বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার ২০২৬

২০২৬ সালে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার দাম কত? বাংলাদেশি টাকায় ডলার, পাউন্ড, ইউরো, রুপি, রিয়ালসহ গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার বর্তমান রেট

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, প্রবাসী আয়, আমদানি-রপ্তানি, বিদেশে পড়াশোনা, চিকিৎসা ও ভ্রমণ—সব ক্ষেত্রেই বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাংলাদেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে ডলার, ইউরো, পাউন্ড, ইয়েনসহ প্রধান মুদ্রাগুলোর দামে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে এসব মুদ্রার মূল্যও প্রতিদিন পরিবর্তিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর সর্বশেষ আন্তঃব্যাংক তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের weighted average rate ছিল প্রায় ১২৩.১৬ টাকা। একই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ সেপ্টেম্বরের FX Market Spot Reference Rate ছিল ১২৩.১৩৫৮ টাকা

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বাংলাদেশ ব্যাংকের আন্তঃব্যাংক/রেফারেন্স রেট এবং সাধারণ গ্রাহকের ব্যাংকিং লেনদেনের রেট এক নয়। যেমন, ১০ সেপ্টেম্বর Eastern Bank-এর প্রকাশিত রেটে ১ ডলার কেনা হচ্ছিল ১২২.৫০ টাকায় এবং বিক্রি ১২৩.৫০ টাকায়; ইউরো ও পাউন্ডের ক্ষেত্রেও buying ও selling rate-এ পার্থক্য ছিল।

এক নজরে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মূল্য

সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর সাম্প্রতিক বাজারদর ধরে বাংলাদেশি টাকায় প্রধান কয়েকটি মুদ্রার আনুমানিক মূল্য হলো—

দেশ/অঞ্চল মুদ্রা ১ মুদ্রা ≈ বাংলাদেশি টাকা
🇺🇸 যুক্তরাষ্ট্র USD ৳123.16
🇬🇧 যুক্তরাজ্য GBP প্রায় ৳166–169
🇪🇺 ইউরোপীয় অঞ্চল EUR প্রায় ৳143–146
🇮🇳 ভারত INR প্রায় ৳1.29
🇸🇦 সৌদি আরব SAR প্রায় ৳32.8
🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাত AED প্রায় ৳33.5
🇨🇳 চীন CNY প্রায় ৳18.3
🇯🇵 জাপান JPY প্রায় ৳0.79–0.82
🇦🇺 অস্ট্রেলিয়া AUD প্রায় ৳88–89
🇸🇬 সিঙ্গাপুর SGD প্রায় ৳97
🇨🇦 কানাডা CAD প্রায় ৳89
🇲🇾 মালয়েশিয়া MYR প্রায় ৳29
🇹🇭 থাইল্যান্ড THB প্রায় ৳3.8
🇰🇷 দক্ষিণ কোরিয়া KRW প্রায় ৳0.083
🇷🇺 রাশিয়া RUB প্রায় ৳1.5
🇨🇭 সুইজারল্যান্ড CHF প্রায় ৳152–154
🇳🇿 নিউজিল্যান্ড NZD প্রায় ৳73
🇿🇦 দক্ষিণ আফ্রিকা ZAR প্রায় ৳7
🇹🇷 তুরস্ক TRY প্রায় ৳2.8

এসব সংখ্যা আনুমানিক বাজার/ব্যাংকিং হার হিসেবে দেখা উচিত। উদাহরণ হিসেবে Southeast Bank-এর সাম্প্রতিক প্রকাশিত রেটে USD-এর buying/selling ছিল প্রায় ১২২.২৫/১২৩.৬০ টাকা, EUR ১৪১.৩৯/১৪৫.০৮ টাকা এবং GBP ১৬৪.৫৭/১৬৯.১৬ টাকা।

সবচেয়ে আলোচিত—১ ডলার কত টাকা?

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা এখনো মার্কিন ডলার। ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের আন্তঃব্যাংক তথ্য অনুযায়ী USD-এর weighted average rate ৳123.16

অর্থাৎ হিসাব করলে—

  • ১ USD ≈ ৳123.16
  • ১০ USD ≈ ৳1,231.60
  • ১০০ USD ≈ ৳12,316
  • ১,০০০ USD ≈ ৳1,23,160

তবে বাস্তবে ব্যাংক থেকে ডলার কিনতে গেলে এর সঙ্গে ব্যাংকের selling rate, চার্জ বা অন্যান্য খরচ যুক্ত হতে পারে।

পাউন্ডের দাম কেন এত বেশি?

বাংলাদেশি টাকার হিসাবে ব্রিটিশ পাউন্ড অন্যতম শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রা। সাম্প্রতিক ব্যাংক রেটগুলোতে ১ GBP-এর মূল্য প্রায় ১৬৬–১৬৯ টাকা অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে। Eastern Bank-এর ১০ সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত রেটে GBP buying ছিল ১৬৪.১৮ টাকা এবং selling ১৬৯.২৮ টাকা।

ফলে আনুমানিক—

১০০ পাউন্ড ≈ ১৬,৬০০–১৬,৯০০ টাকা।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা যুক্তরাজ্যে থাকা পরিবারের সদস্যদের কাছে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ।

ইউরোর অবস্থানও শক্তিশালী

ইউরোপীয় অঞ্চলের মুদ্রা ইউরোর মূল্য সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে প্রায় ১৪৩–১৪৬ টাকা অঞ্চলে রয়েছে। Eastern Bank-এর ১০ সেপ্টেম্বরের রেটে EUR buying ১৪০.৭১ টাকা এবং selling ১৪৫.৫৯ টাকা ছিল।

আন্তর্জাতিক বাজারেও ইউরোর ওঠানামা চলমান। ১০ সেপ্টেম্বর Reuters-এর বাজার প্রতিবেদনে ECB-এর সুদের হার বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ও ফেডারেল রিজার্ভের নীতির প্রভাব ইউরো-ডলার বাজারে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উঠে এসেছে।

সৌদি রিয়াল ও আমিরাতি দিরহামের হিসাব

বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমবাজারে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে SAR ও AED-এর মূল্য সাধারণ মানুষের কাছেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

ডলারের সঙ্গে সৌদি রিয়াল ও আমিরাতি দিরহামের নির্দিষ্ট বিনিময় কাঠামোর কারণে বাংলাদেশি টাকার হিসাবে এগুলোর দাম মোটামুটি—

  • ১ সৌদি রিয়াল ≈ ৩২–৩৩ টাকা
  • ১ আমিরাতি দিরহাম ≈ ৩৩–৩৪ টাকা

অর্থাৎ কোনো প্রবাসী যদি ১,০০০ সৌদি রিয়াল দেশে পাঠান, তাহলে বিনিময় হারের ওপর ভিত্তি করে প্রায় ৩২ হাজার থেকে ৩৩ হাজার টাকা পাওয়া যেতে পারে। তবে রেমিট্যান্স প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব রেট ও প্রণোদনা/চার্জের কারণে প্রকৃত প্রাপ্ত অর্থ আলাদা হতে পারে।

ভারতীয় রুপির দাম তুলনামূলক কম, কিন্তু বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বড় ধরনের আমদানি-রপ্তানি সম্পর্ক রয়েছে। ফলে ভারতীয় রুপির দাম সরাসরি বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।

সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী—

১ ভারতীয় রুপি ≈ ১.২৯ বাংলাদেশি টাকা।

অর্থাৎ—

  • ১০০ INR ≈ ৳১২৯
  • ১,০০০ INR ≈ ৳১,২৯০
  • ১০,০০০ INR ≈ ৳১২,৯০০

এখানে বাজার ও ব্যাংকভেদে সামান্য পার্থক্য থাকবে।

জাপানি ইয়েনের ক্ষেত্রে হিসাবটা উল্টো মনে হতে পারে

অনেকেই মনে করেন জাপানের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ায় ১ ইয়েনের মূল্যও বাংলাদেশি টাকার চেয়ে বেশি হবে। বাস্তবে মুদ্রার denomination বা একক ভিন্ন হওয়ায় এমনটি নয়।

সেপ্টেম্বরের ব্যাংকিং রেটে ১ JPY প্রায় ০.৮ টাকা অঞ্চলে।

অর্থাৎ—

১০০ ইয়েন ≈ ৭৯–৮২ টাকা।

আন্তর্জাতিক বাজারে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ইয়েনের অবস্থানও বেশ আলোচিত ছিল। Reuters জানিয়েছে, ডলারের বিপরীতে ইয়েন সাত মাসের মধ্যে শক্তিশালী অবস্থানে উঠেছিল এবং জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি কঠোর হওয়ার প্রত্যাশা ইয়েনকে সমর্থন করছিল।

চীনা ইউয়ানের দাম কত?

বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার চীনের মুদ্রা ইউয়ান বা CNY-এর মূল্য বর্তমানে আনুমানিক ১৮ টাকার কিছু বেশি

অর্থাৎ—

  • ১ CNY ≈ ৳১৮.৩
  • ১০ CNY ≈ ৳১৮৩
  • ১০০ CNY ≈ ৳১,৮৩০
  • ১,০০০ CNY ≈ ৳১৮,৩০০

চীন থেকে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ পণ্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি হওয়ায় ইউয়ান-টাকার বিনিময় হার ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কেন প্রতিদিন মুদ্রার দাম পরিবর্তন হয়?

মুদ্রার দাম কোনো স্থির সংখ্যা নয়। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে বিনিময় হার পরিবর্তিত হয়।

প্রথমত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, জাপানসহ বড় অর্থনীতির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে।

দ্বিতীয়ত, মূল্যস্ফীতি। কোনো দেশের মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেলে তার মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।

তৃতীয়ত, বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও সরবরাহ। বাংলাদেশে আমদানির জন্য ডলারের চাহিদা বাড়লে ডলারের দাম বাড়ার চাপ তৈরি হতে পারে। বিপরীতে রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ শক্তিশালী হয়।

চতুর্থত, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও বৈদেশিক লেনদেন।

পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, তেলের দাম, বাণিজ্যনীতি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও মুদ্রার বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সেপ্টেম্বরের আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

বাংলাদেশি টাকার জন্য এর অর্থ কী?

ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশের আমদানি ব্যয়, জ্বালানি, শিল্পের কাঁচামাল, বিদেশি ঋণের পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের বড় অংশ ডলারনির্ভর।

অন্যদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ডলারে দেশে আসে। ফলে টাকার তুলনায় ডলারের মূল্য বেশি থাকলে একই পরিমাণ ডলার দেশে পাঠিয়ে প্রবাসীরা বেশি টাকা পেতে পারেন।

তবে টাকার অবমূল্যায়নের নেতিবাচক দিকও রয়েছে। আমদানি করা পণ্য ও কাঁচামালের খরচ বাড়লে দেশে পণ্যের দাম বৃদ্ধির চাপ তৈরি হতে পারে।

ব্যাংকের রেট আর খোলা বাজারের রেট এক নয়

মুদ্রার দাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হয় buying rate, selling rate এবং reference/interbank rate নিয়ে।

ধরা যাক কোনো ব্যাংকে—

  • USD buying = ৳122.50
  • USD selling = ৳123.50

এর অর্থ ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে ১ ডলার কিনলে ১২২.৫০ টাকা দিতে পারে, আবার গ্রাহকের কাছে ১ ডলার বিক্রি করলে ১২৩.৫০ টাকা নিতে পারে।

Eastern Bank-এর ১০ সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত রেটে এমন buying-selling পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত interbank weighted average বা reference rate বাজারের সামগ্রিক অবস্থার একটি নির্দেশক। তাই কোনো সংবাদে ১ ডলার ১২৩ টাকা বলা হলেও গ্রাহক বাস্তবে ব্যাংক থেকে ডলার কেনার সময় ১২৩ টাকার চেয়ে কিছুটা বেশি দিতে পারেন।

২০২৬ সালের মুদ্রাবাজারের বড় বার্তা

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় স্পষ্ট—শুধু ডলারের দাম দেখলেই বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের পুরো চিত্র বোঝা যাবে না।

ডলারের বিপরীতে ইউরো, পাউন্ড, ইয়েন, ইউয়ান ও অন্যান্য মুদ্রার নিজস্ব গতিপথ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি, জাপানের মুদ্রানীতি, তেলের দাম, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রবাহ—সব মিলিয়ে প্রতিদিন মুদ্রাবাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ECB-এর সিদ্ধান্ত এবং সম্ভাব্য Fed নীতির পরিবর্তনও বাজারের প্রত্যাশায় প্রভাব ফেলেছে।

শেষ কথা

সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ১ মার্কিন ডলার প্রায় ১২৩ টাকা, ১ ব্রিটিশ পাউন্ড প্রায় ১৬৬–১৬৯ টাকা, ১ ইউরো প্রায় ১৪৩–১৪৬ টাকা, ১ সৌদি রিয়াল প্রায় ৩৩ টাকা, ১ আমিরাতি দিরহাম প্রায় ৩৩–৩৪ টাকা, ১ চীনা ইউয়ান প্রায় ১৮ টাকা এবং ১ ভারতীয় রুপি প্রায় ১.২৯ টাকা—এমন একটি সামগ্রিক চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

তবে এগুলোকে স্থির দর হিসেবে না দেখে সংশ্লিষ্ট দিনের ব্যাংক/মানি এক্সচেঞ্জের buying-selling rate হিসেবে যাচাই করা জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যেও ১৩ সেপ্টেম্বর আন্তঃব্যাংক USD rate ৳123.16 দেখা যাচ্ছে।

অর্থাৎ, বিদেশি মুদ্রার দাম জানতে শুধু “১ ডলার কত টাকা” নয়—কোন মুদ্রা, কোন ব্যাংক, buying না selling, এবং কোন তারিখের রেট—এই চারটি বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করাই সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *