ব্যাংকিং নিউজ বাংলাদেশ

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাল্টি কারেন্সি কার্ড ২০২৬ । শর্ত মেনে ব্যবহার করলেই মিলবে বার্ষিক চার্জ রিফান্ড!

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অ্যাকাউন্টধারীদের জন্য একটি দারুণ সুখবর। এখন থেকে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাল্টি কারেন্সি ভিসা ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীরা চাইলে প্রতি বছর তাদের কার্ডের বার্ষিক চার্জ সম্পূর্ণ ক্যাশব্যাক হিসেবে ফেরত পেতে পারেন। সহজ কিছু শর্ত মেনে কার্ডটি ব্যবহার করলেই পাওয়া যাবে এই বিশেষ সুবিধা।

কার্ডটির বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এই মাল্টি কারেন্সি ভিসা ডেবিট কার্ডটি দৈনন্দিন লেনদেনকে করেছে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী। কার্ডটির প্রধান সুবিধাসমূহ হলো:

  • তাত্ক্ষণিক প্রাপ্তি: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা সাপেক্ষে, শাখায় কার্ড স্টক থাকলে আবেদন করার সাথে সাথেই এটি হাতে পাওয়া সম্ভব।

  • বহুমুখী ব্যবহার: এটিএম থেকে টাকা উত্তোলন, মার্চেন্ট পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ এবং অনলাইন কেনাকাটায় কার্ডটি ব্যবহার করা যায়।

  • বৈদেশিক লেনদেন: পাসপোর্টে এন্ডোর্সমেন্ট করার মাধ্যমে বিদেশে ব্যবহারের জন্য কার্ডে ডলার লোড করার সুবিধা রয়েছে।

বার্ষিক চার্জ ও ক্যাশব্যাক পাওয়ার নিয়ম

কার্ডটির প্রথম বছরের ব্যবহার সম্পূর্ণ ফ্রি। তবে দ্বিতীয় বছর থেকে বার্ষিক চার্জ হিসেবে ৪৬০ টাকা প্রযোজ্য হয়। গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির বিষয় হলো, এই চার্জটি আবার ক্যাশব্যাক আকারে ফেরত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ক্যাশব্যাক পাওয়ার শর্তাবলি: চার্জ ফেরত পেতে হলে কার্ড ব্যবহারকারীকে কার্ডের মাধ্যমে বছরে অন্তত ১২টি নির্দিষ্ট ট্রানজেকশন সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

  • যেকোনো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে কেনাকাটা।

  • পিওএস (POS) মেশিনের মাধ্যমে পেমেন্ট।

  • ভিসা গেটওয়ের মাধ্যমে যেকোনো অনলাইন পেমেন্ট।

মোবাইল রিচার্জের মাধ্যমেও শর্ত পূরণ: যাঁরা কেনাকাটা কম করেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে সহজ উপায়। মাই জিপি (MyGP), মাই রবি (My Robi), মাই এয়ারটেল (My Airtel), মাই বিএল (MyBL) বা মাই টেলিটক (My Teletalk) অ্যাপ থেকে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ভিসা কার্ড ব্যবহার করে ন্যূনতম ২০ টাকা করে রিচার্জ করলেও এই শর্ত পূরণ হবে।

যেভাবে টাকা ফেরত পাবেন

বার্ষিক চার্জ বাবদ ৪৬০ টাকা কেটে নেওয়ার পর, উপরে উল্লিখিত শর্ত অনুযায়ী কার্ড ব্যবহার করলে পরবর্তী ১৩ মাস ধরে ধাপে ধাপে ক্যাশব্যাক দেওয়া হয়। অর্থাৎ, নিয়মিত লেনদেন বা রিচার্জ চালিয়ে গেলে বছর শেষে বা নির্দিষ্ট মেয়াদে সেই ৪৬০ টাকা পুনরায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে।

নিয়মিত কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতি বছর এই চার্জ রিফান্ড সুবিধা গ্রহণ করে গ্রাহকরা বিনা খরচে কার্ডটি ব্যবহারের দারুণ সুযোগ নিতে পারেন। বিস্তারিত জানতে আপনার নিকটস্থ ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শাখা অথবা কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *