Latest News

তরুণদের জন্য ২০ লাখ টাকা অর্থায়ন: ১০ লাখ ঋণ, ১০ লাখ অনুদান—আবেদন শুরু ১৬ সেপ্টেম্বর

দেশের তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন একটি বিশেষ অর্থায়ন কর্মসূচি চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘উদ্যোগ (UDYOG): উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’ নামের এ উদ্যোগে নির্বাচিত একজন তরুণ উদ্যোক্তা ব্যবসার প্রকৃত প্রয়োজন ও পরিকল্পনা বিবেচনায় সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত সমন্বিত অর্থায়ন পেতে পারেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ব্যাংকঋণ এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রত্যেক আবেদনকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২০ লাখ টাকা পাবেন না। ব্যবসার প্রকৃত প্রয়োজন, প্রস্তাবিত ব্যয়, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং চূড়ান্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতে অর্থায়নের পরিমাণ নির্ধারণ হবে। উদাহরণ হিসেবে, কোনো উদ্যোক্তার ব্যবসা শুরু বা সম্প্রসারণে ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা ঋণ ও ৬ লাখ টাকা অনুদান পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কর্মসূচিতে আবেদন করতে হলে আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখে আবেদনকারীর বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর হতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং নিজের ব্যবসায়িক উদ্যোগ, ব্যবসায়িক ধারণা অথবা নতুন ব্যবসা স্থাপনের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা থাকতে হবে।

অর্থাৎ, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ‘১৮ থেকে ২৮ বছর’ কথাটির ক্ষেত্রে নীতিমালার মূল শর্তটি হলো—আবেদনকারীকে প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে এবং আবেদনের শেষ তারিখে বয়স ২৮ বছরের বেশি হওয়া যাবে না।

তবে কিছু শ্রেণির ব্যক্তি এ অর্থায়নের জন্য বিবেচিত হবেন না। এর মধ্যে রয়েছে—

  • আগে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের জন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়া ব্যক্তি;
  • ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি ব্যক্তি;
  • সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তি;
  • অসত্য তথ্য প্রদানকারী বা অন্যের ব্যবসায়িক ধারণা নিজের নামে ব্যবহারকারী আবেদনকারী।

ঋণখেলাপির বিষয়টি CIB যাচাইয়ের মাধ্যমে দেখা হবে। খেলাপি প্রমাণিত হলে আবেদন বাতিল হবে। আর অসত্য তথ্য বা অন্যের ব্যবসায়িক ধারণা নিজের নামে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে আবেদন বাতিলের পাশাপাশি আবেদনকারীকে কালো তালিকাভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।

২০ লাখ টাকার অর্থায়ন কীভাবে হবে

এই কর্মসূচির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ৫০:৫০ অনুপাতে ঋণ ও অনুদান

অর্থায়নের ধরন সর্বোচ্চ পরিমাণ
ব্যাংকঋণ ১০ লাখ টাকা
অনুদান ১০ লাখ টাকা
মোট ২০ লাখ টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, অর্থায়নের পরিমাণ ব্যবসার প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। তাই ২০ লাখ টাকা হলো সর্বোচ্চ সীমা, নির্ধারিত বা নিশ্চিত অর্থের পরিমাণ নয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উদ্যোক্তার নিজের বিনিয়োগ বা অন্য কোনো বৈধ উৎসের অর্থ থাকলে সেটিও অর্থায়ন পরিকল্পনায় বিবেচনা করতে হবে।

অনুদান কি পুরোপুরি বিনাশর্তে?

এখানেই কর্মসূচিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে।

ব্যাংকঋণ ও অনুদান একই সময়ে, এককালীন এবং অনুমোদিত পূর্ণ পরিমাণে উদ্যোক্তার ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হবে। নগদ অর্থ দেওয়ার সুযোগ নেই।

কিন্তু উদ্যোক্তা যদি নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন অথবা কোনো পর্যায়ে ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়নি বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে দেওয়া অনুদানের সমপরিমাণ অর্থও ঋণে রূপান্তরিত হবে। ওই অর্থ সরকারি পাওনা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদায়যোগ্য হবে।

অর্থাৎ, ১০ লাখ টাকা অনুদান পাওয়া গেলেই সেটি নিঃশর্তভাবে নিজের অর্থ হয়ে যাবে—বিষয়টি এমন নয়। ঋণের শর্ত যথাযথভাবে পালন করা এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জামানত ছাড়াই ঋণের সুযোগ

কর্মসূচির আওতায় দেওয়া ঋণের বিপরীতে সহায়ক জামানত গ্রহণ ছাড়াও ঋণ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে যেসব তরুণের ব্যবসার সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু প্রচলিত ব্যাংকঋণের জন্য প্রয়োজনীয় জামানত দেখানোর সক্ষমতা নেই, তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে।

তবে জামানত না লাগলেও ঋণ অনুমোদন স্বয়ংক্রিয় নয়। উদ্যোক্তা নির্বাচিত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে নিজস্ব ঋণনীতি এবং প্রচলিত আইন ও নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা অনুসরণ করে ঋণ অনুমোদন করতে হবে।

কোন কোন ব্যবসা করা যাবে

নীতিমালায় কোনো একটি নির্দিষ্ট খাতকে সীমাবদ্ধ না রেখে বৈধ বিভিন্ন ব্যবসা ও উদ্যোগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে—

  • কৃষিভিত্তিক ব্যবসা;
  • খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ;
  • হস্তশিল্প;
  • মৎস্য;
  • পশুপালন;
  • পর্যটন;
  • সেবা খাত;
  • সৌরবিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
  • হালকা প্রকৌশল;
  • প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ;
  • অন্যান্য বৈধ ব্যবসা ও উদ্যোগ।

আইন দ্বারা নিষিদ্ধ কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম এ কর্মসূচির আওতায় অর্থায়ন পাবে না।

শুধু নতুন ব্যবসা নয়, বিদ্যমান ব্যবসাও বিবেচনায়

কর্মসূচিটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—শুধু নতুন ব্যবসার ধারণা নয়, বিদ্যমান ব্যবসায়িক ধারণা ও উদ্যোগকেও বিবেচনা করা হবে। তবে আবেদনকারীর প্রকৃত ব্যবসায়িক প্রয়োজন এবং অর্থায়নের যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে।

আবেদনপত্রে ব্যবসার ধরন, সম্ভাব্য ক্রেতা, ব্যবসা শুরুর সময়, ব্যবসার অবস্থান, কাঁচামালের উৎস, বাজার, সম্ভাব্য বিক্রি, সম্ভাব্য লাভ, ঝুঁকি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা সম্পর্কে তথ্য দিতে হবে।

আবেদন কোথায় করবেন

আবেদন করতে হবে সংশ্লিষ্ট উপজেলার যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায়। যে ব্যাংকে আবেদন করা হবে, সেখানে আগে থেকেই ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক নয়।

প্রতিটি উপজেলায় তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্য থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যাংককে ‘লিড ব্যাংক’ হিসেবে দায়িত্ব দেবে। বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় জমা হওয়া আবেদন প্রথমে উপজেলা লিড ব্যাংকে যাবে। এরপর তা জেলা লিড ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালায় আবেদন গ্রহণের এই ধাপগুলোও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আবেদন গ্রহণকারী ব্যাংক শাখা আবেদন পাওয়ার পরবর্তী কার্যদিবসে উপজেলা লিড ব্যাংকে পাঠাবে; উপজেলা লিড ব্যাংক পরবর্তী কার্যদিবসে জেলা লিড ব্যাংকে এবং এরপর জেলা লিড ব্যাংক সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে পাঠাবে।

আবেদনের সঙ্গে যা লাগবে

আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজন হবে—

  • জাতীয় পরিচয়পত্র;
  • সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, যদি থাকে;
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
  • যথাযথভাবে পূরণ করা আবেদন ফরম;
  • সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে ওয়ার্ড কমিশনার/কাউন্সিলর কর্তৃক দেওয়া নাগরিক সনদ বা প্রত্যয়নপত্র।

আবেদন ফরম বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, এসএমই পোর্টাল এবং তফসিলি ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। তফসিলি ব্যাংকের শাখা থেকেও ফরম সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।

আবেদন শুরু কবে, শেষ কবে

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট রয়েছে। নীতিমালার সংযুক্ত অফিশিয়াল আবেদন ফরমে আবেদনের সর্বশেষ তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মসূচি নিয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে এবং ১৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

ফলে ‘আবেদনের তারিখ এখনো ঘোষণা হয়নি’—এ ধরনের পুরোনো তথ্য বর্তমানে প্রযোজ্য নয়।

প্রথম পর্যায়ে ৮ জেলার ৬৪ উপজেলায় কার্যক্রম

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কর্মসূচি প্রথম পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের আট জেলার ৬৪টি উপজেলায় পরিচালিত হচ্ছে। জেলাগুলো হলো—মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনা

পরবর্তী সময়ে কর্মসূচির পরিধি কীভাবে সম্প্রসারিত হবে, তা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরবর্তী নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।

উদ্যোক্তা বাছাইয়ে শুধু বয়স নয়, ব্যবসার সম্ভাবনাও গুরুত্বপূর্ণ

আবেদন করলেই অর্থায়ন পাওয়া যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত হওয়া ঋণ পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। চূড়ান্ত মনোনয়নের পর ব্যাংক নিজস্ব ঋণনীতি ও প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করে ঋণ অনুমোদন করবে।

উদ্যোক্তা বাছাইয়ের সময় বিবেচনা করা হবে—

ব্যবসায়িক ধারণার যৌক্তিকতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা, বাজার সম্ভাবনা, আর্থিক পরিকল্পনা, উদ্যোক্তার সক্ষমতা এবং কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা।

এ কারণে শুধু ‘২০ লাখ টাকা পাওয়া যাবে’—এই ধারণায় আবেদন না করে বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করাই আবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ঋণের অর্থ ব্যবহারে থাকবে নজরদারি

অর্থ পাওয়ার পর উদ্যোক্তা কীভাবে টাকা ব্যবহার করছেন, সেটিও ব্যাংক পর্যবেক্ষণ করবে। ব্যবসার অগ্রগতি, বিক্রি ও নগদ প্রবাহ, ঋণ পরিশোধের অবস্থা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের জন্য Financial Literacy Programme, উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ মেন্টরের পরামর্শ, Trade Licence ও TIN সংক্রান্ত সহায়তা, Business Plan তৈরিতে সহযোগিতা এবং বাজারসংযোগের সুযোগ দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

উদ্যোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়

সব তথ্য বিশ্লেষণ করলে ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির মূল কাঠামো দাঁড়ায় এভাবে—

সর্বোচ্চ বয়স: ২৮ বছর
সর্বোচ্চ সমন্বিত অর্থায়ন: ২০ লাখ টাকা
সর্বোচ্চ ব্যাংকঋণ: ১০ লাখ টাকা
সর্বোচ্চ অনুদান: ১০ লাখ টাকা
ঋণ-অনুদান অনুপাত: ৫০:৫০
সহায়ক জামানত: ছাড়াই ঋণের সুযোগ রয়েছে
আবেদনের স্থান: সংশ্লিষ্ট উপজেলার যেকোনো তফসিলি ব্যাংক শাখা
আবেদন শুরু: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিক বাস্তবায়ন: ৮ জেলার ৬৪ উপজেলা।

শেষ কথা

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কর্মসূচিতে সবচেয়ে বড় বিষয় শুধু ২০ লাখ টাকার প্যাকেজ নয়; বরং ঋণের পাশাপাশি সমপরিমাণ অনুদান, জামানত ছাড়াই ঋণের সুযোগ এবং ব্যবসা পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও বাজারসংযোগে সহায়তার সমন্বিত কাঠামো। তবে ২০ লাখ টাকা সর্বোচ্চ সীমা, নিশ্চিত বরাদ্দ নয়। উদ্যোক্তার প্রকৃত প্রয়োজন ও ব্যবসার বাস্তবায়নযোগ্যতার ভিত্তিতেই অর্থের পরিমাণ নির্ধারিত হবে। একই সঙ্গে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতা বা অর্থের অপব্যবহার হলে অনুদানের অর্থও ঋণে রূপান্তর হওয়ার বিধান রয়েছে।

অতএব, আগ্রহী তরুণদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা প্রস্তুত করা এবং ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলার তফসিলি ব্যাংক শাখায় আবেদন জমা দেওয়া।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ (UDYOG)’ অফিসিয়াল সার্কুলার | বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার তালিকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *