bd Service Rules

নন-ক্যাডার কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির নিয়ম স্পষ্ট, নিয়োগের তারিখ থেকে ACR—যেভাবে নির্ধারিত হবে পদোন্নতির অগ্রাধিকার

সরকারি চাকরিতে নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি ও পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তি দেখা যায়। বিশেষ করে একই পদে একাধিক নিয়োগ, বিভিন্ন পদ থেকে সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ, পদোন্নতির কোটা, বিভাগীয় মামলা, বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (ACR) এবং খসড়া জ্যেষ্ঠতা তালিকার আপত্তি—এসব বিষয়ে কোন নিয়ম অনুসরণ করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে।

আপলোড করা সরকারি গেজেটের “নন-ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারী (জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি) বিধিমালা, ২০১১” বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব বিষয় নির্ধারণের জন্য বিস্তারিত কাঠামো দেওয়া হয়েছে। বিধিমালাটি জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য ছাড়া নন-ক্যাডার গেজেটেড ও নন-গেজেটেড কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরেও এই বিধিমালার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রস্তুত ও পদোন্নতির কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার সরকারি নজির রয়েছে।

জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে শুধু চাকরির বয়সই শেষ কথা নয়

বিধিমালার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের জন্য একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

একই ধরনের পদে কর্মরত ব্যক্তিদের মধ্যে কে আগে এবং কে পরে—তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়োগের ধারাবাহিকতা, নিয়মিত যোগদানের তারিখ, একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্ষেত্রে মেধাক্রম এবং প্রয়োজনে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের সময়কাল বিবেচনায় নেওয়ার বিধান রয়েছে।

অর্থাৎ শুধু বর্তমানে কার চাকরির বয়স বেশি—এমন একটি বিষয় দেখে সব ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি ও ২০১১ সালের বিধিমালায় নির্ধারিত ভিত্তি অনুসরণ করতে হবে।

একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ হলে মেধাক্রম গুরুত্বপূর্ণ

একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একাধিক কর্মকর্তা বা কর্মচারী নিয়োগ পেলে এবং তাদের জন্য মেধা তালিকা প্রস্তুত করা হয়ে থাকলে, সেই মেধা তালিকার ক্রম অনুযায়ী পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে।

এ কারণে একই তারিখে নিয়োগপ্রাপ্ত দুই কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মধ্যে কে জ্যেষ্ঠ—তা নির্ধারণে নিয়োগ পরীক্ষার মেধাক্রম গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে কোনো ক্ষেত্রে মেধা তালিকা পাওয়া না গেলে বা তালিকায় বিষয়টি নির্ধারিত না থাকলে বিধিমালায় বিকল্প ভিত্তি হিসেবে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের সময়কাল বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

সমন্বিত জ্যেষ্ঠতার ক্ষেত্রে প্রারম্ভিক পদে যোগদানের তারিখ গুরুত্বপূর্ণ

বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির প্রারম্ভিক পদে নিয়মিতভাবে যোগদানের তারিখকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে।

ফলে একজন কর্মচারী বর্তমানে যে পদে কর্মরত আছেন, শুধু সেই পদে যোগদানের তারিখ দেখলেই সবসময় সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট শ্রেণির প্রাথমিক বা ফিডার পদে নিয়মিত যোগদানের ইতিহাসও বিবেচনায় আসতে পারে।

এখানেই “সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা তালিকা” গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যথাযথ কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত পারস্পরিক অথবা সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা তালিকাকেই বিধিমালায় জ্যেষ্ঠতার স্বীকৃত ভিত্তি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

পদোন্নতির জন্য শুধু জ্যেষ্ঠ হলেই হবে না

বিধিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির বিষয়টি শুধু জ্যেষ্ঠতার ওপর নির্ভরশীল নয়। সংশ্লিষ্ট পদে পদোন্নতির জন্য নিয়োগবিধিতে নির্ধারিত যোগ্যতা, পদোন্নতির কোটা, শূন্য পদ এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।

পদোন্নতির জন্য নির্ধারিত ফিডার পদ থেকে কর্মকর্তাদের বিবেচনা করার কাঠামোও বিধিমালায় রয়েছে। অর্থাৎ কোন পদ থেকে কোন উচ্চতর পদে পদোন্নতি দেওয়া যাবে, তা সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধির সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে ACR-এর পাঁচ বছরের গড় নম্বর গুরুত্বপূর্ণ

বিধিমালায় “গড় নম্বর” বলতে অব্যবহিত পূর্ববর্তী পাঁচ বছরের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদনের গড় নম্বরকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ পদোন্নতির ক্ষেত্রে কর্মচারীর সাম্প্রতিক কয়েক বছরের কর্মমূল্যায়ন বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।

নথির পরবর্তী ধারাগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদনের গড় নম্বর, মূল্যায়নের মান এবং বিরূপ মন্তব্যের প্রভাব সম্পর্কে বিধান রাখা হয়েছে। ফলে পদোন্নতির সময় শুধু জ্যেষ্ঠতা নয়, কর্মসম্পাদনের রেকর্ডও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বিভাগীয় মামলা থাকলে পদোন্নতিতে প্রভাব পড়তে পারে

কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা থাকলে সেটিও পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিবেচ্য হতে পারে।

বিধিমালায় বিভাগীয় মামলা ও সংশ্লিষ্ট শাস্তিমূলক বিষয়ের ক্ষেত্রে পদোন্নতির যোগ্যতা এবং পদোন্নতির সময় নির্ধারণের বিষয়ে বিধান রয়েছে। গুরুতর শাস্তি বা সংশ্লিষ্ট মামলার পরিস্থিতি থাকলে পদোন্নতি বিলম্বিত বা প্রভাবিত হওয়ার বিধানও রয়েছে।

তাই জ্যেষ্ঠতার তালিকায় অবস্থান করলেই যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সঙ্গে সঙ্গে পদোন্নতি পাবেন—এমন নিশ্চয়তা বিধিমালাটি দেয় না।

খসড়া জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রকাশের পর আপত্তির সুযোগ

জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো খসড়া জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রকাশ।

কর্তৃপক্ষ প্রথমে একটি জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রস্তুত করবে। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবগতির জন্য তা প্রকাশ করা হবে। কারও আপত্তি, অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তা কর্তৃপক্ষকে জানানো যাবে। এরপর আপত্তি ও অভিযোগ যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের বিধান রয়েছে।

সাম্প্রতিক সরকারি কার্যক্রমেও এই বিধান অনুসরণের উদাহরণ দেখা যায়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের একটি ২০২৫ সালের বিজ্ঞপ্তিতে ২০১১ সালের বিধিমালার ৯(২) অনুযায়ী সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা নিয়ে আপত্তি, অভিযোগ বা পরামর্শ জানানোর জন্য ৩০ কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছিল।

জ্যেষ্ঠতা তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পরই পদোন্নতির ভিত্তি শক্ত হয়

খসড়া তালিকা প্রকাশের পর আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তা নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

এরপর পদোন্নতি কমিটি সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধিতে বিদ্যমান শর্তগুলো যাচাই করে পদোন্নতির বিষয় বিবেচনা করে। ২০২৫ সালের একটি সরকারি নোটিশেও বলা হয়েছে, পদোন্নতি কমিটি পদোন্নতি বিবেচনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় নিয়োগবিধিতে বিদ্যমান সব শর্ত অনুসরণ ও যাচাই করবে।

পদোন্নতির পর যোগদানও গুরুত্বপূর্ণ

কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী পদোন্নতি পেলেই বিষয়টি শেষ নয়। পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে যোগদানের তারিখ পদোন্নতির বাস্তব কার্যকারিতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিধিমালায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে যোগদান এবং সংশ্লিষ্ট পদের বেতন নির্ধারণের বিষয়ে পৃথক বিধান রয়েছে। ফলে পদোন্নতির আদেশ এবং পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে বাস্তব যোগদান—দুইটি বিষয়কে আলাদা করে দেখতে হয়।

PRL-এর বিষয়টিও পদোন্নতিতে বিবেচ্য

বিধিমালায় অবসরোত্তর ছুটি বা PRL-এর কাছাকাছি থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতির বিষয়েও বিধান রয়েছে।

নথিতে বলা হয়েছে, PRL-এ যাওয়ার জন্য নির্বাচিত কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে পদোন্নতির সময় শুধু জ্যেষ্ঠতা বা যোগ্যতা নয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরির অবশিষ্ট সময়ও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

শূন্য পদ পূরণে পদোন্নতির নির্ধারিত কাঠামো

বিধিমালার শেষাংশে বলা হয়েছে, পদোন্নতিযোগ্য শূন্য পদগুলো সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি অনুযায়ী পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। তবে একই পদে কর্মরত কাউকে একই পদে পুনরায় পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগ নেই।

এর অর্থ হলো, পদোন্নতির বিষয়টি একটি নির্দিষ্ট পদ কাঠামো ও শূন্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। যোগ্য কর্মকর্তা থাকলেও পদোন্নতিযোগ্য শূন্য পদ এবং প্রযোজ্য নিয়োগবিধির শর্ত বিবেচনা করতে হবে।

হিসাবরক্ষকসহ বিভিন্ন ফিডার পদের কর্মীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

এই বিধিমালার বাস্তব প্রয়োগ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দেখা যায়। সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের সরকারি নোটিশে প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও হিসাবরক্ষক পদকে ফিডার পদ হিসেবে উল্লেখ করে জ্যেষ্ঠতার খসড়া তালিকা প্রকাশের নজির রয়েছে। একইভাবে সহকারী পরিচালক পদের ফিডার পদধারীদের জ্যেষ্ঠতা তালিকাও এই বিধিমালার অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছে।

অন্যদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একটি সরকারি নোটিশে তৃতীয় শ্রেণির নিম্নমান ও নির্বাহী কর্মকর্তাদের ১০ম গ্রেডে পদোন্নতির জন্য ২০১১ সালের বিধিমালা অনুসারে ফিডার পদধারীদের জ্যেষ্ঠতা তালিকা চূড়ান্ত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ ফিডার পদ → জ্যেষ্ঠতা তালিকা → যোগ্যতা যাচাই → পদোন্নতি কমিটির বিবেচনা → পদোন্নতি—এই ধারাটি বাস্তবে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কর্মচারীদের জন্য মূল শিক্ষা

পুরো বিধিমালা বিশ্লেষণ করলে নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে—

প্রথমত, নিয়োগের ইতিহাস ও নিয়মিত যোগদানের তারিখ সংরক্ষণ করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ হলে মেধাক্রম গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তৃতীয়ত, সমন্বিত জ্যেষ্ঠতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির প্রারম্ভিক পদে নিয়মিত যোগদানের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।

চতুর্থত, শুধু জ্যেষ্ঠ হলেই পদোন্নতি নিশ্চিত নয়; নিয়োগবিধিতে নির্ধারিত যোগ্যতা ও শূন্য পদ থাকতে হবে।

পঞ্চমত, ACR এবং কর্মসম্পাদনের রেকর্ড পদোন্নতির মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ।

ষষ্ঠত, বিভাগীয় মামলা বা গুরুদণ্ড থাকলে তার প্রভাব পড়তে পারে।

সপ্তমত, খসড়া জ্যেষ্ঠতা তালিকায় ভুল থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপত্তি বা অভিযোগ জানানো গুরুত্বপূর্ণ।

অষ্টমত, চূড়ান্ত জ্যেষ্ঠতা তালিকা পদোন্নতি প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

শেষ কথা

“নন-ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারী (জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি) বিধিমালা, ২০১১” মূলত নন-ক্যাডার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে একটি কাঠামোবদ্ধ পদ্ধতি নির্ধারণ করেছে। এখানে নিয়োগের ধারাবাহিকতা, মেধাক্রম, নিয়মিত যোগদানের তারিখ, সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা, ফিডার পদ, শূন্য পদ, পদোন্নতি কোটা, ACR, বিভাগীয় মামলা, শাস্তি এবং PRL—সবগুলো বিষয়কে নির্ধারিত কাঠামোর মধ্যে বিবেচনা করা হয়েছে।

তাই কোনো নন-ক্যাডার কর্মচারীর পদোন্নতি বা জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু “কে আগে চাকরিতে ঢুকেছেন” এই একটি তথ্য যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি, নিয়োগের ধরন, নিয়মিত যোগদানের তারিখ, মেধাক্রম, ফিডার পদের অবস্থান এবং অনুমোদিত জ্যেষ্ঠতা তালিকা একসঙ্গে যাচাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই কারণেই খসড়া জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রকাশের পর আপত্তি জানানোর সুযোগটি কর্মচারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নোট: এই প্রতিবেদনের মূল আইনি তথ্য আপলোড করা ২০১১ সালের গেজেট থেকে নেওয়া হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট পদ বা দপ্তরের ক্ষেত্রে পরবর্তী সংশোধনী, বিশেষ নিয়োগবিধি বা পৃথক সরকারি আদেশ প্রযোজ্য থাকলে সেই নির্দিষ্ট বিধানও যাচাই করতে হবে। সরকারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যভান্ডারেও ২০১১ সালের নন-ক্যাডার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালাকে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিধান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সোর্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *