৯ম পে স্কেল নিউজ

৮ম ও ৯ম পে-স্কেলে ৫% ইনক্রিমেন্ট: ‘শেষ ধাপ’ দেখানোই কি নতুন জটিলতার কারণ হবে?

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো নিয়ে আলোচনায় বারবার সামনে আসছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—বার্ষিক ৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি (Increment) কীভাবে উপস্থাপন করা হবে এবং প্রতিটি গ্রেডের সর্বোচ্চ বেতন বা ‘শেষ ধাপ’ কীভাবে নির্ধারণ করা হবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন চাকরি করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শেষ ধাপে পৌঁছানোর পর বেতন বৃদ্ধির সুযোগ, হিসাব এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমান ৮ম জাতীয় বেতন স্কেল বা জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর কাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রত্যেক গ্রেডে প্রারম্ভিক ও সর্বোচ্চ মূল বেতন নির্ধারণের পাশাপাশি নির্দিষ্ট বেতন বৃদ্ধির ধাপ রয়েছে। সরকারি বেতন নির্ধারণ ব্যবস্থাতেও গ্রেডভিত্তিক বেতন এবং পরবর্তী বেতন নির্ধারণের বিষয়টি আলাদাভাবে পরিচালিত হয়।

এ কারণেই সম্ভাব্য ৯ম পে-স্কেল প্রণয়নের সময় ‘গ্রেডের শুরু কত’ এবং ‘বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট কত শতাংশ’—এই দুই তথ্য স্পষ্ট করাই যথেষ্ট কি না, নাকি প্রতিটি গ্রেডের দীর্ঘমেয়াদি ‘স্টেজ’ বা ধাপও আগেই নির্ধারণ করে দিতে হবে—এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা প্রয়োজন।

৮ম পে-স্কেলে কী ছিল?

জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির তারিখ ১ জুলাই নির্ধারিত হয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট যোগ্যতামূলক চাকরির মেয়াদ পূরণের পর ইনক্রিমেন্ট প্রাপ্য হওয়ার বিধানও রয়েছে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট কথাটি বললেই প্রত্যেক গ্রেডে একই টাকার অঙ্কে বেতন বাড়বে—এমন নয়। মূল বেতনের ওপর নির্ধারিত হারে বৃদ্ধি হওয়ায় মূল বেতন যত বেশি, টাকার হিসাবে বৃদ্ধিও তত বেশি হয়।

২০১৫ সালের কাঠামোয় আবার সব গ্রেডের ইনক্রিমেন্টের প্রকৃতি এক নয়। বিভিন্ন গ্রেডে বিভিন্ন হারে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির ব্যবস্থা এবং প্রত্যেক গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

অর্থাৎ, ‘৫% ইনক্রিমেন্ট’ এবং ‘প্রতিটি ইনক্রিমেন্টের জন্য আলাদা আলাদা স্টেজ’—দুটি বিষয়কে এক করে দেখা ঠিক নয়।


তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

সমস্যার জায়গাটি মূলত শেষ ধাপে পৌঁছানো চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা।

একজন কর্মচারী বছরের পর বছর বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেতে পেতে যখন তার গ্রেডের সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতনে পৌঁছে যান, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—এর পরের বছর কী হবে?

যদি সংশ্লিষ্ট গ্রেডের সর্বোচ্চ বেতনই শেষ সীমা হয়, তাহলে নিয়মিত বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হিসাব কীভাবে প্রতিফলিত হবে, তা পরিষ্কারভাবে বিধিতে উল্লেখ না থাকলে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ফলে দীর্ঘদিনের চাকরিজীবী একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বেতন সংক্রান্ত একটি সাধারণ বিষয় নিয়েও হিসাবরক্ষণ, প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে বারবার ব্যাখ্যা দিতে হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই ‘শেষ ধাপ’ আগেই নির্ধারণ না করে মূল কাঠামোকে সহজ করার দাবি উঠছে।


‘গ্রেডের শুরু + ৫% ইনক্রিমেন্ট’—এই পদ্ধতির পক্ষে যুক্তি

একটি মত হলো, নতুন পে-স্কেলে প্রতিটি গ্রেডের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিষয় পরিষ্কার করে দিলেই যথেষ্ট—

১. গ্রেডভিত্তিক প্রারম্ভিক মূল বেতন
২. বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার
৩. সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করলে কীভাবে বেতন নির্ধারিত হবে—তার সুস্পষ্ট বিধান।

এ ক্ষেত্রে প্রতিটি বছরের জন্য আলাদা করে ১ম ধাপ, ২য় ধাপ, ৩য় ধাপ—এভাবে দীর্ঘ তালিকা তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

কারণ, প্রযুক্তিনির্ভর বেতন ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট সূত্র অনুযায়ী মূল বেতন নির্ধারণ করা সম্ভব। অর্থাৎ একজন কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন জানা থাকলে নির্ধারিত হারে পরবর্তী বেতন কত হবে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা যেতে পারে।

সরকারের বর্তমান অনলাইন বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থাতেও জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ, পুনঃনির্ধারণ, বদলি, উচ্চতর গ্রেডসহ বিভিন্ন বিষয় অনলাইনে প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থা রয়েছে।


‘স্টেজ’ বানানো কি আসলেই প্রয়োজন?

এখানেই মূল বিতর্ক।

জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর সরকারি কাঠামোতে বিভিন্ন গ্রেডের জন্য ধাপভিত্তিক বেতন অঙ্ক নির্ধারিত রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে সরকারি প্রকাশিত বেতন-তালিকায় ২য় ও ৩য় গ্রেডসহ বিভিন্ন গ্রেডের একাধিক বেতন ধাপ দেখা যায়।

কিন্তু নতুন পে-স্কেলেও যদি একইভাবে প্রতিটি গ্রেডের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসংখ্য ধাপ তৈরি করা হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করতে পারে—এমন মত রয়েছে।

বিশেষ করে কোনো কর্মচারী যখন নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছাবেন, তখন ‘পরবর্তী ধাপ নেই’—এই অবস্থাটি কীভাবে সার্ভিস রেকর্ডে প্রতিফলিত হবে, তা নিয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকেই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে।


‘ইনক্রিমেন্ট স্থগিত’ ও ‘ইনক্রিমেন্ট শেষ’—দুই বিষয় এক নয়

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

একজন চাকরিজীবীর বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের অধিকার এবং তার গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতনের সীমা—দুটি আলাদা বিষয়।

কোনো শাস্তিমূলক বা বিধিগত কারণে ইনক্রিমেন্ট স্থগিত হওয়ার বিষয় এক জিনিস; আর একজন কর্মচারী গ্রেডের সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতনে পৌঁছে যাওয়ার কারণে নতুন ধাপ না পাওয়ার বিষয় সম্পূর্ণ ভিন্ন।

জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এ আগের প্রচলিত দক্ষতার সীমা বা Efficiency Bar-সংক্রান্ত বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছিল এবং ২০টি গ্রেডে পৃথক সর্বোচ্চ মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়।

তাই নতুন কাঠামোয় এই দুই বিষয়কে আরও পরিষ্কারভাবে আলাদা করা জরুরি।


দীর্ঘদিনের চাকরিজীবীদের জন্য বিষয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একজন নতুন চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে বেতন কাঠামোর পরিবর্তন তুলনামূলকভাবে সহজে বোঝা যায়। কিন্তু ২০-৩০ বছর চাকরি করা একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন।

তার বর্তমান মূল বেতন, অর্জিত ইনক্রিমেন্ট, পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং ভবিষ্যৎ ইনক্রিমেন্ট—সবকিছুর সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামোর সম্পর্ক তৈরি হয়।

জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ কার্যকর করার সময়ও পূর্ববর্তী বেতনস্কেলের সঙ্গে নতুন বেতনস্কেলের সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণের বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছিল। এমনকি বিদ্যমান বেতন যদি নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পার্থক্য হিসাব করে নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের বিধানও রাখা হয়েছিল।

অর্থাৎ নতুন পে-স্কেল তৈরি শুধু নতুন বেতন অঙ্ক নির্ধারণের বিষয় নয়; পুরোনো বেতন থেকে নতুন কাঠামোয় কীভাবে যাওয়া হবে—সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।


৯ম পে-স্কেলে কী করা যেতে পারে?

৯ম পে-স্কেল প্রণয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে সরলীকরণ

প্রতিটি গ্রেডের জন্য—

প্রারম্ভিক মূল বেতন + নির্ধারিত বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হার + সর্বোচ্চ সীমা সংক্রান্ত পরিষ্কার বিধান

এই তিনটি বিষয় স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হলে কর্মকর্তা-কর্মচারী, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের জন্য বিষয়টি অনেক সহজ হতে পারে।

একই সঙ্গে একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে, যেখানে কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন, ইনক্রিমেন্টের তারিখ ও গ্রেড ইনপুট দিলে পরবর্তী প্রাপ্য বেতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হবে।

এতে কাগজে অসংখ্য ‘স্টেজ’ তৈরির প্রয়োজন কমবে এবং মানবিক ভুলের সুযোগও কমতে পারে।


তবে ‘৫% সবার জন্য’—এমন সরলীকরণেও সতর্কতা দরকার

এখানে আরেকটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি।

বর্তমান ২০১৫ সালের কাঠামোকে শুধু ‘সবাই ৫ শতাংশ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করলে পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। বিভিন্ন গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার ও সর্বোচ্চ মূল বেতনের কাঠামো আলাদা।

তাই ৯ম পে-স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোন গ্রেডে ঠিক কত শতাংশ, কত টাকা এবং সর্বোচ্চ কত পর্যন্ত বেতন যাবে—এসবকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে প্রচার করা ঠিক হবে না।

বিশেষ করে বর্তমানে ৯ম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য হিসাব, চার্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য প্রচারিত হলেও সরকারি গেজেটই হবে চূড়ান্ত ভিত্তি।


‘কেরানি নির্ভরতা’ নিয়ে অভিযোগ কতটা যৌক্তিক?

সরকারি বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ফাইল প্রস্তুত, হিসাব তৈরি, বেতন নির্ধারণ এবং খসড়া আদেশ তৈরিতে অধস্তন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে।

তাই কোনো নতুন বেতন কাঠামোর ধারণাগত পরিবর্তন যদি যথাযথভাবে প্রশাসনের সর্বস্তরে বোঝানো না হয়, তাহলে পুরোনো পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রবণতা তৈরি হতে পারে।

তবে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারী বা ‘কেরানি’কে দায়ী করার আগে সরকারি প্রজ্ঞাপন, অফিস আদেশ ও অনুমোদিত বেতন কাঠামো যাচাই করা প্রয়োজন।

কারণ শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়নের ভিত্তি হবে সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ—ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা নয়।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি: ‘হয়রানিমুক্ত’ বেতন ব্যবস্থা

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের একটি যৌক্তিক প্রত্যাশা হলো—বেতন নির্ধারণ যেন এমনভাবে করা হয়, যাতে একই বিষয়ে বারবার দপ্তরে দৌড়াতে না হয়।

বিশেষ করে অবসরের কাছাকাছি থাকা বা দীর্ঘদিন চাকরি করা কর্মচারীদের জন্য চূড়ান্ত বেতন ধাপ, ইনক্রিমেন্ট এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন সংক্রান্ত বিধান একেবারে দ্ব্যর্থহীন হওয়া দরকার।

নতুন পে-স্কেলে এমন ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যাতে—

  • প্রতিটি গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন স্পষ্ট থাকে;
  • বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হার স্পষ্টভাবে লেখা থাকে;
  • সর্বোচ্চ মূল বেতনের নিয়ম পরিষ্কার থাকে;
  • সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছালে পরবর্তী বছর কী হবে তা নির্দিষ্ট থাকে;
  • ইনক্রিমেন্ট বন্ধ/স্থগিত এবং সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছানো—দুই বিষয় আলাদাভাবে সংজ্ঞায়িত থাকে;
  • সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতন হিসাব করতে পারে;
  • কর্মচারীর সার্ভিস বুকে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি না হয়।

শেষ কথা

৮ম পে-স্কেলের অভিজ্ঞতা থেকে ৯ম পে-স্কেলের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা হতে পারে—বেতন কাঠামো যতটা সম্ভব সহজ, স্বচ্ছ ও স্বয়ংক্রিয় করা।

গ্রেডভিত্তিক প্রারম্ভিক বেতন, নির্ধারিত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট এবং সর্বোচ্চ বেতনসীমা—এই তিনটি বিষয় যদি সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা যায় এবং সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছানোর পরের অবস্থাও বিধিতে পরিষ্কার করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ‘কোন ধাপে আছি’, ‘আরেকটি ধাপ আছে কি না’, ‘ইনক্রিমেন্ট কেন হলো না’—এ ধরনের প্রশ্নে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

তবে ৯ম পে-স্কেলের চূড়ান্ত কাঠামো, ইনক্রিমেন্টের হার ও শেষ ধাপ এখনো সরকারি গেজেটের মাধ্যমে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো সম্ভাব্য চার্ট বা হিসাবকে চূড়ান্ত হিসেবে ধরা যাবে না।

সরকারের জন্য তাই প্রত্যাশা একটাই—নতুন বেতন কাঠামো শুধু বেতন বাড়ানোর দলিল না হয়ে, দীর্ঘদিনের চাকরিজীবীদের জন্য একটি সহজ, স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর ও হয়রানিমুক্ত বেতন ব্যবস্থার ভিত্তি হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *