শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রযুক্তি, জাতীয় সেবা, ভাতা ও চাকরি তথ্যের নির্ভরযোগ্য সাইট

সর্বশেষ
সরকারি বিলের ভ্যাট-আয়কর হিসাব এক ক্লিকেই, অর্থনৈতিক কোডভিত্তিক ক্যালকুলেটরে মিলবে কর্তনের বিবরণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় থেকে দুর্নীতি দমন, সরকারি কাজে গতি আনতে ২৩ দফা নির্দেশনা সরকারি সেবা পেতে কমবে ভোগান্তি? সেবা সহজীকরণ নির্দেশিকা–২০২৬-এ প্রক্রিয়া পুনর্বিন্যাসের গুরুত্ব সরকারি কর্মচারীদের বেতন বিল তৈরিতে নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ, তথ্য দিলেই স্বয়ংক্রিয় হিসাব ও PDF ০৩ মাসের বকেয়া বিলের হিসাব অটো : মূল বেতন থেকে বকেয়া নিরূপণ, এক ক্যালকুলেটরেই মিলবে মাসওয়ারি হিসাব আইবাস++-এ জিপিএফ ত্রুটিতে বেতন বিল দাখিলে জটিলতা, ডিডিও অপশনে সংশোধনের পরামর্শ টিন আছে, রিটার্ন নেই: ই-রিটার্নে জরিমানার অঙ্ক দেখে ঘাবড়াবেন না, আইনে আছে মওকুফের পথ এইচএসসি ফল প্রকাশ শনিবার: অনলাইনে ও এসএমএসে ফল জানার নিয়ম, পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণ অনুদানের নতুন হার নির্ধারণ, চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা নতুন বেসিকে অক্টোবরের বেতন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি, পে-ফিকেশন অনুমোদনে যেসব বিষয় জানা জরুরি

একুশে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । ভাষা শহীদ দিবস কবে, কোথায় এবং কিভাবে পালিত হয় বিস্তারিত

একুশে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । ভাষা শহীদ দিবস কবে, কোথায় এবং কিভাবে পালিত হয় বিস্তারিত
একুশে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । ভাষা শহীদ দিবস কবে, কোথায় এবং কিভাবে পালিত হয় বিস্তারিত ছবি: টেকনিক্যাল আলামিন

আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার। আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ আরও অনেক বীর সন্তান ঢাকার রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন।

২০২৬ সালে এই বিশেষ দিনটি যেভাবে পালন করা হচ্ছে, তার বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

১. কখন পালিত হয়? (সময়)

  • শুরু: ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে (রাত ১২:০১ মিনিটে) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

  • প্রভাতফেরি: সকালবেলা খালি পায়ে হেটে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি গেয়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

২. কোথায় পালিত হয়? (স্থান)

  • কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার: ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হলো উদযাপনের মূল কেন্দ্রবিন্দু।

  • আজিমপুর কবরস্থান: যেখানে ভাষা শহীদদের কবর রয়েছে, সেখানে অনেকে ফাতেহা পাঠ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান।

  • সারা বাংলাদেশে: দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শহীদ মিনার এবং পাড়া-মহল্লায় দিবসটি পালিত হয়।

  • বিশ্বজুড়ে: ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ায় বর্তমানে বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে এটি পালিত হচ্ছে।

৩. কিভাবে পালিত হয়? (কর্মসূচি ও রীতি)

২০২৬ সালের কর্মসূচিতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে:

  • রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা: রাত ১২:০১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা (বা প্রধানমন্ত্রী) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, কূটনীতিক এবং সাধারণ মানুষের জন্য মিনার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

  • প্রতীকী চিহ্ন: শোকের প্রতীক হিসেবে সবাই বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করেন।

  • অর্ধনমিত পতাকা: সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।

  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বইমেলা: বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অমর একুশে বইমেলা চলে। রেডিও, টেলিভিশন এবং সংবাদপত্রে বিশেষ অনুষ্ঠান ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়।

  • ধর্মীয় প্রার্থনা: মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ সকল উপাসনালয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও দেশের শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।

  • বিশেষ ছাড়: ২০২৬ সালের এই দিনে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এবং বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে শিশু, শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে।


একুশের মূল চেতনা

একুশ মানে মাথা নত না করা। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে নিজের মাতৃভাষাকে ভালোবাসা এবং তার মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য প্রকাশের আগে মন্তব্য নীতিমালা পড়ুন।