রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রযুক্তি, জাতীয় সেবা, ভাতা ও চাকরি তথ্যের নির্ভরযোগ্য সাইট

সর্বশেষ
আয়কর রিটার্ন ২০২৬-২৭: করমুক্ত আয়ের সীমা থেকে ই-রিটার্ন, যেসব নিয়ম জানা জরুরি পেনশনের অনলাইন স্ট্যাটাসে নতুন তথ্য, অক্টোবরের বিল এন্ট্রি থেকে কী জানা যাচ্ছে? এইচএসসি ও এসএসসি রেজাল্ট দেখার সহজ নিয়ম, রোল-রেজিস্ট্রেশন ও এসএমএস পদ্ধতি স্বর্ণের দামে বড় পতন, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ টাকা Pay Scale 2026 InShort: ৯ম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ এক নজরে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ থেকে প্রিপেইড মিটার: গ্রাহকদের যেসব নিয়ম ও নম্বর জানা জরুরি সরকারি ব্যয়ের বিল তৈরিতে ডিজিটাল ব্যবস্থা, এক ফর্মেই আয়কর-ভ্যাট ও বরাদ্দের হিসাব পে-ফিকেশনে ঘুষের অভিযোগ: টাকা দাবি করলে প্রতিবাদের আহ্বান, দুর্নীতি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সরকারি বিলের ভ্যাট-আয়কর হিসাব এক ক্লিকেই, অর্থনৈতিক কোডভিত্তিক ক্যালকুলেটরে মিলবে কর্তনের বিবরণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় থেকে দুর্নীতি দমন, সরকারি কাজে গতি আনতে ২৩ দফা নির্দেশনা

SBL Bank Statement by E-Wallet 2025 । ঘরে বসেই ইমেইলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আর শাখায় যাওয়ার ঝামেলা নেই

SBL Bank Statement by E-Wallet 2025 । ঘরে বসেই ইমেইলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আর শাখায় যাওয়ার ঝামেলা নেই
SBL Bank Statement by E-Wallet 2025 । ঘরে বসেই ইমেইলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আর শাখায় যাওয়ার ঝামেলা নেই ছবি: টেকনিক্যাল আলামিন

​বর্তমানে প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের সাথে সাথে ব্যাংকিং পরিষেবাও অনেক সহজ হয়ে গেছে। এখন ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট পেতে পারেন। -Bank Statement by E-Wallet 2025

ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের সুবিধা বাড়াতে ই-ওয়ালেট সার্ভিসগুলো এখন ঘরে বসে ব্যাংক স্টেটমেন্ট পাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে তাদের ইমেইলে অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট পেতে পারেন। প্রথমে গুগল প্লে-স্টোর (অ্যান্ড্রয়েড) বা অ্যাপ স্টোর (আইওএস) থেকে ই-ওয়ালেট অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ আপডেট করতে হবে। এরপর অ্যাপে লগইন করে ‘Services’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে গিয়ে ‘Account Statement in Email’ অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এরপর যে সময়ের জন্য স্টেটমেন্ট চান, সেই সময়সীমা (From Date এবং To Date) নির্বাচন করে ওয়ালেট পিন দিয়ে ‘Submit’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গ্রাহকের নিবন্ধিত ইমেইলে স্টেটমেন্ট চলে যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ইমেইলে পাওয়া স্টেটমেন্টের জন্য ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তার স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই। ফলে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে গ্রাহক নিজেই তার আর্থিক লেনদেনের হিসাব দেখে নিতে পারবেন। ডিজিটাল আর্থিক সেবায় এই উদ্যোগকে বিশেষজ্ঞরা সময়োপযোগী বলছেন। তাদের মতে, এটি গ্রাহকদের ব্যাংক শাখায় না গিয়েই আর্থিক তথ্য পাওয়ার স্বাধীনতা দেবে, যা সময় ও শ্রম বাঁচাবে।

সোনালী ব্যাংক ই ওয়ালেট কি? সোনালী ই-ওয়ালেট হলো সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের একটি ডিজিটাল ব্যাংকিং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংকিং সমাধান যা গ্রাহকদের ঘরে বসেই বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা নিতে সাহায্য করে। তহবিল স্থানান্তর (Fund Transfer): আপনি আপনার নিজের সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ই-ওয়ালেটে বা অন্য যেকোনো সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারেন। এছাড়াও, বিইএফটিএন (BEFTN) এবং এনপিএসবি (NPSB) ব্যবহার করে অন্য যেকোনো ব্যাংকের অ্যাকাউন্টেও টাকা পাঠানো যায়।

  • বিল পরিশোধ: আপনি বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল যেমন – ডেসকো, ওয়াসা, ডিপিডিসি, বিটিসিএল-এর বিল এই অ্যাপের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারেন।
  • মোবাইল রিচার্জ: দেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটরের (গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক, টেলিটক) নম্বর রিচার্জ করা যায়।
  • কিউআর স্ক্যান করে ক্যাশ আউট: সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে নগদ টাকা উত্তোলন করা সম্ভব।
  • হিসাবের বিবরণ দেখা: আপনি আপনার ব্যাংক ও ওয়ালেটের ব্যালেন্স এবং লেনদেনের ইতিহাস দেখতে পারেন।
  • লোন এবং ডিপিএস/এফডিআর পরিষেবা: লোনের কিস্তি পরিশোধ এবং ডিপিএস/এফডিআর অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।
  • ডেবিট কার্ড পরিষেবা: নতুন ডেবিট কার্ডের জন্য আবেদন, কার্ড রি-ইস্যু, কার্ড অ্যাক্টিভেশন এবং পিন পরিবর্তন করার সুবিধা রয়েছে।
  • চেক বুক রিকোয়েস্ট: নতুন চেক বইয়ের জন্য অনুরোধ করা যায়।
  • ট্যাক্স রিটার্ন আপলোড: ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার সুবিধা রয়েছে।
  • নিরাপত্তা: এটি একটি সুরক্ষিত অ্যাপ। লগইন এবং প্রতিটি লেনদেনের জন্য পিন নম্বর এবং ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) প্রয়োজন হয়।

কারা ব্যবহার করতে পারে: সোনালী ব্যাংকে একটি সেভিংস বা কারেন্ট অ্যাকাউন্ট থাকা যেকোনো ব্যক্তি এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস উভয় সংস্করণেই উপলব্ধ।

ডিজিটাল মাধ্যমে যে স্টেটমেন্ট পাওয়া যায় তা সাধারণত সাম্প্রতিক লেনদেনের জন্যই বেশি উপযোগী। যদি আপনার কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি অফিসিয়াল ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন হয় (যেমন- ভিসা আবেদন, ঋণ আবেদন ইত্যাদির জন্য), তবে এটি ব্যাংকের শাখা থেকে সংগ্রহ করা ভালো। কিছু ক্ষেত্রে, ব্যাংক আনুষ্ঠানিক স্টেটমেন্ট প্রদানের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি নিতে পারে, তবে অ্যাপে লেনদেনের ইতিহাস দেখার জন্য কোনো ফি নেওয়া হয় না।

সোনালী ই ওয়ালেট থেকে কি ফ্রিতে ব্যাংক স্টেটমেন্ট পাওয়া যায়? হ্যাঁ, সোনালী ই-ওয়ালেট অ্যাপ থেকে আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট দেখতে পারেন এবং সাধারণত এটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়। অ্যাপের মধ্যে “Statement” বা “লেনদেনের বিবরণী” নামে একটি অপশন থাকে, যেখানে আপনি আপনার ওয়ালেট এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাম্প্রতিক লেনদেনের ইতিহাস দেখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের লেনদেনের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী সহজে অ্যাক্সেস করতে পারেন। তবে, একটি পূর্ণাঙ্গ এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংক স্টেটমেন্টের জন্য সাধারণত ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করতে হয়।

Caption: Sonali E Wallet Bangladesh

ঘরে বসে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ২০২৫ ।  ই-ওয়ালেট থেকে ব্যাংক স্টেটমেন্ট পাওয়ার সহজ উপায় কি?

  1. অ্যাপ আপডেট করুন: প্রথমে গুগল প্লে-স্টোর (অ্যান্ড্রয়েড) বা অ্যাপ স্টোর (আইওএস) থেকে আপনার ই-ওয়ালেট অ্যাপটি সর্বশেষ সংস্করণে আপডেট করে নিন।
  2. ‘সার্ভিসেস’ অপশনে যান: অ্যাপে লগইন করার পর, ‘Services’ অপশনে ক্লিক করুন।
  3. ‘অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট ইন ইমেইল’ সিলেক্ট করুন: এবার ‘Account Statement in Email’ অপশনে যান।
  4. তারিখ নির্বাচন ও পিন দিন: এখানে আপনি যে সময়ের স্টেটমেন্ট চান, সেটির শুরু ও শেষের তারিখ (From Date এবং To Date) দিন।
  5. এরপর আপনার ওয়ালেট পিন দিয়ে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করুন। ​
  6. এই ধাপগুলো অনুসরণ করলেই মুহূর্তের মধ্যে আপনার নিবন্ধিত ইমেইল ঠিকানায় স্টেটমেন্ট চলে যাবে।
  7. এই স্টেটমেন্টে ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তার স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই।

ডিজিটাল স্টেটমেন্টে স্বাক্ষর লাগবে না?

না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিজিটাল বা ই-মেইল স্টেটমেন্টে ব্যাংকের কর্মকর্তার স্বাক্ষর লাগবে না। বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এখন ই-মেইল স্টেটমেন্টকে অফিসিয়ালি ভ্যালিড ডকুমেন্ট হিসেবে ধরা হয়, কারণ এটি ব্যাংকের সিস্টেম থেকে জেনারেটেড এবং ডিজিটালি ভেরিফায়েড হয়। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে — যেমন ভিসা প্রসেসিং, কোর্ট কেস বা সরকারি দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য — কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বিশেষভাবে সিল-মোহরযুক্ত হার্ডকপি চায়, তখন আপনাকে শাখা থেকে স্বাক্ষরযুক্ত স্টেটমেন্ট নিতে হতে পারে।

একাধিকবার ট্রাই করুন। ইরর মেসেজ আসলেও ট্রাই করুন নতুন চালু হয়েছে তাই ডেভেলপমেন্ট পূর্নাঙ্গ হতে সময় লাগবে

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য প্রকাশের আগে মন্তব্য নীতিমালা পড়ুন।