বেতন নির্ধারণের সহজ পদ্ধতি ২০২৬: ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতিতে’ নতুন বেতন কত হবে, হিসাব করবেন যেভাবে
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয়গুলোর একটি হলো নতুন মূল বেতন কীভাবে নির্ধারণ হবে। শুধু নতুন গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন দেখলেই নিজের নতুন বেতন জানা যাবে না। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত মূল বেতন, পুরোনো বেতন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ এবং নতুন বেতন স্কেলের ধাপ—এই তিনটি বিষয় মিলিয়ে হিসাব করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূলত দুটি পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়েছে। পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপেই যাঁদের মূল বেতন রয়েছে, তাঁদের নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপে বেতন নির্ধারণ করা হবে। আর যাঁদের মূল বেতন পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপের চেয়ে বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’।
‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’ কী?
সহজ ভাষায়, একজন চাকরিজীবী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পুরোনো বেতন স্কেলে যে মূল বেতন পাচ্ছেন, সেখান থেকে ওই স্কেলের প্রারম্ভিক মূল বেতন বাদ দিতে হবে। এতে যে অর্থ পাওয়া যাবে, সেটিই হলো পার্থক্য।
এরপর সেই পার্থক্য নতুন বেতন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করতে হবে।
সহজ সূত্র
পার্থক্য = ৩০ জুনের মূল বেতন − পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন
এরপর—
নতুন নির্ধারিত বেতন = নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন + পার্থক্য
তবে যোগফলটি যদি নতুন বেতন স্কেলের কোনো নির্ধারিত ধাপের সঙ্গে সরাসরি না মেলে, তাহলে পরবর্তী উচ্চতর ধাপে বেতন নির্ধারণ করতে হবে।
উদাহরণে বুঝুন পুরো হিসাব
প্রজ্ঞাপনভিত্তিক আলোচিত উদাহরণে ধরা হয়েছে, একজন কর্মচারীর ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে মূল বেতন ১৩,৭৯০ টাকা।
তাঁর পুরোনো বেতন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ ১২,৫০০ টাকা।
প্রথমে পার্থক্য বের করতে হবে—
১৩,৭৯০ − ১২,৫০০ = ১,২৯০ টাকা
অর্থাৎ তাঁর পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের তুলনায় অতিরিক্ত অংশ ১,২৯০ টাকা।
এবার নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট প্রারম্ভিক বেতন যদি ২৫,০০০ টাকা হয়, তাহলে—
২৫,০০০ + ১,২৯০ = ২৬,২৯০ টাকা
কিন্তু নতুন বেতন স্কেলে যদি ২৬,২৯০ টাকা নামে কোনো ধাপ না থাকে, তাহলে ২৬,২৯০ টাকা মূল বেতন নির্ধারণ করা হবে না। এর পরিবর্তে পরবর্তী উচ্চতর নির্ধারিত ধাপে, অর্থাৎ ২৬,৩০০ টাকা, বেতন নির্ধারণ হবে।
এখানেই ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি রয়েছে—যোগফল পাওয়া গেলেই সেটিই চূড়ান্ত বেতন নয়; নতুন স্কেলের নির্ধারিত ধাপের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।
ছবির ১৪তম গ্রেডের উদাহরণে কীভাবে হিসাব হবে?
আপনার দেওয়া ছবিতে ১৪তম গ্রেডের পুরোনো প্রারম্ভিক বেতন ১০,২০০ টাকা এবং ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন ১৩,০৫০ টাকা ধরে উদাহরণ দেখানো হয়েছে।
সেক্ষেত্রে—
১৩,০৫০ − ১০,২০০ = ২,৮৫০ টাকা
অর্থাৎ পার্থক্য দাঁড়ায় ২,৮৫০ টাকা।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার। ছবির উদাহরণে নতুন স্কেলের ১৪তম গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন ২১,০০০ টাকা ধরে হিসাব দেখানো হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে প্রকাশিত জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এর গ্রেড তালিকায় ১৪তম গ্রেডের নতুন বেতনক্রম ২৩,৫০০ টাকা থেকে শুরু।
তাই বর্তমান ২০২৬ সালের স্কেল ধরে একই পার্থক্য প্রয়োগ করলে হিসাব হবে—
২৩,৫০০ + ২,৮৫০ = ২৬,৩৫০ টাকা
এরপর দেখতে হবে নতুন ১৪তম গ্রেডের বেতনক্রমে ২৬,৩৫০ টাকা নামে কোনো নির্ধারিত ধাপ আছে কি না। না থাকলে পরবর্তী উচ্চতর ধাপে বেতন নির্ধারণ করতে হবে।
অর্থাৎ পুরোনো কোনো পোস্ট বা ছবিতে থাকা প্রস্তাবিত স্কেলের অঙ্কের সঙ্গে বর্তমানে প্রকাশিত চূড়ান্ত স্কেলের অঙ্ক এক করে দেখা যাবে না।
কেন ৩০ জুনের মূল বেতন এত গুরুত্বপূর্ণ?
নতুন স্কেলে একই গ্রেডে থাকা দুই কর্মচারীর বেতন সবসময় একই হবে—এমনটি নয়।
একজন একই গ্রেডে কয়েক বছর ধরে চাকরি করে একাধিক ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন। অন্যজন হয়তো সম্প্রতি ওই গ্রেডে যোগ দিয়েছেন। ফলে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁদের মূল বেতন আলাদা হতে পারে।
এই কারণেই নতুন স্কেলে শুধু গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন ধরে সবার নতুন বেতন নির্ধারণ করা হবে না। বরং পুরোনো স্কেলে কর্মচারীর বর্তমান অবস্থান বিবেচনা করে নতুন স্কেলে তাঁর অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
১৪তম গ্রেডের নতুন বেতনক্রম কত?
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এর প্রকাশিত তালিকায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন হলো—
| গ্রেড | পুরোনো প্রারম্ভিক বেতন | ২০২৬ সালের নতুন প্রারম্ভিক বেতন |
|---|---|---|
| ১০ম | ১৬,০০০ | ৩২,০০০ |
| ১১তম | ১২,৫০০ | ২৫,০০০ |
| ১২তম | ১১,৩০০ | ২৪,৩০০ |
| ১৩তম | ১১,০০০ | ২৪,০০০ |
| ১৪তম | ১০,২০০ | ২৩,৫০০ |
| ১৫তম | ৯,৭০০ | ২২,৮০০ |
| ১৬তম | ৯,৩০০ | ২১,৯০০ |
| ১৭তম | ৯,০০০ | ২১,৪০০ |
| ১৮তম | ৮,৮০০ | ২১,০০০ |
| ১৯তম | ৮,৫০০ | ২০,৫০০ |
| ২০তম | ৮,২৫০ | ২০,০০০ |
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নতুন কাঠামোয় ২০টি গ্রেড বহাল রয়েছে। সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০তম গ্রেডে ২০ হাজার টাকা এবং গ্রেড-১-এ সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পুরোনো স্কেলের শুরুতেই বেতন থাকলে হিসাব আরও সহজ
কোনো কর্মচারী যদি ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁর পুরোনো বেতন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপেই বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে আলাদা করে পার্থক্য বের করার প্রয়োজন নেই।
তাঁর বেতন সংশ্লিষ্ট নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপেই নির্ধারণ হবে।
উদাহরণ হিসেবে, ১৬তম গ্রেডে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন ছিল ৯,৩০০ টাকা। কেউ যদি ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে ৯,৩০০ টাকা মূল বেতন পান, তাহলে নতুন স্কেলে তাঁর বেতন ১৬তম গ্রেডের নতুন প্রারম্ভিক ধাপ ২১,৯০০ টাকা থেকে নির্ধারণ হবে।
শুধু যোগ করলেই হবে না, ‘পরবর্তী উচ্চতর ধাপ’ দেখতে হবে
পার্থক্য যোগ পদ্ধতিতে সবচেয়ে বেশি ভুল হওয়ার সম্ভাবনা এখানেই।
ধরা যাক—
নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন = ২৫,০০০ টাকা
পার্থক্য = ১,২৯০ টাকা
তাহলে হিসাব করে পাওয়া গেল—
২৫,০০০ + ১,২৯০ = ২৬,২৯০ টাকা
কিন্তু নতুন স্কেলে যদি ধাপ থাকে—
২৫,০০০ → ২৬,৩০০ → …
তাহলে ২৬,২৯০ টাকা পাওয়া গেলেও কর্মচারীর মূল বেতন হবে ২৬,৩০০ টাকা।
অর্থাৎ নিয়মটি হলো—
যোগফল ≤ পরবর্তী নির্ধারিত ধাপ → পরবর্তী উচ্চতর ধাপে বেতন।
এ কারণে হাতে ক্যালকুলেটর দিয়ে শুধু যোগ-বিয়োগ করলেই চূড়ান্ত পে ফিক্সেশন করা যাবে না; সংশ্লিষ্ট নতুন বেতনক্রমের ধাপও দেখতে হবে।
২০২৬ সালের নতুন বেতন একবারে পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—নতুন মূল বেতনের বর্ধিত অংশ ধাপে ধাপে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে। ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত তা যথাক্রমে ৭০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ হবে। আর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হবে।
অর্থাৎ পে ফিক্সেশনে নতুন মূল বেতন নির্ধারণের পরও বাস্তবে বর্ধিত অংশ পাওয়ার সময়সূচি আলাদা করে বিবেচনা করতে হবে।
বকেয়া বেতনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ
নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। ফলে গেজেট প্রকাশের আগে থেকে কার্যকর তারিখের মধ্যে যে বেতন পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে, তা পরবর্তী সময়ে বকেয়া হিসেবে পাওয়ার বিষয়টি প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত বাস্তবায়ন বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
তাই কোনো কর্মচারীর ক্ষেত্রে নতুন মূল বেতন কত নির্ধারণ হলো—তার পাশাপাশি কোন সময় থেকে কত শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকর হয়েছে এবং কত টাকা বকেয়া তৈরি হচ্ছে, সেটিও আলাদাভাবে হিসাব করতে হবে।
ছুটি, প্রেষণ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রেও আলাদা নিয়ম
নতুন স্কেলে শুধু কর্মরত সাধারণ কর্মচারীদের জন্য নয়, ছুটি, প্রেষণ, সাময়িক বরখাস্ত ও অবসর-উত্তর ছুটিতে থাকা কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও পৃথক বিধান রাখা হয়েছে।
প্রেষণে থাকা কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রেষণে না থাকলে নিজ দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানে যে বেতন পাওয়ার অধিকারী হতেন, সেই ভিত্তিতে বেতন নির্ধারণের বিধান রয়েছে। ছুটিতে থাকা কর্মচারীর ক্ষেত্রেও ১ জুলাইয়ের অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে বেতন নির্ধারণের নিয়ম দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে যাঁদের অবসর-উত্তর ছুটি শেষ হয়ে অবসর কার্যকর হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে নতুন স্কেলের সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে বিশেষ বিধান রয়েছে।
নিজের বেতন জানতে যে ৩টি তথ্য আগে বের করবেন
একজন সরকারি কর্মচারী নিজের নতুন মূল বেতন আনুমানিকভাবে যাচাই করতে চাইলে প্রথমে তিনটি তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন—
১. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে মূল বেতন কত ছিল
২. পুরোনো বেতন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ কত ছিল
৩. নতুন স্কেলে সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন ও পরবর্তী ধাপগুলো কী
এরপর—
ধাপ-১: ৩০ জুনের মূল বেতন থেকে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন বাদ দিন।
ধাপ-২: পাওয়া পার্থক্য নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করুন।
ধাপ-৩: যোগফল নতুন স্কেলের নির্ধারিত কোনো ধাপের সঙ্গে মিলে গেলে সেটিই নতুন মূল বেতন।
ধাপ-৪: না মিললে পরবর্তী উচ্চতর নির্ধারিত ধাপে বেতন নির্ধারণ করুন।
এক লাইনে পুরো পদ্ধতি
নতুন বেতন = নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন + (৩০ জুনের মূল বেতন − পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন), এরপর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরবর্তী উচ্চতর ধাপে সমন্বয়।
শেষ কথা
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর ‘আমার গ্রেডের নতুন বেতন কত?’—এই প্রশ্নের উত্তর শুধু নতুন স্কেলের সর্বনিম্ন বেতন দেখে দেওয়া যাবে না। কর্মচারীর ৩০ জুন ২০২৬-এর মূল বেতন, পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ, নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট ধাপ এবং পার্থক্য যোগের ফলাফল—সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
বিশেষ করে ১৪তম গ্রেডের মতো ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পুরোনো বা প্রস্তাবিত হিসাবের সঙ্গে বর্তমানে প্রকাশিত ২০২৬ সালের চূড়ান্ত বেতনক্রম গুলিয়ে ফেললে ভুল ফল আসতে পারে। তাই গেজেটে নির্ধারিত সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রকৃত বেতনক্রম ব্যবহার করেই পে ফিক্সেশন করা জরুরি।
বর্তমান প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ১৪তম গ্রেডের নতুন প্রারম্ভিক বেতন ২৩,৫০০ টাকা। ফলে কোনো কর্মচারীর পুরোনো বেতন থেকে পাওয়া ‘পার্থক্য’ এই ২৩,৫০০ টাকার সঙ্গে যোগ করে পরবর্তী ধাপের নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে।
শিরোনাম প্রস্তাব:
নতুন পে স্কেলে বেতন নির্ধারণের সহজ নিয়ম: ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতিতে’ কার বেতন কত হবে?
সাবহেড:
৩০ জুনের মূল বেতন থেকে পুরোনো স্কেলের শুরু বাদ দিয়ে নতুন স্কেলের শুরুতে পার্থক্য যোগ—যোগফল না মিললে পরবর্তী উচ্চতর ধাপে বেতন; ২০২৬ সালের পে ফিক্সেশনের পুরো হিসাব এক নজরে।


