শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুদানের আবেদন শুরু; জানুন বিস্তারিত নিয়ম
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিশেষ অনুদান প্রদানের লক্ষ্যে আবেদন আহ্বান করেছে। দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মী এবং অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কারা এবং কেন আবেদন করতে পারবেন?
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই অনুদান প্রদান করা হবে:
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিও) তাদের মেরামত, সংস্কার, আসবাবপত্র ক্রয়, খেলাধুলার সরঞ্জাম ও পাঠাগার উন্নয়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।
- শিক্ষক-কর্মচারী: বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীগণ তাদের দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন করতে পারবেন।
- ছাত্র-ছাত্রী: সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাধ্যমিক থেকে স্নাতক পর্যন্ত) সকল অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থী এই অনুদানের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। বিশেষ করে যারা শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, দুরারোগ্য ব্যাধি বা চরম আর্থিক সংকটে ভুগছে, তারা অগ্রাধিকার পাবে।
আবেদনের সময়সীমা ও পদ্ধতি
অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
- আবেদন মাধ্যম: প্রার্থীদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.shed.gov.bd) অথবা সরাসরি myGov (মাইগভ) পোর্টালে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আবেদনপত্রের সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়নপত্র এবং চিকিৎসা বা আর্থিক অবস্থার সপক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি আপলোড করতে হবে।
বিশেষ শর্তাবলি
১. কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর এই অনুদান পাবে না; সাধারণত ৩ বছর পর পর আবেদনের সুযোগ থাকে।
২. অনুদানের টাকা সরাসরি আবেদনকারীর নিবন্ধিত মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন- নগদ) নম্বরে পাঠানো হবে। তাই সচল এবং ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর প্রদান করা বাধ্যতামূলক।
৩. অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রকৃত অভাবী ও যোগ্য ব্যক্তিদের বাছাই করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।


