পে স্কেলের ৫০-২৫-২৫ বাস্তবায়ন নিয়ে বিভ্রান্তি: iBAS++ কি একসঙ্গে পুরো বেতন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি করবে?
নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা এখন বেতন বৃদ্ধির ধাপ, বর্ধিত মূল বেতনের সঙ্গে ভাতা কখন যুক্ত হবে এবং iBAS++-এ নতুন বেতন কীভাবে নির্ধারিত হবে—এসব বিষয় ঘিরে। বিশেষ করে ‘iBAS++-এ বেতন দিতে হলে পুরো নতুন বেসিক একসঙ্গে দিতে হবে’—এমন একটি ধারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আলোচনায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বিষয়টি একটু গভীরভাবে দেখলে বোঝা যায়, বেতন কাঠামোর ধাপে ধাপে আর্থিক বাস্তবায়ন এবং iBAS++-এর মাধ্যমে বেতন বিল প্রস্তুত—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে নতুন বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ প্রথম ধাপে, পরবর্তী ২৫ শতাংশ ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে এবং অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ ২০২৭ সালের জুলাইয়ে কার্যকর করার কাঠামো রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন হারে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
অর্থাৎ এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নতুন পে স্কেলের পুরো বেসিক নির্ধারণ করা এবং সেই পুরো বেসিকের ওপর সব ভাতা একসঙ্গে কার্যকর করা একই তারিখের বিষয় নয়।
৫০ শতাংশ, ২৫ শতাংশ ও ২৫ শতাংশ—আসল বিষয়টি কী?
নতুন কাঠামোতে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বর্ধিত মূল বেতন ধাপে ধাপে কার্যকর করার যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তার কাঠামো হলো—
- ১ জুলাই ২০২৬: নতুন বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ
- ১ জানুয়ারি ২০২৭: অবশিষ্ট বর্ধিত বেতনের আরও ২৫ শতাংশ
- ১ জুলাই ২০২৭: অবশিষ্ট আরও ২৫ শতাংশ
- ১ জানুয়ারি ২০২৮: নতুন হারে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা কার্যকর
অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের জন্য ধাপের অনুপাত আলাদা—প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ, দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ শতাংশ।
এখানে ‘৫০ শতাংশ’ কথাটি অনেকের কাছে বিভ্রান্তিকর হচ্ছে। এটিকে এমনভাবে বোঝানো ঠিক নয় যে একজন কর্মচারীর পুরো বেতন ৫০ শতাংশে নেমে যাবে। বরং বিষয়টি হচ্ছে নতুন স্কেলে যে পরিমাণ বর্ধিত মূল বেতন নির্ধারিত হয়েছে, তার কত অংশ কোন সময়ে আর্থিকভাবে কার্যকর হবে।
২০২৬ সালের জুলাইয়ে কী হবে?
১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বর্ধিত মূল বেতনের প্রথম ৫০ শতাংশ কার্যকর করার কাঠামো রয়েছে।
কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে একই তারিখে নতুন মূল বেতনের ওপর নতুন বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা বা অন্যান্য সব সুবিধাও পূর্ণমাত্রায় কার্যকর হয়ে যাবে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন হারে ভাতাগুলো কার্যকর হওয়ার নির্ধারিত সময় ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি।
ফলে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়টি মূলত নতুন বেতন কাঠামোর বর্ধিত বেসিক ধাপে ধাপে কার্যকর হওয়ার সময় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তাহলে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও জুলাইয়ের ২৫ শতাংশ কীভাবে যুক্ত হবে?
এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে।
২০২৭ সালের জানুয়ারিতে বর্ধিত মূল বেতনের আরও ২৫ শতাংশ এবং ২০২৭ সালের জুলাইয়ে অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ কার্যকর হবে। ফলে তিনটি ধাপ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী নতুন পে স্কেলে নির্ধারিত পূর্ণ বেসিকে পৌঁছাবেন।
কিন্তু নতুন বেসিকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নতুন হারের বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা তখনই একইভাবে কার্যকর হবে—এমন নয়।
কারণ প্রকাশিত কাঠামো অনুযায়ী নতুন হারে ভাতা কার্যকর হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ জানুয়ারি ২০২৮।
সুতরাং ২০২৬ সালের জুলাই, ২০২৭ সালের জানুয়ারি এবং ২০২৭ সালের জুলাই—এই তিন ধাপে বেসিকের সমন্বয়কে ২০২৮ সালের ভাতা কার্যকরের সঙ্গে এক করে দেখা হলে হিসাবটি ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
‘বর্ধিত বেসিক’ আর ‘ভাতা’—দুটি আলাদা হিসাব
বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে একটি উদাহরণ ধরা যাক।
ধরা যাক, কোনো কর্মচারীর বর্তমান বেসিক ১০,০০০ টাকা এবং নতুন পে স্কেলে তার নির্ধারিত নতুন বেসিক ২০,০০০ টাকা।
যদি নিয়ম অনুযায়ী বর্ধিত অংশ ধাপে ধাপে কার্যকর হয়, তাহলে প্রথম ধাপে বর্ধিত অংশের একটি অংশ কার্যকর হবে। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে বাকি অংশ কার্যকর হবে।
কিন্তু নতুন পে স্কেলের বাড়িভাড়া যদি ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়, তাহলে ২০২৬ বা ২০২৭ সালের প্রতিটি ধাপেই নতুন বাড়িভাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো নতুন বেসিকের ভিত্তিতে হিসাব হবে—এমন সিদ্ধান্ত ধরে নেওয়া যাবে না।
অর্থাৎ—
বেসিক সমন্বয় = এক বিষয়
নতুন হারে বাড়িভাড়া/অন্যান্য ভাতা = আরেক বিষয়
এই দুটি কার্যকর হওয়ার সময় আলাদা হতে পারে।
তাহলে ‘iBAS++-এর কারণে পুরো বেসিক একসঙ্গে দিতে হবে’—এই দাবি কতটা যৌক্তিক?
এখানেই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
iBAS++ একটি বেতন ও হিসাব ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা; এটি সরকারের পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করে না।
অর্থ বিভাগের iBAS++-সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, iBAS++-এ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রস্তুত করা যায়।
এ ছাড়া iBAS++-এর সরকারি পোর্টালে অনলাইন Pay Bill ব্যবস্থার মাধ্যমে বেতন বিল দাখিল এবং GPF, ঋণ ও আয়কর বিবরণী তৈরির সুবিধার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
অর্থাৎ iBAS++ হলো হিসাব ও বেতন বিল বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম। পে স্কেলের ধাপ সরকার নির্ধারণ করবে।
সরকার যদি বলে—নতুন বেসিকের ৫০ শতাংশ এখন, ২৫ শতাংশ পরে এবং বাকি ২৫ শতাংশ আরও পরে কার্যকর হবে—তাহলে সেই নিয়ম অনুযায়ী বেতন হিসাব করার জন্য সিস্টেমে প্রয়োজনীয় কাঠামো তৈরি করাই প্রযুক্তিগত কাজ।
সুতরাং শুধু ‘iBAS++ আছে’—এই কারণে পুরো নতুন বেসিক একদিনেই দিতে হবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি নেই।
iBAS++ নতুন কোনো বিষয় নয়
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ ও বিল ব্যবস্থাপনায় iBAS++ বহু বছর ধরেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
অর্থ বিভাগের সরকারি iBAS সেবায় ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ, নতুন নিয়োগ, বদলি, টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড, উচ্চতর গ্রেড ও বেতন পুনর্নির্ধারণসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার অনলাইন ব্যবস্থা রয়েছে।
অতএব নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সময় iBAS++ ব্যবহৃত হবে—এটি স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু iBAS++ ব্যবহৃত হচ্ছে বলেই পে স্কেলের ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যাবে—এমন ধারণা প্রযুক্তিগতভাবে আলাদা বিষয়কে এক করে ফেলা।
২০২৮ সালের জানুয়ারি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সব গ্রেডের জন্য নতুন হারে ভাতা কার্যকর হওয়ার কথা। একই সময়ে বর্তমানে চালু থাকা ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা বাতিল হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তাই ২০২৮ সালের জানুয়ারি হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সময়।
তখন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর ক্ষেত্রে—
নতুন পে স্কেলের পূর্ণ কার্যকর বেসিক + নতুন নিয়মে বাড়িভাড়া + অন্যান্য প্রযোজ্য ভাতা
মিলিয়ে মোট বেতন নির্ধারণের কাঠামো কার্যকর হবে।
এখানে iBAS++-এর ভূমিকা হবে সেই অনুমোদিত বেতন কাঠামো অনুযায়ী হিসাব ও বেতন বিল প্রক্রিয়াকরণ।
‘iBAS++ অটো হিসাব করবে’—এ কথাটিও বুঝতে হবে সঠিকভাবে
iBAS++ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করতে পারে—কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে সিস্টেম নিজে থেকে সরকারের নতুন পে স্কেলের নিয়ম বানিয়ে ফেলবে।
সিস্টেমে যে বিধি, বেতন স্কেল, গ্রেড, ধাপ, ভাতা ও কার্যকর তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে, সেই তথ্যের ভিত্তিতেই বেতন বিল তৈরি হবে।
অর্থাৎ—
সরকারি আদেশ → বেতন কাঠামো → কার্যকর তারিখ → সিস্টেমে প্রয়োজনীয় তথ্য/নিয়ম → বেতন বিল
এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
এ কারণে ‘iBAS++ আছে, তাই পুরো বেসিক একসঙ্গে দিতে হবে’—এমন বক্তব্যকে সরাসরি সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রচার করার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের ভাষা দেখতে হবে।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা রয়েছে।
বর্তমানে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য মূলত অনুমোদিত কাঠামো ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে এসেছে। কিন্তু চূড়ান্ত গেজেট/প্রজ্ঞাপনে বেতন ফিক্সেশন, ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন, ভাতা, বকেয়া, হিসাব পদ্ধতি এবং iBAS++-এ বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট কারিগরি নির্দেশনা কীভাবে লেখা থাকবে—সেটিই শেষ কথা।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পে স্কেলের গেজেট তখনও প্রক্রিয়াধীন ছিল এবং বেতন ফিক্সেশন ও কিছু ভাতার বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনার জন্য প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষা রয়েছে।
তাই খসড়া বা সংবাদ প্রতিবেদনের তথ্যকে চূড়ান্ত গেজেটের বিকল্প হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
এক নজরে পুরো বিষয়টি
| সময় | কী কার্যকর হওয়ার কথা | ১ জুলাই ২০২৬ | ১০ম–২০তম গ্রেডে নতুন বর্ধিত মূল বেতনের প্রথম ৫০% | ১ জানুয়ারি ২০২৭ | বর্ধিত অংশের আরও ২৫% | ১ জুলাই ২০২৭ | বাকি ২৫% | ১ জানুয়ারি ২০২৮ | নতুন হারে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা | iBAS++ | অনুমোদিত বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন বিল ও হিসাব প্রক্রিয়াকরণ |
|---|
সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তির জায়গাটি কোথায়?
বর্তমান আলোচনায় তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে মিশিয়ে ফেলা হচ্ছে—
প্রথমত, নতুন পে স্কেলের পূর্ণ বেসিক কত।
দ্বিতীয়ত, সেই বেসিকের কত অংশ কোন সময়ে কার্যকর হবে।
তৃতীয়ত, নতুন বেসিকের সঙ্গে নতুন হারে ভাতা কখন যুক্ত হবে।
এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর এক নয়।
বিশেষ করে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে বর্ধিত বেসিক কার্যকর এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন হারে ভাতা কার্যকর—এই সময়সূচি থাকলে ‘iBAS++-এর কারণে সবকিছু একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে’—এমন সরলীকৃত ব্যাখ্যা বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
শেষ কথা
নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নে iBAS++ কোনো বাধা নয়; বরং অনুমোদিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা।
তাই পে স্কেলের ধাপে ধাপে বর্ধিত বেসিক কার্যকর করার সরকারি সিদ্ধান্ত এবং iBAS++-এ বেতন বিল প্রস্তুতের বিষয়কে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রকাশিত কাঠামো অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুলাইয়ে বর্ধিত বেসিকের ৫০ শতাংশ, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে আরও ২৫ শতাংশ এবং জুলাইয়ে অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ কার্যকর হওয়ার কথা। অন্যদিকে নতুন হারে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা কার্যকর হওয়ার সময় নির্ধারিত হয়েছে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি।
আর iBAS++ ইতোমধ্যেই সরকারি বেতন বিল ও বেতন নির্ধারণের কাজে ব্যবহৃত একটি বিদ্যমান ব্যবস্থা। সরকারি iBAS পোর্টালেই ২০১৫ সালের পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণসহ বিভিন্ন বেতন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের অনলাইন ব্যবস্থার তথ্য রয়েছে।
তবে চূড়ান্তভাবে কোন তারিখে কোন বেসিক, কোন ভাতা এবং কীভাবে বেতন ফিক্সেশন হবে—এ বিষয়ে গেজেট/প্রজ্ঞাপনের নির্দিষ্ট ভাষাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। তাই iBAS++-এর নাম ব্যবহার করে ‘পুরো নতুন বেসিক একসঙ্গে দিতেই হবে’—এমন দাবি করার আগে সরকারি প্রজ্ঞাপনের বাস্তবায়ন বিধি দেখা জরুরি।

