iBAS++-এ অনলাইনে বেতন নির্ধারণ শুরু ১ অক্টোবর থেকে, ধাপে ধাপে কার্যক্রম যাবে সারা দেশে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের (Pay Fixation) কার্যক্রম এবার অনলাইনে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে iBAS++-এর Pay Fixation ব্যবস্থাকে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনলাইন প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। অর্থ বিভাগের SPFMS কর্মসূচির আওতায় এই প্রশিক্ষণে প্রধান হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা (CAFO), বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (DCA), জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (DAO/DAFO) এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (UAO) কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।
প্রদত্ত জরুরি নোটিশের সূচি অনুযায়ী, ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে পাইলট কার্যক্রমের মাধ্যমে অনলাইন বেতন নির্ধারণ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর অক্টোবর মাসজুড়ে ধাপে ধাপে বিভিন্ন বিভাগ ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে।
সরকারি iBAS++ পোর্টালেও বর্তমানে অনলাইন বেতন নির্ধারণের ব্যবস্থা রয়েছে এবং NID, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ও ভেরিফিকেশন কোডের মাধ্যমে প্রবেশের ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে।
১ অক্টোবর থেকে পাইলট কার্যক্রম
প্রদত্ত নোটিশে উল্লেখিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে সিজিএ, অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং ডিএফও, গাজীপুর-সংশ্লিষ্ট কার্যালয়গুলোকে নিয়ে পাইলট কার্যক্রম শুরু করার কথা বলা হয়েছে।
এরপর—
- ৫ অক্টোবর: ঢাকার সংশ্লিষ্ট সিজিএ কার্যালয়;
- ৮ অক্টোবর: ঢাকা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট ডিডিএও/ইউএও এবং রাজশাহী বিভাগ;
- ১২ অক্টোবর: চট্টগ্রাম বিভাগ;
- ১৫ অক্টোবর: সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ;
- ১৮ অক্টোবর: খুলনা ও বরিশাল বিভাগ—
এভাবে পর্যায়ক্রমে কার্যক্রম সম্প্রসারণের সূচি নোটিশের ছবিতে দেওয়া হয়েছে।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—এই তারিখগুলো প্রদত্ত নোটিশের সূচি অনুযায়ী। সরকারি iBAS++ ওয়েবসাইটে অনলাইন বেতন নির্ধারণের ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়া গেলেও ছবিতে থাকা পূর্ণ বিভাগভিত্তিক সূচিটির স্বতন্ত্র সরকারি ওয়েব সংস্করণ আমি যাচাই করতে পারিনি। তাই সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা কার্যকর বিবেচনা করা উচিত।
কেন অনলাইনে পে ফিক্সেশন করা হচ্ছে?
জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন মূল বেতন নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের জন্য iBAS++-এর মাধ্যমে পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করার বিধানও রাখা হয়েছে।
এর ফলে একজন কর্মচারীর বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার চাকরির তথ্য, আগের বেতন, গ্রেড, যোগদানের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো অনলাইনে যাচাই করা যাবে। তথ্য দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট DDO এবং হিসাবরক্ষণ অফিস তা যাচাই ও অনুমোদন করবে।
কর্মচারীর জন্য প্রক্রিয়াটি কেমন হবে?
অনলাইন পে ফিক্সেশনের ক্ষেত্রে প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে iBAS++-এর নির্ধারিত Pay Fixation ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে হবে।
সরকারি পোর্টালের বর্তমান লগইন ব্যবস্থায় NID, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর দেওয়ার পর ভেরিফিকেশন কোডের মাধ্যমে প্রবেশের ব্যবস্থা রয়েছে। মোবাইল বা ই-মেইলে চার সংখ্যার ভেরিফিকেশন কোড পাঠানোর অপশনও রয়েছে।
প্রক্রিয়াটি মোটামুটি কয়েকটি ধাপে ভাগ করা যায়—
প্রথম ধাপ—লগইন ও পরিচয় যাচাই:
NID, জন্মতারিখ এবং প্রয়োজনীয় মোবাইল/OTP তথ্যের মাধ্যমে কর্মচারীর পরিচয় যাচাই হবে।
দ্বিতীয় ধাপ—চাকরির তথ্য প্রদান:
নিয়োগ, যোগদানের তারিখ, পদবি, গ্রেড, পূর্ববর্তী বেতনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
তৃতীয় ধাপ—বেতন নির্ধারণ:
প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর সিস্টেমে নতুন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারণযোগ্য বেতন প্রদর্শিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা ও প্রকাশিত প্রক্রিয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।
চতুর্থ ধাপ—DDO যাচাই:
কর্মচারীর দেওয়া তথ্য সংশ্লিষ্ট ড্রইং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার (DDO) যাচাই করবেন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাবেন।
পঞ্চম ধাপ—হিসাবরক্ষণ অফিসের অনুমোদন:
হিসাবরক্ষণ অফিস তথ্য যাচাই করে অনুমোদন করবে। অনুমোদনের পর সিস্টেম থেকে ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হওয়ার কথা রয়েছে।
নন-গেজেটেড কর্মচারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
নন-গেজেটেড কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সার্ভিস বইয়ের তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন পে-স্কেলের অনলাইন প্রক্রিয়ায় পূর্ববর্তী চাকরি ও বেতনের তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ আছে কি না, তা যাচাই করে DDO-এর মাধ্যমে হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠানোর বিধান রয়েছে।
অর্থাৎ শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে না। অনলাইনে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সার্ভিস বই, নিয়োগের তথ্য ও পূর্ববর্তী বেতন সংক্রান্ত রেকর্ডের সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন।
ভুল তথ্য দিলে কী হবে?
পে ফিক্সেশনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তথ্যের নির্ভুলতা। কর্মচারীর যোগদানের তারিখ, পূর্ববর্তী বেতন, গ্রেড, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড, অতিরিক্ত ইনক্রিমেন্ট বা অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক তথ্য ভুলভাবে দেওয়া হলে পরবর্তী যাচাইয়ের সময় বিষয়টি সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।
প্রকাশিত নির্দেশনায়ও ভুল তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে।
তাই নতুন বেতন প্রদর্শিত হওয়ার পর সেটি চূড়ান্তভাবে সাবমিট করার আগে কর্মচারীর নিজের রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
সার্ভিস বইয়ের সঙ্গে মিল থাকা কেন জরুরি?
অনলাইন পে ফিক্সেশন ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বেতন নির্ধারণের তথ্যকে ডিজিটাল রেকর্ডে নিয়ে আসা। কিন্তু চাকরিজীবনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের মূল ভিত্তি হিসেবে সার্ভিস বইয়ের ভূমিকা থাকছে।
বিশেষ করে—
- প্রথম নিয়োগের তারিখ;
- যোগদানের তারিখ;
- পদ ও গ্রেড;
- পূর্ববর্তী মূল বেতন;
- বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি;
- পদোন্নতি;
- উচ্চতর গ্রেড;
- টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড, যেখানে প্রযোজ্য;
- বদলি ও অন্যান্য বেতন-নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট আদেশ—
এসব তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকলে পে ফিক্সেশন যাচাইয়ের সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পুরোনো বেতন নির্ধারণের তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ
iBAS++-এর সরকারি নির্দেশনায় পুরোনো বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুবিধা—যেমন পুনঃনির্ধারণ, নতুন নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও উচ্চতর গ্রেড—সংক্রান্ত তথ্য যথাযথভাবে অনলাইনে পূরণ ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয় কর্তৃক প্রতিপাদনের কথা উল্লেখ রয়েছে।
এর অর্থ হলো, একজন কর্মচারীর বর্তমান বেতন শুধু বর্তমান গ্রেডের ওপর নির্ভর করে নয়; পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণের ধারাবাহিকতাও নতুন পে ফিক্সেশনের সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
নতুন বেতনস্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর
সরকারি জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী ২০তম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে।
তবে নতুন বেতনস্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং কর্মচারীর হাতে নতুন হারে বেতন পাওয়ার তারিখ এক বিষয় নয়। বাস্তবে নতুন বেতন পাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পে ফিক্সেশন সম্পন্ন, যাচাই ও অনুমোদন প্রয়োজন।
জুলাই-সেপ্টেম্বরের বেতন নিয়ে কেন এত আলোচনা?
নতুন বেতনস্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হলেও সেপ্টেম্বরের বেতনসহ বাস্তব বেতন পরিশোধের প্রক্রিয়া পুরোনো কাঠামো এবং নতুন কাঠামোর মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের বেতন পুরোনো পে-স্কেল অনুযায়ী দেওয়ার পর পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করে পরবর্তী সময়ে নতুন কাঠামোর বেতন ও বকেয়া সমন্বয়ের প্রক্রিয়া এগোবে।
এ কারণে অনলাইন পে ফিক্সেশন শুধু একটি সফটওয়্যারভিত্তিক তথ্য পূরণের কাজ নয়; এর সঙ্গে নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়ন, বেতন সমন্বয় এবং বকেয়া হিসাবের বিষয়ও যুক্ত রয়েছে।
হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১ অক্টোবর থেকে পাইলট কার্যক্রম শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ২৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, iBAS++ পে-ফিক্সেশন মডিউল পরিচালনার জন্য CAFO, DCA, DAFO ও UAO পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাদের নতুন সফটওয়্যার ব্যবস্থায় তথ্য যাচাই, অনুমোদন এবং পে ফিক্সেশন সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্মচারীদের জন্য করণীয়
পে ফিক্সেশন চালুর আগে সরকারি কর্মচারীদের কয়েকটি বিষয় প্রস্তুত রাখা ভালো—
১. NID-এর তথ্য যাচাই করুন।
নাম ও জন্মতারিখের তথ্য সঠিক আছে কি না দেখুন।
২. মোবাইল নম্বর সচল রাখুন।
OTP বা ভেরিফিকেশন কোড পাওয়ার জন্য নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর গুরুত্বপূর্ণ।
৩. সার্ভিস বইয়ের তথ্য মিলিয়ে নিন।
বিশেষ করে যোগদানের তারিখ, পদ, গ্রেড ও পূর্ববর্তী বেতন।
৪. পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেডের আদেশ প্রস্তুত রাখুন।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আদেশের তথ্য ও কপি প্রয়োজন হতে পারে।
৫. আগের পে ফিক্সেশনের তথ্য যাচাই করুন।
বিশেষ করে যারা পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড বা অন্য কোনো বেতন-নির্ধারণ সুবিধা পেয়েছেন।
৬. নতুন বেতন দেখানোর পর সঙ্গে সঙ্গে সাবমিট না করে যাচাই করুন।
প্রদর্শিত বেতন নিজের হিসাব ও দপ্তরের রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া নিরাপদ।
ওয়েবসাইট ছুটির দিনেও খোলা থাকার কথা
প্রদত্ত জরুরি নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বেতন নির্ধারণ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ছুটির দিনসহ সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে। ফলে নির্ধারিত ধাপে কার্যক্রম চালু হওয়ার পর কর্মচারীরা শুধু অফিস চলাকালীন সময়ের ওপর নির্ভর না করে অনলাইনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।
তবে ওয়েবসাইট ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা মানেই প্রত্যেক কর্মচারীর পে ফিক্সেশন একই সময়ে করা যাবে—এমন নয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগ, হিসাবরক্ষণ কার্যালয় এবং সিস্টেমে নির্ধারিত ধাপ অনুযায়ী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
শেষ কথা
জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে iBAS++-এর অনলাইন পে ফিক্সেশন এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়নধাপগুলোর একটি। ১ অক্টোবরের পাইলট কার্যক্রমের পর ধাপে ধাপে বিভিন্ন হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণের যে সূচি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীর নতুন বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়া ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পে ফিক্সেশন শুধু নতুন বেতন কত হবে তা দেখার বিষয় নয়; এটি একজন কর্মচারীর চাকরিজীবনের পূর্ববর্তী বেতন-নির্ধারণের ধারাবাহিকতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই NID, জন্মতারিখ, যোগদানের তারিখ, পূর্ববর্তী মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং সার্ভিস বইয়ের তথ্য যাচাই করে তারপর অনলাইনে তথ্য দেওয়া উচিত।
সরকারি iBAS++ পোর্টালে ইতোমধ্যে অনলাইন বেতন নির্ধারণের ব্যবস্থা এবং লগইন/ভেরিফিকেশন কাঠামো চালু রয়েছে।
ফলে অক্টোবরের শুরু থেকেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হবে—নিজের চাকরির তথ্য ঠিক রাখা, সংশ্লিষ্ট অফিসের নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং পে ফিক্সেশনের সময় প্রদর্শিত বেতন ও তথ্য চূড়ান্তভাবে যাচাই করে সাবমিট করা।


