স্টাফদের পাওনা পরিশোধে অনীহা: সহযোগিতার হাত বাড়ালো বিশেষ হেল্পলাইন
দেশের শিল্পকারখানাগুলোতে চাকরি শেষে স্টাফ বা শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ পুরনো। অনেক ক্ষেত্রে কারখানা কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্ভিস বেনিফিট ও অর্জিত ছুটির টাকা প্রদানে টালবাহানা করে থাকে। ফলে চাকুরির শেষ সময়ে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ কর্মজীবীরা।
ভুক্তভোগী এই সকল স্টাফ ও শ্রমিকদের আইনি ও কৌশলগত সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে চালু হয়েছে একটি বিশেষ হেল্পলাইন সেবা। এখন থেকে কোনো কারখানা যদি তাদের স্টাফদের চাকরি শেষে পাওনা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে সরাসরি হেল্পলাইনে যোগাযোগ করে আইনি সহায়তা ও উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যাবে।
কী কী সেবা মিলবে এই হেল্পলাইনে?
“1.jfif” চিত্রের তথ্য অনুযায়ী, কোনো কারখানা কর্তৃপক্ষ যদি চাকুরির শেষে নিম্নলিখিত পাওনাদি পরিশোধ না করে, তবে এই সেবা কার্যকর হবে:
-
সার্ভিস বেনিফিট: চাকরি জীবন শেষে নিয়ম অনুযায়ী প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা না দিলে।
-
অর্জিত ছুটির টাকা: জমাকৃত অর্জিত ছুটির (Earned Leave) সমপরিমাণ পাওনা টাকা প্রদানে কারখানা কর্তৃপক্ষ অস্বীকৃতি জানালে।
-
উত্তোলনে সার্বিক সহযোগিতা: ন্যায্য পাওনা আদায়ে যেকোনো ধরণের আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা।
যেভাবে যোগাযোগ করবেন
ভুক্তভোগী স্টাফ বা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের বকেয়া পাওনা টাকা উত্তোলনে জটিলতার সম্মুখীন হলে সরাসরি নিচে দেওয়া হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন:
যোগাযোগের নম্বর: ০১৭৭১-০০MDA৫৫ (01771-000055)
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ চাকরিজীবীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারবেন এবং কারখানার মালিকপক্ষের অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি উপায়ে নিজেদের পাওনা আদায়ে সক্ষম হবেন।

