১৬ বনাম গ্রেড-১৫

গ্রেড-১৬-এর মূল বেতন ২১,৯০০ টাকা হলে ৪৫% বাড়িভাড়া দাঁড়ায় ৯,৮৫৫ টাকা। কিন্তু গ্রেড-১৫-এর মূল বেতন ২২,৮০০ টাকা হলেও ৩৫% হারে বাড়িভাড়া হয় ৭,৯৮০ টাকা

অর্থাৎ মূল বেতন ৯০০ টাকা বাড়লেও বাড়িভাড়া কমে যাচ্ছে—

৯,৮৫৫ – ৭,৯৮০ = ১,৮৭৫ টাকা।

এখানেই প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রেড-১১ বনাম গ্রেড-২০: আরও অদ্ভুত চিত্র

প্রদত্ত হিসাব অনুযায়ী গ্রেড-২০-এর বাড়িভাড়া—

২০,০০০ × ৪৫% = ৯,০০০ টাকা।

অন্যদিকে গ্রেড-১১-এর বাড়িভাড়া—

২৫,০০০ × ৩৫% = ৮,৭৫০ টাকা।

অর্থাৎ একই এলাকার ক্ষেত্রে এই উদাহরণে গ্রেড-২০ কর্মচারী গ্রেড-১১ কর্মচারীর চেয়ে মাসে ২৫০ টাকা বেশি বাড়িভাড়া পাবেন।

এখানে অবশ্য একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি—এটি শুধু বাড়িভাড়া ভাতার হিসাব। মোট বেতন বা মোট প্রাপ্তি নির্ধারণে মূল বেতন, চিকিৎসা ভাতা, অন্যান্য ভাতা, কর্তন এবং প্রযোজ্য অন্যান্য সুবিধা বিবেচনা করতে হবে। তাই শুধু বাড়িভাড়া দিয়ে পুরো আয় কাঠামোকে ‘উল্টো’ বলা যাবে না।

কিন্তু বাড়িভাড়া ভাতার নিজস্ব কাঠামোতে এই বিপরীত ফলটি যে একটি বাস্তব গাণিতিক অসংগতি তৈরি করতে পারে, তা হিসাব থেকেই স্পষ্ট।


১০ শতাংশ হার কমানোর প্রভাব কতটা?

এখানে মূল বিষয় হলো শতাংশের পার্থক্য

৪৫% থেকে ৩৫%—অর্থাৎ হার কমেছে ১০ শতাংশ-পয়েন্ট

২২,৮০০ টাকা মূল বেতনের ক্ষেত্রে—

৪৫% হলে বাড়িভাড়া হতো ১০,২৬০ টাকা

৩৫% হলে হচ্ছে ৭,৯৮০ টাকা

পার্থক্য—

১০,২৬০ – ৭,৯৮০ = ২,২৮০ টাকা।

অর্থাৎ একই ২২,৮০০ টাকা মূল বেতনের ওপর হার ৪৫% থেকে ৩৫%-এ নামিয়ে দিলে মাসে ২,২৮০ টাকা কমে যায়।

বার্ষিক হিসাবে এর পরিমাণ—

২,২৮০ × ১২ = ২৭,৩৬০ টাকা।

তবে এই তুলনাটি একটি কাল্পনিক/বিশ্লেষণাত্মক তুলনা—বাস্তবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কোন এলাকার বাসিন্দা/কর্মস্থলে আছেন এবং গেজেটের কোন শ্রেণির আওতায় পড়ছেন, সেটিই প্রযোজ্য হার নির্ধারণ করবে।


প্রশ্ন শুধু ১০ শতাংশের নয়, ‘গ্রেড জাম্প’-এর

একটি বেতন কাঠামোর ক্ষেত্রে সাধারণত উচ্চতর গ্রেডের সঙ্গে আর্থিক সুবিধা বাড়ার প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু বাড়িভাড়া যদি মূল বেতনের শতাংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়, তখন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে:

মূল বেতন বাড়ছে—কিন্তু শতাংশ কমে গেলে মোট বাড়িভাড়া কমেও যেতে পারে।

এখানে সেটিই ঘটছে গ্রেড-১৬ থেকে গ্রেড-১৫-এর সীমান্তে।

গ্রেড-১৬ → ২১,৯০০ টাকা
বাড়িভাড়া → ৪৫%
বাড়িভাড়া → ৯,৮৫৫ টাকা

গ্রেড-১৫ → ২২,৮০০ টাকা
বাড়িভাড়া → ৩৫%
বাড়িভাড়া → ৭,৯৮০ টাকা

অর্থাৎ উচ্চতর গ্রেডে গিয়ে মূল বেতন বাড়লেও বাড়িভাড়া কমেছে ১,৮৭৫ টাকা।

এ ধরনের ‘থ্রেশহোল্ড ইফেক্ট’ বা সীমান্ত-পরবর্তী আকস্মিক পতনই মূলত কর্মচারীদের আপত্তির কেন্দ্রবিন্দু।


তবে সব এলাকার কর্মচারীর ক্ষেত্রে একই চিত্র নয়

এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। ২০২৬ সালের গেজেটে বাড়িভাড়া শুধু গ্রেডের ভিত্তিতে নয়, কর্মস্থলের এলাকার ভিত্তিতেও নির্ধারিত হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০-১৬ গ্রেডের হার ৬০% এবং ১৫-১০ গ্রেডের হার ৫০%। ফলে সেখানে একই ধরনের তুলনা করলে হিসাব ভিন্ন হবে।

তাই ‘পে-স্কেলের বাড়িভাড়া সবার জন্য ৪৫% থেকে ৩৫%’—এমন সাধারণীকরণ সঠিক হবে না।

বরং আলোচনার বিষয়টি হওয়া উচিত—

দেশের অন্যান্য এলাকায় গ্রেড-১৬ থেকে গ্রেড-১৫-এ যাওয়ার সময় বাড়িভাড়ার হার ৪৫% থেকে ৩৫%-এ নেমে যাওয়ায় কিছু বেতন স্তরে বাড়িভাড়ার পরিমাণ উল্টো কমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

এই ভাষাটিই গেজেটের কাঠামোর সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।


১১ থেকে ২০ গ্রেডে এক হার নির্ধারণের দাবি কেন উঠছে?

কর্মচারীদের পক্ষ থেকে যে যুক্তিটি সামনে আসছে, তার মূল ভিত্তি হলো—গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১১ পর্যন্ত মূল বেতনের ব্যবধান ধাপে ধাপে বাড়লেও অনেক ক্ষেত্রে তা এমন পর্যায়ের নয় যে বাড়িভাড়ার হার ১০ শতাংশ-পয়েন্ট কমিয়ে দেওয়ার ফলে সৃষ্ট পার্থক্য সহজে সমন্বিত হয়।

তাই একটি মত হলো, গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১১ পর্যন্ত একই বাড়িভাড়া হার নির্ধারণ করলে গ্রেড পরিবর্তনের সময় বাড়িভাড়ার আকস্মিক পতন থাকবে না।

বিশেষ করে ৪৫% হার অপরিবর্তিত রাখলে উপরের উদাহরণে গ্রেড-১৫-এর বাড়িভাড়া হতো ১০,২৬০ টাকা এবং গ্রেড-১১-এর বাড়িভাড়া হতো ১১,২৫০ টাকা। অর্থাৎ গ্রেড যত বাড়বে, বাড়িভাড়াও ধারাবাহিকভাবে বাড়ত।

এটি একটি নীতিগত দাবি, গেজেটের বর্তমান বিধান নয়।


সরকারের জন্য মূল নীতিগত প্রশ্ন কোথায়?

এখানে মূল প্রশ্ন কেবল ‘কত শতাংশ বাড়িভাড়া’ নয়। বরং বেতন কাঠামো তৈরির সময় গ্রেডের ধারাবাহিকতা এবং ভাতার হার—দুটিকে একসঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্য করা হয়েছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

যদি একটি গ্রেডের সর্বশেষ ধাপ থেকে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডের প্রথম ধাপে যাওয়ার পর কোনো ভাতা হঠাৎ কমে যায়, তাহলে সেটিকে নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে আলাদা করে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

কারণ এতে তিনটি বিষয় সামনে আসে—

প্রথমত, উচ্চতর গ্রেডে পদোন্নতির আর্থিক সুবিধা কতটা কার্যকর থাকছে।

দ্বিতীয়ত, বাড়িভাড়া ভাতার শতাংশ কমানোর ফলে নির্দিষ্ট বেতন স্তরে ‘উল্টো সুবিধা’ তৈরি হচ্ছে কি না।

তৃতীয়ত, পুরো বেতন-ভাতা কাঠামোতে গ্রেড পরিবর্তনের সময় কোনো negative jump বা আর্থিক সুবিধার আকস্মিক পতন তৈরি হচ্ছে কি না।


১ জানুয়ারি ২০২৮ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পে-স্কেলের বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হলেও বাড়িভাড়ার নতুন হার ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হওয়ার বিষয়টি গেজেটের কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত।

অর্থাৎ বাড়িভাড়ার হার নিয়ে যে হিসাব এখন আলোচিত হচ্ছে, সেটির কার্যকর হওয়ার সময়ও বিবেচনায় রাখতে হবে।

এ কারণে কর্মচারীদের প্রকৃত আর্থিক সুবিধা নির্ধারণে শুধু নতুন মূল বেতন ও শতাংশ গুণ করলেই হবে না; কোন তারিখ থেকে কোন হার কার্যকর হচ্ছে, সেটিও দেখতে হবে।


এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: ৪৫% কি সবার জন্য হওয়া উচিত?

এটি শেষ পর্যন্ত একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। বর্তমান গেজেটে এলাকা ও গ্রেডভেদে আলাদা হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে প্রদত্ত হিসাব থেকে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে আলোচনার দাবি রাখে—দেশের অন্যান্য এলাকায় গ্রেড-১৬ ও গ্রেড-১৫-এর সীমান্তে ৪৫% থেকে ৩৫%-এ হার কমানোর কারণে বাড়িভাড়া ভাতায় সাময়িক/আকস্মিক পতন তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে—

গ্রেড-১৬: ২১,৯০০ × ৪৫% = ৯,৮৫৫ টাকা
গ্রেড-১৫: ২২,৮০০ × ৩৫% = ৭,৯৮০ টাকা

ফলে মাত্র এক গ্রেড উন্নীত হওয়ার পরও বাড়িভাড়া কমছে ১,৮৭৫ টাকা

আর গ্রেড-২০ বনাম গ্রেড-১১-এর প্রদত্ত উদাহরণে—

গ্রেড-২০: ৯,০০০ টাকা
গ্রেড-১১: ৮,৭৫০ টাকা।

এই সংখ্যাগুলোই দেখাচ্ছে, বেতন গ্রেডের ঊর্ধ্বমুখী ক্রম এবং বাড়িভাড়া ভাতার হার একসঙ্গে না মেলালে নির্দিষ্ট স্তরে আর্থিক সুবিধার ধারাবাহিকতা ভেঙে যেতে পারে।

উপসংহার

জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ নিয়ে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এতদিন ছিল মূল বেতন, পে-ফিক্সেশন ও বাস্তবায়নকাল। গেজেট প্রকাশের পর এখন ভাতার কাঠামোর সূক্ষ্ম দিকগুলোও সামনে আসছে। বাড়িভাড়া নীতিমালায় ৪৫% থেকে ৩৫%-এ হার কমার সীমান্তটি সেই আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কর্মচারীদের দাবি—গ্রেড-২০ থেকে ১১ পর্যন্ত একই হারে, অন্তত ৪৫% বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হোক। অন্যদিকে সরকারের বর্তমান কাঠামোতে এলাকা ও গ্রেডভেদে বাড়িভাড়ার হার আলাদা রাখা হয়েছে।

এখন মূল বিবেচনার বিষয় হতে পারে—বাড়িভাড়া ভাতার হার এমনভাবে পুনর্বিন্যাস করা যায় কি না, যাতে উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত হওয়ার পর কোনো কর্মচারীর নির্দিষ্ট ভাতা আগের গ্রেডের তুলনায় অপ্রত্যাশিতভাবে কমে না যায়।

কারণ একটি বেতন কাঠামোর সফলতা শুধু সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন কত—তা দিয়ে বিচার করা যায় না; প্রতিটি গ্রেডের মধ্যবর্তী সিঁড়িগুলো কতটা যৌক্তিক, ধারাবাহিক ও বৈষম্যহীন—সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগের ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ সংক্রান্ত প্রকাশনা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত গেজেটভিত্তিক প্রতিবেদন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *