ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিংয়ে ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকার বাজেট, নগদ সহায়তায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ
দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক, ডিজিটাল ও তথ্যনির্ভর করার উদ্দেশ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচি ২০২৬’-এর জন্য মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা প্রস্তাবিত বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেটের সবচেয়ে বড় অংশ—২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা—সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা হিসেবে উপকারভোগীদের দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বজনীন পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ, কিউআর কোডযুক্ত স্মার্ট কার্ড, ডাটা এন্ট্রি, প্রশিক্ষণ, প্রচার ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর জন্যও পৃথক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
প্রাপ্ত ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬’-এর ১৮ ও ১৯ নম্বর পৃষ্ঠার তথ্য বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া যায়।
৪০ হাজার পরিবার দিয়ে নগদ সহায়তার পাইলটিং
গাইডলাইনে ফ্যামিলি কার্ডের নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির মোট পাইলটিং লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার পরিবার। প্রথম পর্যায়ে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ১৪টি পাইলট ইউনিটে ১০ হাজার পরিবার অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে জুন ২০২৬ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে মোট ৪০ হাজার পরিবারে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
কর্মসূচির উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ মার্চ ২০২৬।
তবে নগদ সহায়তার আওতায় পরিবার সংখ্যা ৪০ হাজার হলেও ফ্যামিলি কার্ড ও তথ্যভান্ডার তৈরির আওতা অনেক বড়। গাইডলাইনে জুন ২০২৬ পর্যন্ত ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ, পাইলটিংয়ের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে—একদিকে নির্দিষ্ট ৪০ হাজার অতি-দরিদ্র পরিবারকে নগদ সহায়তা, অন্যদিকে বৃহত্তর সংখ্যক পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি।
নগদ সহায়তায় বরাদ্দ ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা
বাজেটের সবচেয়ে বড় খাত হলো ‘কল্যাণ অনুদান’। এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৬৬ দশমিক ০৬ শতাংশ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে নগদ সহায়তা দেওয়ার হিসাব করা হয়েছে। মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত নতুন পরিবার পর্যায়ক্রমে যুক্ত হওয়ায় চার মাসে মোট ১ লাখ পরিবার-মাস সহায়তা দেওয়ার হিসাব তৈরি হয়েছে।
এর কাঠামোটি হলো—
- মার্চ ২০২৬: ১০ হাজার পরিবার—৪ মাসের ভাতা পাওয়ার যোগ্য
- এপ্রিল ২০২৬: নতুন ১০ হাজার পরিবার—৩ মাস
- মে ২০২৬: নতুন ১০ হাজার পরিবার—২ মাস
- জুন ২০২৬: নতুন ১০ হাজার পরিবার—১ মাস
- মোট সহায়তা ইউনিট: ১ লাখ পরিবার-মাস
প্রতি পরিবার-মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা হিসাবে মূল নগদ সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ কোটি টাকা। এর সঙ্গে নগদ উত্তোলনের ০.৬ শতাংশ ক্যাশ-আউট চার্জসহ মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
এতে বোঝা যায়, বাজেটের মূল দর্শন হচ্ছে প্রশাসনিক ব্যয়ের পরিবর্তে বরাদ্দের বড় অংশ সরাসরি উপকারভোগীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।
৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহ
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সার্বজনীন পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ।
গাইডলাইনে ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়েছে। এর জন্য যাতায়াত ও মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ ব্যয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মোট বাজেটের হিসাবে এ খাতের অংশ প্রায় ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ।
তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে পরিবারভিত্তিক তথ্য ফরম পূরণ, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের যাতায়াত এবং বিভিন্ন ইউনিটে জরিপ পরিচালনার ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
গাইডলাইনের হিসাবে, কার্যক্রমটি পর্যায়ক্রমে ৫৬টি ইউনিটে বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতি পর্যায়ে নতুন ইউনিট যুক্ত হওয়ার ফলে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চার মাসে ৫৬টি ইউনিটের মাধ্যমে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার হিসাব করা হয়েছে।
কিউআর কোডযুক্ত স্মার্ট কার্ডে ৫ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা
ফ্যামিলি কার্ডকে শুধু কাগজভিত্তিক পরিচয়পত্র না রেখে ডিজিটাল ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য কিউআর কোডযুক্ত স্মার্ট কার্ড ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
এই খাতে ফরম, কার্ড মুদ্রণ ও অন্যান্য সরবরাহসহ মোট ৫ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মোট বাজেটের প্রায় ১৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ এ খাতে ব্যয় হবে।
গাইডলাইনের বিস্তারিত হিসাবে ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের জন্য কিউআর কোডযুক্ত স্মার্ট কার্ড তৈরির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের ফরম মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ের ব্যয়ও এই বৃহত্তর খাতের মধ্যে রাখা হয়েছে।
এর ফলে ভবিষ্যতে ফ্যামিলি কার্ড একটি ডিজিটাল সামাজিক সুরক্ষা পরিচয় হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ডাটা এন্ট্রিতে বরাদ্দ ৮৬ লাখ টাকা
জরিপের মাধ্যমে সংগৃহীত বিপুল তথ্য ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ডাটা এন্ট্রি ও আইটি লজিস্টিকস খাতে মোট ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মোট বাজেটের অংশ হিসেবে এটি প্রায় ২ দশমিক ২৬ শতাংশ।
গাইডলাইনের বিস্তারিত হিসাবে ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের তথ্য অনলাইনে এন্ট্রির জন্য প্রতি ফরম ২৫ টাকা হিসাবে ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ রয়েছে। এর সঙ্গে আইটি-সংক্রান্ত অন্যান্য ব্যয় মিলিয়ে সারসংক্ষেপে এ খাতের মোট বরাদ্দ ৮৬ লাখ টাকা ধরা হয়েছে।
এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সংগৃহীত তথ্যকে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজে যুক্ত করার কাঠামো তৈরি হবে।
প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক কাজে ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা
কর্মসূচি বাস্তবায়নে কর্মকর্তা, কর্মচারী, তথ্য সংগ্রহকারী ও কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্য ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মোট বাজেটের প্রায় ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ এই খাতে ব্যয় হবে।
বাজেটের বিস্তারিত বিবরণে মাঠপর্যায়ের সুপারভাইজারদের সম্মানী, প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন, আপ্যায়ন, স্টেশনারি ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয়ের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশেষ করে ৫৬টি ইউনিটে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুপারভাইজার নিয়োগের হিসাবও রাখা হয়েছে। এতে কর্মসূচির দ্রুত বাস্তবায়ন এবং তথ্য সংগ্রহের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রচার, ডকুমেন্টারি ও উদ্বোধনে ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা
কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণকে জানানো, প্রচার-প্রচারণা, ডকুমেন্টারি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট বাজেটের প্রায় ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এই খাতে যাবে।
এর মধ্যে প্রচার ও বিজ্ঞাপন, প্রকাশনা, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং অডিও-ভিডিও বা ডকুমেন্টারি তৈরির মতো ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাজেটের খাতভিত্তিক চিত্র
| প্রধান খাত | বরাদ্দ | মোট বাজেটের অংশ |
|---|---|---|
| সরাসরি নগদ সহায়তা/কল্যাণ অনুদান | ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা | ৬৬.০৬% |
| মাঠ পর্যায়ের জরিপ ও তথ্য সংগ্রহ (TA/DA) | ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা | ১২.৬১% |
| স্মার্ট কার্ড, ফরম ও সরবরাহ | ৫ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা | ১৩.৩৫% |
| প্রশিক্ষণ, সম্মানী ও প্রশাসনিক ব্যয় | ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা | ৩.৩৫% |
| ডাটা এন্ট্রি ও আইটি লজিস্টিকস | ৮৬ লাখ টাকা | ২.২৬% |
| প্রচার, ডকুমেন্টারি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান | ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা | ২.৩৭% |
| সর্বমোট | ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা | ১০০% |
কেন ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহ?
ফ্যামিলি কার্ডের নগদ সহায়তা ৪০ হাজার পরিবারকে কেন্দ্র করে হলেও তথ্য সংগ্রহের পরিধি ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবার হওয়াটি কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এর ফলে শুধু বর্তমান নগদ সহায়তার উপকারভোগী নির্বাচন নয়, ভবিষ্যতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণে একটি বড় পরিবারভিত্তিক তথ্যভান্ডার তৈরির সুযোগ তৈরি হবে।
অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ডকে কেবল নগদ টাকা দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে না দেখে পরিবারের আর্থসামাজিক তথ্য, পরিচয় এবং সামাজিক সুরক্ষা সুবিধাকে একটি ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
জিটুপি পদ্ধতিতে অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা
বাজেট বিশ্লেষণে সরাসরি আর্থিক সহায়তাকে একটি জিটুপি (G2P—Government to Person) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপকারভোগীর হিসাবে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ধরনের কাঠামোর উদ্দেশ্য হলো মধ্যবর্তী ধাপ কমিয়ে সরকারি সহায়তা সরাসরি নির্ধারিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে ডিজিটাল তথ্যভান্ডার, স্মার্ট কার্ড এবং অনলাইন ডাটা এন্ট্রির সমন্বয় হলে উপকারভোগী শনাক্তকরণ ও কর্মসূচি ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে।
কর্মসূচির বাস্তবায়ন কাঠামোয় ৫৬ ইউনিট
গাইডলাইনের বিস্তারিত বাজেটে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে নতুন ইউনিট যুক্ত করার হিসাব রয়েছে। চার মাসে প্রতি মাসে ১৪টি করে নতুন ইউনিট ধরে মোট ৫৬টি ইউনিটে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনার হিসাব করা হয়েছে।
এই ইউনিটগুলোতে তথ্য সংগ্রহ, ফরম পূরণ, ডাটা এন্ট্রি, কার্ড বিতরণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ফলে কর্মসূচির সাফল্য শুধু নগদ অর্থ বিতরণের ওপর নির্ভর করবে না; বরং সঠিক পরিবার নির্বাচন, নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ, ডাটাবেজ তৈরি এবং কার্ড বিতরণ—প্রতিটি ধাপের সমন্বিত বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
সামগ্রিক বিশ্লেষণ
প্রস্তাবিত ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকার বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অর্থের সবচেয়ে বড় অংশ সরাসরি নগদ সহায়তায় বরাদ্দ থাকলেও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অর্থ ব্যয় হবে জরিপ, স্মার্ট কার্ড, ডাটা ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও প্রচারে।
এখানে দুটি স্তরের কার্যক্রম স্পষ্ট—প্রথমত, ৪০ হাজার অতি-দরিদ্র পরিবারকে নগদ সহায়তা দেওয়া; দ্বিতীয়ত, ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ফ্যামিলি কার্ডভিত্তিক একটি বিস্তৃত তথ্য কাঠামো তৈরি করা।
বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে এ ধরনের কর্মসূচির কার্যকারিতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নগদ সহায়তা যথাসময়ে ও সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো, জরিপের তথ্যের নির্ভুলতা, ডাটাবেজের নিরাপত্তা, কার্ড ব্যবস্থাপনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে।
সব মিলিয়ে, গাইডলাইনে উপস্থাপিত বাজেট কাঠামোতে নগদ সামাজিক সহায়তা, পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ এবং ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থাকে একই কর্মসূচির মধ্যে যুক্ত করার একটি পাইলট কাঠামো দেখা যাচ্ছে। তবে এটি প্রস্তাবিত পাইলট বাজেট; বাস্তবায়নের সময় সরকারি অনুমোদন, বরাদ্দ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো খাতে পরিবর্তন হতে পারে।

