ibas++ আইবাস++

নতুন বেসিকে অক্টোবরের বেতন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি, পে-ফিকেশন অনুমোদনে যেসব বিষয় জানা জরুরি

জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ, অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিল এবং আগের মাসগুলোর বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। প্রকাশিত একটি সময়সূচির ছবিতে পে-ফিকেশনের অনুমোদনের তারিখ অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিলের সম্ভাব্য সময় এবং বকেয়া অর্থ সমন্বয়ের পৃথক ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।

ছবিতে প্রদর্শিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিলের ক্ষেত্রে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুমোদিত বেতন নির্ধারণী, ২৬ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে অনুমোদিত বেতন নির্ধারণী এবং নভেম্বরের প্রথম পাঁচ দিন পর্যন্ত প্রক্রিয়াধীন থাকা বেতন নির্ধারণীর জন্য পৃথক পরিস্থিতি দেখানো হয়েছে। কোথাও নতুন বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বিল দাখিলের সময় উল্লেখ করা হয়েছে, আবার কোথাও জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বিল দাখিলের বিকল্প দেখানো হয়েছে।

একই সঙ্গে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর অথবা অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতা ম্যানুয়ালি পরিশোধ ও সমন্বয়ের কথাও ছবিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে সবার বেতন নির্দিষ্ট দিনে পরিশোধ হবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। সময়সূচিটির আনুষ্ঠানিকতা ও কার্যকারিতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

পে-ফিকেশনের অনুমোদনের তারিখ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

নতুন বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারণ বা পে-ফিকেশন সম্পন্ন করা এবং সেই অনুযায়ী বেতন বিল দাখিল করা এক বিষয় নয়। বেতন নির্ধারণী প্রস্তুত হওয়ার পর সেটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই এবং বেতন বিল প্রস্তুতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।

এ কারণে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর পে-ফিকেশন সম্পন্ন হলেও সংশ্লিষ্ট অনুমোদন বা সিস্টেমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ না হলে নতুন বেসিকে বেতন বিল দাখিল করতে সমস্যা হতে পারে।

প্রদর্শিত সময়সূচিতে অনুমোদনের তারিখের ভিত্তিতে কয়েকটি পৃথক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, বেতন নির্ধারণীর অনুমোদন কখন সম্পন্ন হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে বিল দাখিলের সময়সূচি ভিন্ন হতে পারে।

তবে বাস্তবে কোন তারিখে কোন বেতন স্কেলে বিল দাখিল করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুমোদিতদের ক্ষেত্রে কী বলা হয়েছে?

প্রদর্শিত ছকের প্রথম সারিতে ২৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হিসাবরক্ষণ কার্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর কথা বলা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ২৮ অক্টোবর থেকে বেতন বিল দাখিলের সময় উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতা ম্যানুয়ালি পরিশোধ ও সমন্বয়ের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

এ তথ্য কার্যকর নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বিল প্রস্তুতের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে বেতন বিল দাখিলের সুযোগ পাওয়া মানেই একই দিনে বেতন ব্যাংক হিসাবে জমা হবে, এমন নয়। বিল দাখিল, যাচাই, অনুমোদন এবং অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া পৃথক হতে পারে।

২৬ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে অনুমোদন পেলে কী হবে?

ছবির দ্বিতীয় অংশে ২৬ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হিসাবরক্ষণ কার্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর জন্য দুটি বিকল্প সময়সূচি দেখানো হয়েছে।

প্রথম বিকল্পে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বেতন বিল দাখিলের কথা উল্লেখ রয়েছে। দ্বিতীয় বিকল্পে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে বেতন বিল দাখিলের সময় দেখানো হয়েছে।

এখানে মূল বিষয় হলো, অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর ভিত্তিতে কোন পদ্ধতিতে এবং কখন বিল দাখিল করতে হবে, তা নিশ্চিত হওয়া।

কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নির্ধারণী অনুমোদিত হলেও তাঁর অফিসের বিল প্রস্তুতকারী শাখা বা সংশ্লিষ্ট ডিডিওর কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ না থাকলে বিল দাখিলে বিলম্ব হতে পারে। তাই শুধু পে-ফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা নয়; অনুমোদন ও বিল প্রস্তুতের অবস্থাও যাচাই করা প্রয়োজন।

১ থেকে ৫ নভেম্বরের মধ্যে অনুমোদন হলে বিল দাখিলের সম্ভাব্য সময়

প্রদর্শিত সময়সূচির তৃতীয় অংশে ১ নভেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হিসাবরক্ষণ কার্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত বেতন নির্ধারণীর কথা বলা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বেতন বিল দাখিলের একটি বিকল্প দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ৬ নভেম্বর থেকে বিল দাখিলের বিকল্প সময় উল্লেখ রয়েছে।

এই সময়সূচি অনুসরণ করা হলে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বেতন নির্ধারণীর অনুমোদন পাওয়া কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিলের সময় অন্যদের তুলনায় আলাদা হতে পারে।

তবে এটি প্রদর্শিত ছবির তথ্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ছাড়া এই তারিখগুলোকে নিশ্চিত সরকারি সময়সীমা হিসেবে প্রচার করা উচিত নয়।

৫ নভেম্বর পর্যন্ত পে-ফিকেশন প্রক্রিয়াধীন থাকলে কী হতে পারে?

ছবির চতুর্থ অংশে ৫ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে প্রক্রিয়াধীন থাকা বেতন নির্ধারণীর বিষয়ে আলাদা পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে অক্টোবর মাসের বেতন বিল জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী দাখিলের কথা উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি জুলাই থেকে অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতা ম্যানুয়ালি পরিশোধ ও সমন্বয়ের বিষয়টি দেখানো হয়েছে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। পুরোনো বেতন স্কেল অনুযায়ী বিল দাখিলের কথা উল্লেখ থাকলেও পরবর্তী সময়ে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ ও বকেয়া সমন্বয়ের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।

তাই যাঁদের পে-ফিকেশন এখনো অনুমোদিত হয়নি, তাঁদের নিজের উদ্যোগে বেতন বিলের পদ্ধতি পরিবর্তন না করে সংশ্লিষ্ট অফিস ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বকেয়া বেতন-ভাতা নিয়ে কী জানা যাচ্ছে?

প্রদর্শিত সময়সূচিতে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এবং জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রাপ্য বকেয়া বেতন-ভাতা ম্যানুয়ালি পরিশোধ ও সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে। তবে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য একই সময়ের বকেয়া প্রযোজ্য হবে, এমনটি নিশ্চিত নয়।

বকেয়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

১. বেতন স্কেলের কার্যকর তারিখ: নতুন বেতন স্কেল কোন তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর ক্ষেত্রে কার্যকর, তা যাচাই করতে হবে।

২. অনুমোদিত বেতন নির্ধারণী: পে-ফিকেশন অনুমোদিত হয়েছে কি না এবং অনুমোদিত হিসাবে কী পরিমাণ মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে হবে।

৩. ইতিমধ্যে পাওয়া বেতন: সংশ্লিষ্ট মাসগুলোতে যে বেতন ও ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে, তার সঙ্গে নতুন হিসাবে প্রাপ্য অর্থের পার্থক্য নির্ধারণ করতে হবে।

৪. প্রযোজ্য ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সব ভাতা একই হারে বা একই সময় থেকে কার্যকর হবে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী হিসাব করতে হবে।

৫. বকেয়া পরিশোধের অনুমোদিত পদ্ধতি: ম্যানুয়াল সমন্বয় বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

এখানে মনে রাখা প্রয়োজন, বকেয়া হিসাব প্রস্তুত করা, বিল দাখিল করা এবং অর্থ ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়া তিনটি আলাদা ধাপ। তাই বকেয়া সমন্বয়ের উল্লেখ থাকলেই নির্দিষ্ট তারিখে অর্থ পাওয়া নিশ্চিত হয় না।

iBAS++-এ নতুন বেসিকে বেতন বিল দাখিল করতে সমস্যা হলে করণীয়

জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী পে-ফিকেশন সম্পন্ন করার পরও iBAS++-এ বেতন বিল দাখিল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কয়েকটি বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রথমত, পে-ফিকেশনের অনুমোদন যাচাই করুন। বেতন নির্ধারণী শুধু প্রস্তুত হয়েছে, নাকি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও পেয়েছে, তা নিশ্চিত হতে হবে।

দ্বিতীয়ত, বেতন নির্ধারণীর তথ্য মিলিয়ে নিন। পদ, গ্রেড, মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট ও কার্যকর তারিখের তথ্য সঠিক আছে কি না, পরীক্ষা করুন।

তৃতীয়ত, সংশ্লিষ্ট ডিডিওর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বেতন বিল প্রস্তুত বা দাখিলের সময় কোনো ত্রুটি দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারের (DDO) সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

চতুর্থত, হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। পে-ফিকেশন অনুমোদন, বেতন বিল দাখিল কিংবা বকেয়া সমন্বয় নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা থাকলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কাছ থেকে নিশ্চিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

পঞ্চমত, বিকল্প বেতন স্কেলে বিল দাখিলের আগে নিশ্চিত হন। পুরোনো বেতন স্কেল অনুযায়ী বিল দাখিল করতে হবে, নাকি নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী—এ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত নির্দেশনার ভিত্তিতে নিতে হবে।

বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা এড়াতে যা করবেন

অক্টোবর মাসের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে প্রথমেই নিজের পে-ফিকেশনের বর্তমান অবস্থা জানতে হবে। এরপর বেতন নির্ধারণী অনুমোদনের তারিখ, বেতন বিল দাখিলের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অফিসের নির্দেশনা যাচাই করা প্রয়োজন।

যাঁদের পে-ফিকেশন অনুমোদিত হয়েছে, তাঁদের নিশ্চিত হতে হবে যে অনুমোদিত তথ্য অনুযায়ী বেতন বিল প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে। আর যাঁদের পে-ফিকেশন এখনো প্রক্রিয়াধীন, তাঁদের সংশ্লিষ্ট শাখা ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা উচিত।

এ ছাড়া বকেয়া বেতন-ভাতা সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো সময়সূচি দেখেই নির্দিষ্ট অঙ্ক বা অর্থপ্রাপ্তির তারিখ ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। ব্যক্তিগত বকেয়ার হিসাব জানতে অনুমোদিত বেতন নির্ধারণী ও প্রযোজ্য বিধান যাচাই করা জরুরি।

শেষ কথা

জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতন বিল দাখিল ও বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয়ের বিষয়ে প্রদর্শিত সময়সূচিতে পে-ফিকেশনের অনুমোদনের তারিখ অনুসারে কয়েকটি পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে ২৮ অক্টোবর, ১ নভেম্বর ও ৬ নভেম্বরের মতো সম্ভাব্য তারিখ এবং পুরোনো বা নতুন বেতন স্কেলে বিল দাখিলের বিকল্প উল্লেখ রয়েছে।

তবে ছবিতে প্রদর্শিত তথ্যের ভিত্তিতে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নির্দিষ্ট দিনে পরিশোধ হবে বা বকেয়া অর্থ নিশ্চিতভাবে পাওয়া যাবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা, পে-ফিকেশনের অনুমোদন এবং বেতন বিল দাখিলের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা প্রয়োজন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, গুজব বা অনিশ্চিত সময়সূচির ওপর নির্ভর না করে নিজের বেতন নির্ধারণীর অবস্থা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা।

আইবাস++ নোটিশ নতুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *